Views Bangladesh Logo

সম্পাদকীয় মতামত

মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, আপনার বক্তব্য নাগরিকদের জন্য লজ্জার
মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, আপনার বক্তব্য নাগরিকদের জন্য লজ্জার

সম্পাদকীয় মতামত

মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, আপনার বক্তব্য নাগরিকদের জন্য লজ্জার

দুজন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হলো। তদন্ত হলো, অভিযোগপত্র দাখিল হলো, বিচারিক আদালতে মামলা গেল, রায় হলো। উচ্চতর কর্তৃপক্ষ সেই রায় বহাল রাখল, রাজকীয় ফরমান জারি হলো, তারপর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলো। এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার কোনো ধাপে বাংলাদেশ রাষ্ট্র কিছুই জানল না। জানল সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি আর গণমাধ্যমের খবর থেকে, যখন নজরুল ইসলাম আবদুল বশীর ও সিতি আক্তার আর বেঁচে নেই।

অর্বাচীন অন্ধকারের নিচে সাংবাদিকতার প্রদীপ
অর্বাচীন অন্ধকারের নিচে সাংবাদিকতার প্রদীপ

সম্পাদকীয় মতামত

অর্বাচীন অন্ধকারের নিচে সাংবাদিকতার প্রদীপ

১৯৯৯ সালের মে মাস। তখন আমি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। এক বছর আগে বাজারে আসা দৈনিক প্রথম আলো তখন আমাদের মতো তরুণের কাছে প্রতিটি সকালের আরাধনা। আমি তখন দৈনিক সংবাদের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি। কিন্তু সকালে উঠে হলের কমন রুমে গিয়ে সবার আগে প্রথম আলো পড়ার জন্য লাইন দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকি। আমার মনে আছে, ১৯৯৯ সালের ৯ মে প্রকাশিত সম্পাদক মতিউর রহমানের সেই কলামটি—‘প্রধানমন্ত্রী, ছাত্রলীগ সামলান’। সে কী ক্ষুরধার লেখনী! ছাত্রলীগের তখনকার সন্ত্রাস ও নেতিবাচক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে একজন সাহসী সম্পাদকের দুর্বিনীত উচ্চারণ! জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে তখন ছাত্রলীগ দুই ভাগে বিভক্ত, ‘খুনি গ্রুপ ও ধর্ষক গ্রুপ’। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও ছাত্রলীগের অন্তর্দ্বন্দ্বে তখন সাধারণ শিক্ষার্থীদের জীবন ওষ্ঠাগত। সেই সময়ে মতিউর রহমানের কলাম যেন আমাদের সবার মনের কথা! এরপর ২০০৯ সালের ১৯ জানুয়ারি মতিউর রহমান প্রথম আলোতে আবারও কলাম লিখলেন একই শিরোনামে, ‘প্রধানমন্ত্রী, ছাত্রলীগকে সামলান’। তখনো ক্ষমতায় আওয়ামী লীগ সরকার।

বিশ্ব শান্তির জন্য কী অবদান রাখতে পারে এআই প্রযুক্তি?
বিশ্ব শান্তির জন্য কী অবদান রাখতে পারে এআই প্রযুক্তি?

সম্পাদকীয় মতামত

বিশ্ব শান্তির জন্য কী অবদান রাখতে পারে এআই প্রযুক্তি?

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি অভূতপূর্ব দৃশ্য দেখা গেল। বাজারে যারা একে-অপরের তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বী, সেই ওপেনএআই-এর প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যান এবং অ্যানথ্রপিকের প্রধান নির্বাহী দারিও আমোদেই একই সুরে কথা বললেন। গত ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে আমোদেই বলেছেন, ঠিকভাবে পরিচালিত না হলে এআই পুরো মানবজাতির জন্য ঝুঁকি হয়ে উঠতে পারে। অল্টম্যান সতর্ক করেছেন, ভবিষ্যতের নিয়ন্ত্রণ মানুষের হাত থেকে এআই-এর হাতে চলে যেতে পারে।

এআই অপব্যবহারের বৈশ্বিক মানচিত্রে এবার বাংলাদেশ
এআই অপব্যবহারের বৈশ্বিক মানচিত্রে এবার বাংলাদেশ

সম্পাদকীয় মতামত

এআই অপব্যবহারের বৈশ্বিক মানচিত্রে এবার বাংলাদেশ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে আমাদের আলোচনা সাধারণত দুই প্রান্তে আটকে থাকে। এক প্রান্তে অসীম সম্ভাবনার গল্প—চাকরি বাড়বে, সেবা সহজ হবে, দেশ এগোবে। অন্য প্রান্তে দূর ভবিষ্যতের আশঙ্কা—যন্ত্র একদিন মানুষকে ছাড়িয়ে যাবে কি-না। মাঝখানের জায়গাটি, অর্থাৎ এই মুহূর্তে বাস্তবে কারা এআই দিয়ে কী ক্ষতি করছে, সেটি নিয়ে তথ্য আমাদের হাতে প্রায় নেই।

যে অন্ধকারে মিডিয়া কখনও চোখ রাখে না!
যে অন্ধকারে মিডিয়া কখনও চোখ রাখে না!

