Views Bangladesh Logo
author image

রাশেদ মেহেদী

  • থেকে

সাংবাদিক, সম্পাদক, ভিউজ বাংলাদেশ
মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, আপনার বক্তব্য নাগরিকদের জন্য লজ্জার
মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, আপনার বক্তব্য নাগরিকদের জন্য লজ্জার

মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, আপনার বক্তব্য নাগরিকদের জন্য লজ্জার

দুজন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হলো। তদন্ত হলো, অভিযোগপত্র দাখিল হলো, বিচারিক আদালতে মামলা গেল, রায় হলো। উচ্চতর কর্তৃপক্ষ সেই রায় বহাল রাখল, রাজকীয় ফরমান জারি হলো, তারপর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলো। এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার কোনো ধাপে বাংলাদেশ রাষ্ট্র কিছুই জানল না। জানল সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি আর গণমাধ্যমের খবর থেকে, যখন নজরুল ইসলাম আবদুল বশীর ও সিতি আক্তার আর বেঁচে নেই।

১২ মাসে সার্বভৌম এআই: ঘোষণার ভেতরের হিসাব
১২ মাসে সার্বভৌম এআই: ঘোষণার ভেতরের হিসাব

১২ মাসে সার্বভৌম এআই: ঘোষণার ভেতরের হিসাব

আগামী ১২ মাসের মধ্যে বাংলাদেশ সার্বভৌম এআই সক্ষমতা অর্জন করবে—এটাই আজকের খবর। খবরটা শুনতে ভালো লাগে। কিন্তু তিন দশক টেলিযোগাযোগ আর তথ্যপ্রযুক্তি খাতের খবর লিখতে গিয়ে একটা শিক্ষা পেয়েছি: এ দেশে ঘোষণা যত সহজে আসে, বাস্তবায়ন তত সহজে আসে না।

অর্বাচীন অন্ধকারের নিচে সাংবাদিকতার প্রদীপ
অর্বাচীন অন্ধকারের নিচে সাংবাদিকতার প্রদীপ

অর্বাচীন অন্ধকারের নিচে সাংবাদিকতার প্রদীপ

১৯৯৯ সালের মে মাস। তখন আমি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। এক বছর আগে বাজারে আসা দৈনিক প্রথম আলো তখন আমাদের মতো তরুণের কাছে প্রতিটি সকালের আরাধনা। আমি তখন দৈনিক সংবাদের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি। কিন্তু সকালে উঠে হলের কমন রুমে গিয়ে সবার আগে প্রথম আলো পড়ার জন্য লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকি। আমার মনে আছে, ১৯৯৯ সালের ৯ মে প্রকাশিত সম্পাদক মতিউর রহমানের সেই কলামটি—‘প্রধানমন্ত্রী, ছাত্রলীগ সামলান’। সে কী ক্ষুরধার লেখনী! ছাত্রলীগের তখনকার সন্ত্রাস ও নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে একজন সাহসী সম্পাদকের দুর্বিনীত উচ্চারণ! জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে তখন ছাত্রলীগ দুই ভাগে বিভক্ত, ‘খুনি গ্রুপ ও ধর্ষক গ্রুপ’। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও ছাত্রলীগের অন্তর্দ্বন্দ্বে তখন সাধারণ শিক্ষার্থীদের জীবন ওষ্ঠাগত। সেই সময়ে মতিউর রহমানের কলাম যেন আমাদের সবার মনের কথা! এরপর ২০০৯ সালের ১৯ জানুয়ারি মতিউর রহমান প্রথম আলোতে আবারও কলাম লিখলেন একই শিরোনামে, ‘প্রধানমন্ত্রী, ছাত্রলীগকে সামলান’। তখনো ক্ষমতায় আওয়ামী লীগ সরকার।

বিশ্ব শান্তির জন্য কী অবদান রাখতে পারে এআই প্রযুক্তি?
বিশ্ব শান্তির জন্য কী অবদান রাখতে পারে এআই প্রযুক্তি?

বিশ্ব শান্তির জন্য কী অবদান রাখতে পারে এআই প্রযুক্তি?

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি অভূতপূর্ব দৃশ্য দেখা গেল। বাজারে যারা একে-অপরের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বী, সেই ওপেনএআই-এর প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যান এবং অ্যানথ্রপিকের প্রধান নির্বাহী দারিও আমোদেই একই সুরে কথা বললেন। গত ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে আমোদেই বলেছেন, ঠিকভাবে পরিচালিত না হলে এআই পুরো মানবজাতির জন্য ঝুঁকি হয়ে উঠতে পারে। অল্টম্যান সতর্ক করেছেন, ভবিষ্যতের নিয়ন্ত্রণ মানুষের হাত থেকে এআই-এর হাতে চলে যেতে পারে।

এআই অপব্যবহারের বৈশ্বিক মানচিত্রে এবার বাংলাদেশ
এআই অপব্যবহারের বৈশ্বিক মানচিত্রে এবার বাংলাদেশ

এআই অপব্যবহারের বৈশ্বিক মানচিত্রে এবার বাংলাদেশ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে আমাদের আলোচনা সাধারণত দুই প্রান্তে আটকে থাকে। এক প্রান্তে অসীম সম্ভাবনার গল্প—চাকরি বাড়বে, সেবা সহজ হবে, দেশ এগোবে। অন্য প্রান্তে দূর ভবিষ্যতের আশঙ্কা—যন্ত্র একদিন মানুষকে ছাড়িয়ে যাবে কি-না। মাঝখানের জায়গাটি, অর্থাৎ এই মুহূর্তে বাস্তবে কারা এআই দিয়ে কী ক্ষতি করছে, সেটি নিয়ে তথ্য আমাদের হাতে প্রায় নেই।

যে অন্ধকারে মিডিয়া কখনও চোখ রাখে না!
যে অন্ধকারে মিডিয়া কখনও চোখ রাখে না!

যে অন্ধকারে মিডিয়া কখনও চোখ রাখে না!

আজ এমন এক অন্ধকারের গল্প বলতে যাচ্ছি যেখানে বাংলাদেশের মিডিয়া চোখ রাখতে ভয় পায়। সেই অন্ধকারে শোষণ, তাচ্ছিল্য আর অপমানে জর্জরিত হলেও বড় বড় সম্পাদক, তুখোড় অনুসন্ধানী সাংবাদিক, বিজ্ঞ কলামিস্ট, টকশোর জনপ্রিয় বিশ্লেষক, কেউই সেই বেদনার কথা বলতে পারেন না। অথচ সেই অন্ধকার জগতের নিয়ন্ত্রকরা সেলিব্রেটি হিসেবে সমাজে সমাদৃত, সাংবাদিকতার নানা প্রসঙ্গ নিয়ে জ্ঞান বিতরণ করেন, কেউ কেউ নিজেরাই বড় বড় সম্পাদকের চেয়েও বেশি প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন। কারণ যে সম্পাদক মন্ত্রীকে চোখ রাঙান, ঝানু আমলাকে এক হাত দেখিয়ে দেন, রাজনীতিবিদদের দফা-রফা করে দেন, মাফিয়া ডন আর ভয়ংকর সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে অসীম সাহসের সঙ্গে কলম ধরেন, সেই সম্পাদক অন্ধকারের সেই মাফিয়া চক্রের সবচেয়ে নিম্নস্তরের কর্মীটিরও রীতিমতো পিঠ চুলকে দেন, সালাম দেন, তার সম্মানে ফাইভ স্টারে পার্টি দিয়ে ধন্য হন!

...