Views Bangladesh Logo
author image

রাশেদ মেহেদী

  • থেকে

সাংবাদিক, সম্পাদক, ভিউজ বাংলাদেশ
যে অন্ধকারে মিডিয়া কখনও চোখ রাখে না!
যে অন্ধকারে মিডিয়া কখনও চোখ রাখে না!

যে অন্ধকারে মিডিয়া কখনও চোখ রাখে না!

আজ এমন এক অন্ধকারের গল্প বলতে যাচ্ছি যেখানে বাংলাদেশের মিডিয়া চোখ রাখতে ভয় পায়। সেই অন্ধকারে শোষণ, তাচ্ছিল্য আর অপমানে জর্জরিত হলেও বড় বড় সম্পাদক, তুখোড় অনুসন্ধানী সাংবাদিক, বিজ্ঞ কলামিস্ট, টকশোর জনপ্রিয় বিশ্লেষক, কেউই সেই বেদনার কথা বলতে পারেন না। অথচ সেই অন্ধকার জগতের নিয়ন্ত্রকরা সেলিব্রেটি হিসেবে সমাজে সমাদৃত, সাংবাদিকতার নানা প্রসঙ্গ নিয়ে জ্ঞান বিতরণ করেন, কেউ কেউ নিজেরাই বড় বড় সম্পাদকের চেয়েও বেশি প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন। কারণ যে সম্পাদক মন্ত্রীকে চোখ রাঙান, ঝানু আমলাকে এক হাত দেখিয়ে দেন, রাজনীতিবিদদের দফা-রফা করে দেন, মাফিয়া ডন আর ভয়ংকর সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে অসীম সাহসের সঙ্গে কলম ধরেন, সেই সম্পাদক অন্ধকারের সেই মাফিয়া চক্রের সবচেয়ে নিম্নস্তরের কর্মীটিরও রীতিমতো পিঠ চুলকে দেন, সালাম দেন, তার সম্মানে ফাইভ স্টারে পার্টি দিয়ে ধন্য হন!

এআই যুগের বিশ্বযুদ্ধ: কোন জোটে বাংলাদেশ?
এআই যুগের বিশ্বযুদ্ধ: কোন জোটে বাংলাদেশ?

এআই যুগের বিশ্বযুদ্ধ: কোন জোটে বাংলাদেশ?

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির বাজার নিয়ন্ত্রণে নতুন এক বিশ্বযুদ্ধের সূচনা হলো। আগের মতোই বিশ্বযুদ্ধের একপক্ষের নেতৃত্বে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যপক্ষে চীন আর রাশিয়া। যথারীতি যুদ্ধের শুরুটা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর ওয়াশিংটন ডিসিতে ইন্টারন্যাশনাল টেক সামিটের শেষ দিনে ২৫টি দেশের চুক্তি স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে প্যাক্স সিলিকা জোট গঠিত হয়। এই জোট গঠনের মূল লক্ষ্য ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও সেমিকন্ডাক্টর শিল্প যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্রদের নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং বিশ্ব প্রযুক্তি বাজারে চীনের প্রভাবকে দুর্বল করা। মূলত এই জোটে সেমিকন্ডাক্টর এবং প্রযুক্তি খাতের শক্তিশালী দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে এক ছাতার নিচে আসে। দক্ষিণ এশিয়া থেকে এ জোটে যোগ দিয়েছে ভারত।

তাহলে বিটিআরসির কর্মকর্তারা বেতন নেন কেন?
তাহলে বিটিআরসির কর্মকর্তারা বেতন নেন কেন?

তাহলে বিটিআরসির কর্মকর্তারা বেতন নেন কেন?

