Views Bangladesh Logo
author image

হিরা তালুকদার

  • থেকে

সাংবাদিক
নতুন সরকারের সামনে অপেক্ষমাণ কঠিন চ্যালেঞ্জ
নতুন সরকারের সামনে অপেক্ষমাণ কঠিন চ্যালেঞ্জ

নতুন সরকারের সামনে অপেক্ষমাণ কঠিন চ্যালেঞ্জ

১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল সময়ের সূচনা হতে চলছে। এই নির্বাচন শুধু ক্ষমতার পালাবদল বা সরকার গঠনের প্রক্রিয়া নয় বরং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মেরুকরণ, অর্থনৈতিক চাপ ও আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে একটি বিশেষ নির্বাচন হতে চলছে। তাই নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর তাদের কাছে জনগণের যেমন থকবে প্রত্যাশার পাহাড়, তেমনটি নতুন সরকারের সামনে অপেক্ষা করছে একাধিক কঠিন ও কাঠামোগত চ্যালেঞ্জ। এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

সংখ্যালঘু, আওয়ামী লীগ ও তরুণ ভোটারে বিশেষ দৃষ্টি জামায়াত-বিএনপির
সংখ্যালঘু, আওয়ামী লীগ ও তরুণ ভোটারে বিশেষ দৃষ্টি জামায়াত-বিএনপির

সংখ্যালঘু, আওয়ামী লীগ ও তরুণ ভোটারে বিশেষ দৃষ্টি জামায়াত-বিএনপির

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বড় রাজনৈতিক দলগুলোর দৃষ্টি এখন তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ভোটব্যাংকের দিকে। সেগুলো হচ্ছে সংখ্যালঘু, আওয়ামী লীগ–সমর্থক ও তরুণ ভোটার। এবারের নির্বাচনের আওয়ামী লীগ নির্বাচনী মাঠে না থাকায় তাদের সমর্থক ভোটারদের অবস্থান ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন হিসাব-নিকাশ। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রশ্ন, আওয়ামী লীগ–সমর্থকদের ভোট নিজেদের বাক্সে নেওয়া এবং তরুণদের চাকরি ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে কৌশল সাজাচ্ছে অংশগ্রহণকারী দলগুলো। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে এসব ভোটারই এবারের নির্বাচনের গতিপথ নির্ধারণে বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে।

এবারের গণভোটের রাজনৈতিক তাৎপর্য
এবারের গণভোটের রাজনৈতিক তাৎপর্য

এবারের গণভোটের রাজনৈতিক তাৎপর্য

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিনেই অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া গণভোটকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন ও আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ব্যাপাক আলোচনা ও বিশ্লেষণ চলছে। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গণভোটের গুরুত্বও বহুমাত্রিক। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বর্জনের সিদ্ধান্ত এবারের গণভোটকে কেবল একটি ভোট আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দেশের রাজনীতির জন্য একটি গভীর ও বহুমাত্রিক পরীক্ষায় পরিণত করেছে। এই আলোচনার একটি প্রধান বিষয় হলো দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের এই গণভোটে অংশ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত। দলটির পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, ‘বর্তমান রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে আয়োজিত এই গণভোটকে তারা বৈধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও কার্যকর মনে করে না। আওয়ামী লীগের মতে, প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা, রাজনৈতিক সমতা এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত না করে আয়োজিত কোনো গণভোট প্রকৃত অর্থে জনগণের সামগ্রিক মতামতের প্রতিফলন ঘটাতে পারে না।’

মাঠের প্রচারণায় এগিয়ে বিএনপি, অনলাইনে জামায়াত
মাঠের প্রচারণায় এগিয়ে বিএনপি, অনলাইনে জামায়াত

মাঠের প্রচারণায় এগিয়ে বিএনপি, অনলাইনে জামায়াত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে অংশগ্রহণকারী সব দলের প্রচারণা এখন তুঙ্গে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ইতোমধ্যে মাঠে নেমে প্রচার-প্রচারণা ও সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার করেছে। আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যের ভিত্তিতে জানা গেছে, তফসিল ঘোষণার পর থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশে মাঠ-পর্যায়ের প্রচারণায় দলগতভাবে বিএনপি অনেকটাই এগিয়ে। দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব ও কেন্দ্রীয় নেতারা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে একযোগে বড় বড় সমাবেশ ও জনসভা এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন এলাকায় পথসভা ও সাংগঠনিক সভা করছে এবং বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাইছে। এর বাইরে জামায়াতে ইসলামীও ভোটের মাঠে ধারাবাহিকভাবে সক্রিয় রয়েছে। দলটি বিভিন্ন এলাকায় জনসংযোগ, কর্মীসভা ও সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তবে অনলাইনে বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারণায় দলটি সবার থেকে এগিয়ে। অন্যদিকে জাতীয় পার্টি (জাপা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, গণঅধিকার পরিষদ ও এনসিপিসহ কয়েকটি রাজনৈতিক দলও নিজ নিজ শক্ত ঘাঁটিতে প্রচারণা চালাচ্ছে।

৩০০ আসনের এক তৃতীয়াংশই ঝুঁকিপূর্ণ, নজরদারিতে ২৫ হাজার কেন্দ্র
৩০০ আসনের এক তৃতীয়াংশই ঝুঁকিপূর্ণ, নজরদারিতে ২৫ হাজার কেন্দ্র

৩০০ আসনের এক তৃতীয়াংশই ঝুঁকিপূর্ণ, নজরদারিতে ২৫ হাজার কেন্দ্র

দরজায় কড়া নাড়ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এই নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশজুড়ে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এরই মধ্যে পুলিশের বিশেষ শাখা (এসবি), গোয়েন্দা সংস্থা ও পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের যৌথ মূল্যায়নে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের অন্তত ১৩টি সংসদীয় আসনকে ‘অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পাশাপাশি সারা দেশে ৮,৭৪৬টি ভোটকেন্দ্রকে ‘অতি ঝুঁকিপূর্ণ’ এবং আরও ১৬,৩৫৯টি কেন্দ্রকে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। সাধারণ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে আরো ৮৫টি আসন। গোয়েন্দা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা, অতীতের সহিংসতার ইতিহাস, প্রভাবশালী প্রার্থীদের মুখোমুখি লড়াই ও স্থানীয় পর্যায়ে সক্রিয় গ্রুপিংয়ের কারণে এসব আসনে সহিংসতা ও উত্তেজনার আশঙ্কা করা হচ্ছে এবারের নির্বাচনে।

শেষ মূহুর্তের প্রস্তুতি সারতে তৎপর নির্বাচন কমিশন
শেষ মূহুর্তের প্রস্তুতি সারতে তৎপর নির্বাচন কমিশন

শেষ মূহুর্তের প্রস্তুতি সারতে তৎপর নির্বাচন কমিশন

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে শেষ সপ্তাহের প্রস্তুতি জোরদার করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন ব্যবস্থাপনা, ব্যালট পরিবহন, ভোটার অংশগ্রহণ, প্রশিক্ষণ, নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক সমন্বয়—সবকিছুই এখন কমিশনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারে রয়েছে।

...