নেপালের দুর্যোগ-কূটনীতি: হিমালয়ের বিপর্যয় কেন রাজনৈতিক লড়াইয়ের মঞ্চ
২০২৬ সালের ২৬ আগস্ট সকালে নেপাল-তিব্বত সীমান্তের কাছে একটি বিশাল হিমবাহ ও শিলাধসের ফলে সৃষ্ট পানির স্রোত ভুটেকোশি ও ত্রিশূলী নদী অববাহিকা দিয়ে নেমে আসে। মুহূর্তেই ধ্বংস হয়ে যায় বহু গ্রাম, জলবিদ্যুৎকেন্দ্র এবং চীনের সঙ্গে যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ গিরং সীমান্ত ক্রসিং। এক সপ্তাহেরও বেশি সময় পর নেপালে মৃতের সংখ্যা ১,৩০০ ছাড়িয়েছে, নিখোঁজ রয়েছেন আরও কয়েক হাজার মানুষ। ২০১৫ সালের ভূমিকম্পে প্রায় ৯,০০০ মানুষের মৃত্যুর পর এটিই দেশটির সবচেয়ে ভয়াবহ দুর্যোগ। তবে এই মানবিক বিপর্যয়ের বাইরেও বন্যাটি নেপালের ভঙ্গুর রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বৈশ্বিক শক্তিগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক এবং সদ্য ক্ষমতায় আসা একটি অনভিজ্ঞ সরকারের জনমত ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের সক্ষমতার প্রশ্নের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে।