‘আমাকে রেখে বাবাকে আনতে যেও না’
‘আমাকে রেখে বাবাকে আনতে যেওনা তোমরা কেউ। আমিও বাবাকে নিতে যাব।’
‘আমাকে রেখে বাবাকে আনতে যেওনা তোমরা কেউ। আমিও বাবাকে নিতে যাব।’
আগামী ১২ মাসের মধ্যে বাংলাদেশ সার্বভৌম এআই সক্ষমতা অর্জন করবে—এটাই আজকের খবর। খবরটা শুনতে ভালো লাগে। কিন্তু তিন দশক টেলিযোগাযোগ আর তথ্যপ্রযুক্তি খাতের খবর লিখতে গিয়ে একটা শিক্ষা পেয়েছি: এ দেশে ঘোষণা যত সহজে আসে, বাস্তবায়ন তত সহজে আসে না।
শরতের আকাশে সাদা মেঘের ভেলা, ভোরের ঘাসে শিশির আর বাতাসে হিমেল পরশ—বাংলার ঋতুচক্রে শীতের আগমনী বার্তা সাধারণত এমনই। কিন্তু এবার যেন সেই চেনা ছন্দে খানিকটা ভাটা পড়েছে। শরৎ পেরিয়ে হেমন্তের দরজায় কড়া নাড়লেও দিনের গরম পুরোপুরি বিদায় নেয়নি। কোথাও রোদের তেজ, কোথাও ভোরের হালকা কুয়াশা—ঋতুর পালাবদল যেন নিজের স্বাভাবিক গতিপথ থেকে খানিকটা সরে গেছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার তিনটি বড় বাণিজ্যিক ব্যাংকসহ সাতটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানে প্রায় একই সময়ে, একই ধরনের সাইবার হামলা হয়েছে। ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৩ অক্টোবরের মধ্যে চালানো এসব হামলায় গ্রাহক ও কর্মীদের ৬৫ হাজারের বেশি রেকর্ড ফাঁস হয়েছে।
কিছু বিদায় কেবল বিদায় নয়—একটি যুগের দরজা ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যাওয়া। কিছু রাত কেবল রাত নয়—স্মৃতি, আবেগ আর অশ্রুর দীর্ঘ এক মহাকাব্যের শেষ পৃষ্ঠা। আর্জেন্টিনার বুয়েন্স আয়ার্সে আজ তেমনই এক রাত নামছে। এস্তাদিও মনুমেন্তালের ঘাসে শেষবারের মতো আকাশি-সাদা জার্সি গায়ে নামবেন লিওনেল আন্দ্রেস মেসি।
গুরু থেকে এআই শিক্ষার এক ধারাবাহিক বিবর্তন সমাজকে এক কঠিন প্রশ্নের মুখে দ্বার করিয়ে রেখেছে। মানুষ নতুন করে ভাবতে শুরু করেছে, শিক্ষা-শিক্ষকের সম্পর্ক কিভাবে কাজ করে? শিক্ষার সংজ্ঞা কি তথ্যের অবাধ প্রবাহ-স্বশিক্ষা-সুশিক্ষা? নাকি তথ্য মুখস্থের সংকলন আয়ত্তে রাখাই মেধাবীর চূড়ান্ত মাপকাঠি?
১৯৯৯ সালের মে মাস। তখন আমি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। এক বছর আগে বাজারে আসা দৈনিক প্রথম আলো তখন আমাদের মতো তরুণের কাছে প্রতিটি সকালের আরাধনা। আমি তখন দৈনিক সংবাদের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি। কিন্তু সকালে উঠে হলের কমন রুমে গিয়ে সবার আগে প্রথম আলো পড়ার জন্য লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকি। আমার মনে আছে, ১৯৯৯ সালের ৯ মে প্রকাশিত সম্পাদক মতিউর রহমানের সেই কলামটি—‘প্রধানমন্ত্রী, ছাত্রলীগ সামলান’। সে কী ক্ষুরধার লেখনী! ছাত্রলীগের তখনকার সন্ত্রাস ও নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে একজন সাহসী সম্পাদকের দুর্বিনীত উচ্চারণ! জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে তখন ছাত্রলীগ দুই ভাগে বিভক্ত, ‘খুনি গ্রুপ ও ধর্ষক গ্রুপ’। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও ছাত্রলীগের অন্তর্দ্বন্দ্বে তখন সাধারণ শিক্ষার্থীদের জীবন ওষ্ঠাগত। সেই সময়ে মতিউর রহমানের কলাম যেন আমাদের সবার মনের কথা! এরপর ২০০৯ সালের ১৯ জানুয়ারি মতিউর রহমান প্রথম আলোতে আবারও কলাম লিখলেন একই শিরোনামে, ‘প্রধানমন্ত্রী, ছাত্রলীগকে সামলান’। তখনো ক্ষমতায় আওয়ামী লীগ সরকার।
বাংলাদেশে প্রতি বছর ৩০ সেপ্টেম্বর ‘কন্যা দিবস’ বা ‘জাতীয় কন্যাশিশু দিবস’ এবং ১১ অক্টোবর ‘আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস’ পালন করা হয়। যথাযথ গুরুত্বের সাথে দিবসটি উদযাপনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য পক্ষ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করে থাকে।
বিশ্বজুড়ে সাইবার হামলাকারীদের সবচেয়ে বড় নিশানায় পরিণত হয়েছে সরকারি সংস্থা ও সরকারি সেবা। গত এক বছরে পর্যবেক্ষণ করা সাইবার হুমকির ২৭ শতাংশই ছিল সরকারি খাতের বিরুদ্ধে, আগের বছর যা ছিল ১৭ শতাংশ। একই সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে হামলার গতি ও পরিধি দুটোই বাড়িয়েছে হ্যাকাররা।
দিনে গড়ে দশের বেশি হত্যা মামলা, প্রতিদিন প্রায় ৬০টি নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা। এর মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে দল গঠন, প্রচার ও ভীতি ছড়ানোর হাতিয়ার বানাচ্ছে অপ্রাপ্তবয়স্ক অপরাধী চক্র।
যুক্তরাষ্ট্রে তখন শুক্রবার সকাল সাতটা। নিউইয়র্ক থেকে এক শুভাকাঙ্ক্ষীর ফোন এল। ওই সময় বাচ্চাকে স্কুলে পৌঁছে দিতে যাই, তাই ফোনটি ধরতে পারিনি। একটু পরে ফিরতি ফোন করতেই ওপাশ থেকে প্রশ্ন, "ভাই, খবর কী? কিছু শুনেছেন?" বললাম, "কী খবর?" তিনি বললেন, "তৌফিক ভাই নাকি মারা গেছেন?"
অক্টোবর যেন ঋতুর বদলের এক নীরব সেতু। বর্ষার ভেজা গন্ধ তখনও বাতাসে, শরতের সাদা মেঘ আকাশে ভাসে; অথচ উত্তরের হাওয়ার ভেতর শীতের আগমনী সুর। কখনো রোদের তীব্র ঝাঁজ, কখনো হঠাৎ বৃষ্টির ছিটে, আবার কখনো ভোরের কুয়াশায় নদীর বুক ঢেকে যাওয়ার দৃশ্য—সব মিলিয়ে বৈচিত্র্যের রঙেই কাটতে যাচ্ছে অক্টোবর।