Views Bangladesh Logo
author image

রাশেদ মেহেদী

  • থেকে

সাংবাদিক, সম্পাদক, ভিউজ বাংলাদেশ
তাহলে বিটিআরসির কর্মকর্তারা বেতন নেন কেন?
তাহলে বিটিআরসির কর্মকর্তারা বেতন নেন কেন?

তাহলে বিটিআরসির কর্মকর্তারা বেতন নেন কেন?

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০০২ সালের ৩১ জানুয়ারি। গুলশান-১ নম্বরের ১৩৫ নম্বর সড়কের ‘স্টাইল নাহার’ ভবনে ছিল এর প্রথম অফিস। বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সংস্থাপন সচিব সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ ছিলেন এর প্রথম চেয়ারম্যান। তখন আমি দৈনিক সংবাদে স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করি। বিটিআরসির কাজ শুরুর সম্ভবত এক মাস পর আমাকে পাঠানো হলো নতুন বিটিআরসি ভবনে। নতুন এই কমিশন সম্পর্কে পুরো খোঁজ নিতে বলা হলো। এই কমিশন কী ধরনের দায়িত্ব পালন করবে, টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর কী ধরনের প্রভাব পড়বে—এ ধরনের কয়েকটি বিষয় সংবাদের তৎকালীন চিফ রিপোর্টার কাশেম হুমায়ুন ভাই এক টুকরো কাগজে লিখে দিয়ে অ্যাসাইনমেন্টে পাঠালেন।

সাংবাদিকতাঃ সৃজনশীল না অভিশপ্ত পেশা?
সাংবাদিকতাঃ সৃজনশীল না অভিশপ্ত পেশা?

সাংবাদিকতাঃ সৃজনশীল না অভিশপ্ত পেশা?

সাংবাদিকতা সৃনজনশীল পেশা কিনা তা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এখানে দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এসেছে। একটি হচ্ছে, পেশাজীবী সাংবাদিক হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির মাপকাঠি কি হবে? আরেকটি হচ্ছে, সাংবাদিকরা কি আইনজীবী, শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলীদের মতোই পেশাজীবী হিসেবে স্বীকৃত হবেন, নাকি তারা লেখক, কবি, শিল্পীদের মত বিশেষায়িত ‘সৃজনশীল ব্যক্তি’ হিসেবে বিবেচিত হবেন? এ দুটি প্রশ্নের বাইরেরও আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আমার মনে বার বার ঘুরপাক খাচ্ছে। সেটি হচ্ছে, সাংবাদিকতা কি অভিশপ্ত পেশা?’

জ্ঞানচর্চায় অভিভাবক হারাল বাংলাদেশ
জ্ঞানচর্চায় অভিভাবক হারাল বাংলাদেশ

জ্ঞানচর্চায় অভিভাবক হারাল বাংলাদেশ

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক চলে গেলেন। ভিউজ বাংলাদেশ অভিভাবক-তুল্য শ্রদ্ধেয়-জনকে হারাল। ভিউজ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই তিনি আমাদের অফুরন্ত প্রেরণার উৎস ছিলেন। নিয়মিত কলাম লিখেছেন ভিউজ বাংলাদেশে। তার একান্ত সাক্ষাৎকারও প্রকাশ করেছি আমরা। যেখানে তিনি খোলামেলাভাবে রাষ্ট্র, সমাজ ও সংস্কৃতি নিয়ে কথা বলেছেন। ভিউজ বাংলাদেশের প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে তিনি ছিলেন প্রধান অতিথি। তার প্রয়াণে ভিউজ বাংলাদেশ পরিবার গভীরভাবে শোকাহত।

প্রস্তাবিত বাজেট নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টিতে কতটা ইতিবাচক?
প্রস্তাবিত বাজেট নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টিতে কতটা ইতিবাচক?

প্রস্তাবিত বাজেট নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টিতে কতটা ইতিবাচক?

বাংলাদেশে বিনিয়োগের প্যাটার্ন প্রতিবেশী দেশগুলো যেমন ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকার তুলনায় কিছুটা ভিন্ন। সেসব দেশে প্রথম প্রজন্মের ব্যবসায়ীদের মধ্যে অনেকের নিজেদের জমানো টাকা থেকে নতুন করে বিনিয়োগ করার সক্ষমতা আছে। তাদের ব্যাংক ঋণের উপর নির্ভর না করলেও চলে। কিন্তু বাংলাদেশে স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে যারা বড় ব্যবসায়ী হয়েছেন তাদের মধ্যে বলতে গেলে কেউই এখন পর্যন্ত সম্পূর্ণ নিজের জমানো টাকা থেকে নতুন করে বিনিয়োগের কথা চিন্তা করেন না। কারও কারও সক্ষমতা থাকলেও জটিল কর কাঠামোর কথা চিন্তা করে একটা বড় অংশ ব্যাংক ঋণ নিয়ে নতুন বিনিয়োগ শুরু করেন। আর যখনই ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু হয়, তখনই সেই ঋণের সুদও নতুন ব্যাবসার পরিচালন ব্যয় বা অপারেটিং কস্টের একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে যায়।

প্লিজ, আমাদের শিশুদের বাঁচান
প্লিজ, আমাদের শিশুদের বাঁচান

প্লিজ, আমাদের শিশুদের বাঁচান

আমরা যারা বার্তাকক্ষে বসে প্রতিদিন খবর লিখি, সম্পাদনা করি, তাদের কাছে মৃত্যু সংবাদ অনেকটাই সহনীয়। আর দশটা বিষয়ের খবরের মতো শুধু একটা খবর হয়ে যায়। স্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা খুব কমই খবর হয়। যদি কোনো বিখ্যাত ব্যক্তি মারা যান, শুধুমাত্র তখনই স্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় বড় রিপোর্ট হয়। মৃত্যু সংবাদের পাশাপাশি অসংখ্য শোকবার্তা আসে। দশ বাক্যের মৃত্যু সংবাদের সঙ্গে পঞ্চাশ বাক্যের শোকবার্তা যোগ করা হয়।

এই লজ্জার দায় কার?
এই লজ্জার দায় কার?

এই লজ্জার দায় কার?

প্রথমেই বলি, এ লজ্জার দায় আমাদের দেশের রাজনীতিবিদদের। আমি কোনো নির্দিষ্ট দলের কথা বলব না, বাংলাদেশে শিশু নির্যাতনের জন্য প্রধানত দায় সব রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের। কিন্তু লজ্জাজনক হচ্ছে তারা দায় নেন না, দায়িত্বও স্বীকার করেন না। ‍মিরপুরে শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার প্রেক্ষাপটেই রাজনীতিবিদদের দায়ী করছি। চট করে এর জবাব দিয়ে বলা হবে, ‘রাজনীতিবিদরা কি ঘরে ঘরে গিয়ে শিশুদের পাহারা দেবেন?’

...