শিল্প
এআই যুগের বিশ্বযুদ্ধ: কোন জোটে বাংলাদেশ?
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির বাজার নিয়ন্ত্রণে নতুন এক বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হলো। আগের মতোই বিশ্বযুদ্ধের একপক্ষের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যপক্ষে চীন আর রাশিয়া। যথারীতি যুদ্ধের শুরুটা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর ওয়াশিংটন ডিসিতে ইন্টারন্যাশনাল টেক সামিটের শেষ দিনে ২৫টি দেশের চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে প্যাক্স সিলিকা জোট গঠিত হয়। এই জোট গঠনের মূল লক্ষ্য ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সেমিকন্ডাক্টর শিল্প যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং বিশ্ব প্রযুক্তি বাজারে চীনের প্রভাবকে দুর্বল করা। মূলত এই জোটে সেমিকন্ডাক্টর এবং প্রযুক্তি খাতের শক্তিশালী দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে এক ছাতার নিচে আসে। দক্ষিণ এশিয়া থেকে এ জোটে যোগ দিয়েছে ভারত।
তাহলে বিটিআরসির কর্মকর্তারা বেতন নেন কেন?
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০০২ সালের ৩১ জানুয়ারি। গুলশান-১ নম্বরের ১৩৫ নম্বর সড়কের ‘স্টাইল নাহার’ ভবনে ছিল এর প্রথম অফিস। বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সংস্থাপন সচিব সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ ছিলেন এর প্রথম চেয়ারম্যান। তখন আমি দৈনিক সংবাদে স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করি। বিটিআরসির কাজ শুরুর সম্ভবত এক মাস পর আমাকে পাঠানো হলো নতুন বিটিআরসি ভবনে। নতুন এই কমিশন সম্পর্কে পুরো খোঁজ নিতে বলা হলো। এই কমিশন কী ধরনের দায়িত্ব পালন করবে, টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর কী ধরনের প্রভাব পড়বে—এ ধরনের কয়েকটি বিষয় সংবাদের তৎকালীন চিফ রিপোর্টার কাশেম হুমায়ুন ভাই এক টুকরো কাগজে লিখে দিয়ে অ্যাসাইনমেন্টে পাঠালেন।
ডিজিটাল যুগে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা: সুযোগ নাকি নতুন নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার?
ডিজিটাল বিপ্লব আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে অনেক দ্রুত সাংবাদিকতার চেহারা পাল্টে দিয়েছে। স্মার্টফোন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং অনলাইন সংবাদ পোর্টালের মাধ্যমে এখন মুহূর্তের মধ্যে সব খবর ছড়িয়ে পড়ে। তথ্যপ্রবাহের পথে যেসব বাধাগুলো একসময় বিদ্যমান ছিল, সেগুলোর অনেকটাই এখন আর নেই। এই পরিবর্তন মূলনীতির দিক থেকে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাকে বিস্তৃত করেছে — কারণ প্রতিষ্ঠিত গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানের উপর পুরোপুরি নির্ভর না করেই এখন অনেক বেশি মানুষ নিজেদের কথা বলতে এবং বিশ্বের দর্শকদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন।
নবায়নযোগ্য জ্বালানি: টেকসই ভবিষ্যতের নতুন দুয়ার
বিশ্ব যখন একটি চলমান জ্বালানি সংকটের সাথে লড়াই করছে, তখন নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রয়োজনীয়তা আগের চেয়ে অনেক বেশি জরুরি হয়ে পড়েছে। বিশ্বজুড়ে জীবাশ্ম জ্বালানির দাম ক্রমাগত বাড়ছে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সারা বিশ্বের বিভিন্ন জনপদে অনুভূত হচ্ছে। বাংলাদেশ, তার ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা এবং জ্বালানির ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে, জ্বালানি সুবিধা বৃদ্ধি এবং পরিবেশগত উদ্বেগ মোকাবিলা—এই দ্বিমুখী চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে।
ভয়েস কলে ‘ফ্লোর প্রাইস নীতিই’ ইন্টারনেট সেবায় পিছিয়ে রাখছে দেশকে
শুনতে প্রথমে কিছুটা অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে, কিন্তু এটাই সত্যি! টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির একটি বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণেই বাংলাদেশের ৪৬ শতাংশ মানুষ এখনও ইন্টারনেট সেবার বাইরে। গ্রামাঞ্চলে ৫৬ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট সেবা থেকে বঞ্চিত। আর সেই বিতর্কিত সিদ্ধান্তটি হচ্ছে ‘মোবাইল অপারেটরদের জন্য ভয়েস কলের ‘ফ্লোর প্রাইস’।