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০০২ সালের ৩১ জানুয়ারি। গুলশান-১ নম্বরের ১৩৫ নম্বর সড়কের ‘স্টাইল নাহার’ ভবনে ছিল এর প্রথম অফিস। বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সংস্থাপন সচিব সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ ছিলেন এর প্রথম চেয়ারম্যান। তখন আমি দৈনিক সংবাদে স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করি। বিটিআরসির কাজ শুরুর সম্ভবত এক মাস পর আমাকে পাঠানো হলো নতুন বিটিআরসি ভবনে। নতুন এই কমিশন সম্পর্কে পুরো খোঁজ নিতে বলা হলো। এই কমিশন কী ধরনের দায়িত্ব পালন করবে, টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর কী ধরনের প্রভাব পড়বে—এ ধরনের কয়েকটি বিষয় সংবাদের তৎকালীন চিফ রিপোর্টার কাশেম হুমায়ুন ভাই এক টুকরো কাগজে লিখে দিয়ে অ্যাসাইনমেন্টে পাঠালেন।

সাংবাদিকতাঃ সৃজনশীল না অভিশপ্ত পেশা?
সাংবাদিকতাঃ সৃজনশীল না অভিশপ্ত পেশা?

সাংবাদিকতাঃ সৃজনশীল না অভিশপ্ত পেশা?

সাংবাদিকতা সৃনজনশীল পেশা কিনা তা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এখানে দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এসেছে। একটি হচ্ছে, পেশাজীবী সাংবাদিক হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির মাপকাঠি কি হবে? আরেকটি হচ্ছে, সাংবাদিকরা কি আইনজীবী, শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলীদের মতোই পেশাজীবী হিসেবে স্বীকৃত হবেন, নাকি তারা লেখক, কবি, শিল্পীদের মত বিশেষায়িত ‘সৃজনশীল ব্যক্তি’ হিসেবে বিবেচিত হবেন? এ দুটি প্রশ্নের বাইরেরও আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আমার মনে বার বার ঘুরপাক খাচ্ছে। সেটি হচ্ছে, সাংবাদিকতা কি অভিশপ্ত পেশা?’

জ্ঞানচর্চায় অভিভাবক হারাল বাংলাদেশ
জ্ঞানচর্চায় অভিভাবক হারাল বাংলাদেশ

জ্ঞানচর্চায় অভিভাবক হারাল বাংলাদেশ

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক চলে গেলেন। ভিউজ বাংলাদেশ অভিভাবক-তুল্য শ্রদ্ধেয়-জনকে হারাল। ভিউজ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই তিনি আমাদের অফুরন্ত প্রেরণার উৎস ছিলেন। নিয়মিত কলাম লিখেছেন ভিউজ বাংলাদেশে। তার একান্ত সাক্ষাৎকারও প্রকাশ করেছি আমরা। যেখানে তিনি খোলামেলাভাবে রাষ্ট্র, সমাজ ও সংস্কৃতি নিয়ে কথা বলেছেন। ভিউজ বাংলাদেশের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তিনি ছিলেন প্রধান অতিথি। তার প্রয়াণে ভিউজ বাংলাদেশ পরিবার গভীরভাবে শোকাহত।

প্রস্তাবিত বাজেট নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টিতে কতটা ইতিবাচক?
প্রস্তাবিত বাজেট নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টিতে কতটা ইতিবাচক?

প্রস্তাবিত বাজেট নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টিতে কতটা ইতিবাচক?

বাংলাদেশে বিনিয়োগের প্যাটার্ন প্রতিবেশী দেশগুলো যেমন ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকার তুলনায় কিছুটা ভিন্ন। সেসব দেশে প্রথম প্রজন্মের ব্যবসায়ীদের মধ্যে অনেকের নিজেদের জমানো টাকা থেকে নতুন করে বিনিয়োগ করার সক্ষমতা আছে। তাদের ব্যাংক ঋণের উপর নির্ভর না করলেও চলে। কিন্তু বাংলাদেশে স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে যারা বড় ব্যবসায়ী হয়েছেন তাদের মধ্যে বলতে গেলে কেউই এখন পর্যন্ত সম্পূর্ণ নিজের জমানো টাকা থেকে নতুন করে বিনিয়োগের কথা চিন্তা করেন না। কারও কারও সক্ষমতা থাকলেও জটিল কর কাঠামোর কথা চিন্তা করে একটা বড় অংশ ব্যাংক ঋণ নিয়ে নতুন বিনিয়োগ শুরু করেন। আর যখনই ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু হয়, তখনই সেই ঋণের সুদও নতুন ব্যাবসার পরিচালন ব্যয় বা অপারেটিং কস্টের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে যায়।

...