প্রখর সূর্যতাপের যথাযথ ব্যবহারই বাংলাদেশকে শীতল রাখবে
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাত বর্তমানে একটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও টেকসই জ্বালানি নীতির দ্বন্দ্বে জর্জরিত। বিদ্যুৎ খাতে বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদকদের (IPPs) বকেয়া পরিশোধের পরিকল্পনা করায় ভর্তুকির পরিমাণ সংশোধিত বাজেটে বেড়ে প্রায় ৬২,০০০ কোটি টাকা বা তার চেয়েও বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে, আগামী অর্থবছরে সরকার ভর্তুকির চাপ কমাতে বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি বরাদ্দ কিছুটা কমিয়ে প্রায় ৩৭,০০০ কোটি টাকা রাখার পরিকল্পনা করেছে। ভর্তুকি ও আমদানিনির্ভর এই মডেল দেশের অর্থনীতির ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করছে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে নীতিগত ও কাঠামোগত বাধা সৃষ্টি করছে।
‘স্বপ্ন’র ডেটাবেজ হ্যাক: ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য সতর্কবার্তা
সম্প্রতি বাংলাদেশের অন্যতম বড় সুপারশপ চেইন ‘স্বপ্ন’র গ্রাহক ডেটাবেজ হ্যাকের ঘটনা প্রকাশ পাওয়ায় দেশের বেসরকারি খাতে কর্পোরেট দায়বদ্ধতা, নিয়ন্ত্রক সংস্থার তদারকি এবং বর্তমান সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থার পর্যাপ্ততা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ৬৩টি জেলায় ৮১২টি আউটলেট এবং ৪০ লক্ষেরও বেশি নিবন্ধিত গ্রাহক নিয়ে স্বপ্ন দেশের অন্যতম বৃহত্তম গ্রাহক ডেটাবেজের অধিকারী। এই বিশাল আকারের প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষের ওপর স্বাভাবিকভাবেই আরও বেশি যত্নশীল হওয়ার দায়িত্ব বর্তায়।
আবেগ দিয়ে নয়, কৌশলের সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ করুন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম
বাংলাদেশের ডিজিটাল ইকোসিস্টেমের জন্য সুশৃঙ্খল ডেটা গভর্নেন্স এবং ওটিটি (OTT) নীতিমালা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তিন মোবাইল অপারেটর গ্রাহকের পকেট কেটে নিয়েছে চার হাজার কোটি টাকা!
বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ২০২৫ সালের ১২ জানুয়ারি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের একটি সিদ্ধান্তে মোবাইল অপারেটরদের জন্য ডাটা প্যাকেজ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এর অর্থ মোবাইল অপারেপটররা নিজেদের মতো করে যেমন খুশি প্যাকেজ তৈরি করে গ্রাহকের কাছে বিক্রি করতে পারবে। এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এক ঘণ্টা থেকে আনলিমিটেড যেকোনো মেয়াদের এবং যেকোনো ভলিউমের ডাটা প্যাকেজ দেওয়ার সুবিধা পায় মোবাইল অপারেটররা।
দেশীয় ফ্যাশনে নারী উদ্যোক্তাদের ভূমিকা
ফ্যাশন জগতের এখন যতটুকু বিস্তৃতি, কয়েক বছর আগ পর্যন্তও এতটা ছিল না। নানা চড়াই উতরাই পেরিয়ে ফ্যাশন ইন্ড্রাস্ট্রি এগিয়েছে অনেকখানি। কয়েক যুগ পেরিয়ে এই ইন্ড্রাস্ট্রি নিয়ে উদ্যোক্তারাও এখন আশার আলো দেখছেন। দেশে বিদেশে দেশীয় কাপড়ের অগ্রাধিকার বেড়েছে। নকশায় এসেছে নতুনত্ব। দেশের পোশাক শিল্প বাঁচানোর জন্য অনেক উদ্যোক্তা নিজ প্রতিষ্ঠান চালু করেছেন। স্বাধীন বাংলাদেশে ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির আনুষ্ঠানিক সূত্রপাত ১৯৭৩ সালে। বাংলাদেশের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির শুরুটা খুব একটা পরিকল্পনা করে শুরু হয়নি। আবার বলা যায়, শুরুর দিকে যারা কাজ শুরু করেছিলেন তারা তেমন পরিকল্পনা করে আসেননি। তবে পরিকল্পনা যেমনই হোক, উত্তরসূরী অনেকেই এখন সামনে এগিয়েছে, কেউ হয়ত থেমে গিয়েছে। আশার বাণী হচ্ছে, নতুনদের মধ্যে অনেকেই ফ্যাশন জগতের অংশ হয়ে উঠেছেন সময়ের সাথে সাথে।