সম্পাদকীয় মতামত

যে অন্ধকারে মিডিয়া কখনও চোখ রাখে না!

আজ এমন এক অন্ধকারের গল্প বলতে যাচ্ছি যেখানে বাংলাদেশের মিডিয়া চোখ রাখতে ভয় পায়। সেই অন্ধকারে শোষণ, তাচ্ছিল্য আর অপমানে জর্জরিত হলেও বড় বড় সম্পাদক, তুখোড় অনুসন্ধানী সাংবাদিক, বিজ্ঞ কলামিস্ট, টকশোর জনপ্রিয় বিশ্লেষক, কেউই সেই বেদনার কথা বলতে পারেন না। অথচ সেই অন্ধকার জগতের নিয়ন্ত্রকরা সেলিব্রেটি হিসেবে সমাজে সমাদৃত, সাংবাদিকতার নানা প্রসঙ্গ নিয়ে জ্ঞান বিতরণ করেন, কেউ কেউ নিজেরাই বড় বড় সম্পাদকের চেয়েও বেশি প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন। কারণ যে সম্পাদক মন্ত্রীকে চোখ রাঙান, ঝানু আমলাকে এক হাত দেখিয়ে দেন, রাজনীতিবিদদের দফা-রফা করে দেন, মাফিয়া ডন আর ভয়ংকর সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে অসীম সাহসের সঙ্গে কলম ধরেন, সেই সম্পাদক অন্ধকারের সেই মাফিয়া চক্রের সবচেয়ে নিম্নস্তরের কর্মীটিরও রীতিমতো পিঠ চুলকে দেন, সালাম দেন, তার সম্মানে ফাইভ স্টারে পার্টি দিয়ে ধন্য হন!

সাংবাদিকতাঃ সৃজনশীল না অভিশপ্ত পেশা?
সাংবাদিকতাঃ সৃজনশীল না অভিশপ্ত পেশা?

সম্পাদকীয় মতামত

সাংবাদিকতাঃ সৃজনশীল না অভিশপ্ত পেশা?

সাংবাদিকতা সৃনজনশীল পেশা কিনা তা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। এখানে দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এসেছে। একটি হচ্ছে, পেশাজীবী সাংবাদিক হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির মাপকাঠি কি হবে? আরেকটি হচ্ছে, সাংবাদিকরা কি আইনজীবী, শিক্ষক, চিকিৎসক, প্রকৌশলীদের মতোই পেশাজীবী হিসেবে স্বীকৃত হবেন, নাকি তারা লেখক, কবি, শিল্পীদের মত বিশেষায়িত ‘সৃজনশীল ব্যক্তি’ হিসেবে বিবেচিত হবেন? এ দুটি প্রশ্নের বাইরেরও আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন আমার মনে বার বার ঘুরপাক খাচ্ছে। সেটি হচ্ছে, সাংবাদিকতা কি অভিশপ্ত পেশা?’

প্লিজ, আমাদের শিশুদের বাঁচান
প্লিজ, আমাদের শিশুদের বাঁচান

সম্পাদকীয় মতামত

প্লিজ, আমাদের শিশুদের বাঁচান

আমরা যারা বার্তাকক্ষে বসে প্রতিদিন খবর লিখি, সম্পাদনা করি, তাদের কাছে মৃত্যু সংবাদ অনেকটাই সহনীয়। আর দশটা বিষয়ের খবরের মতো শুধু একটা খবর হয়ে যায়। স্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা খুব কমই খবর হয়। যদি কোনো বিখ্যাত ব্যক্তি মারা যান, শুধুমাত্র তখনই স্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় বড় রিপোর্ট হয়। মৃত্যু সংবাদের পাশাপাশি অসংখ্য শোকবার্তা আসে। দশ বাক্যের মৃত্যু সংবাদের সঙ্গে পঞ্চাশ বাক্যের শোকবার্তা যোগ করা হয়।

এই লজ্জার দায় কার?
এই লজ্জার দায় কার?

সম্পাদকীয় মতামত

এই লজ্জার দায় কার?

প্রথমেই বলি, এ লজ্জার দায় আমাদের দেশের রাজনীতিবিদদের। আমি কোনো নির্দিষ্ট দলের কথা বলব না, বাংলাদেশে শিশু নির্যাতনের জন্য প্রধানত দায় সব রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের। কিন্তু লজ্জাজনক হচ্ছে তারা দায় নেন না, দায়িত্বও স্বীকার করেন না। ‍মিরপুরে শিশু রামিসাকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার প্রেক্ষাপটেই রাজনীতিবিদদের দায়ী করছি। চট করে এর জবাব দিয়ে বলা হবে, ‘রাজনীতিবিদরা কি ঘরে ঘরে গিয়ে শিশুদের পাহারা দেবেন?’

‘থুসিডাইডিস ট্র্যাপ’: যুক্তরাষ্ট্রের পতন ও চীনের উত্থান
‘থুসিডাইডিস ট্র্যাপ’: যুক্তরাষ্ট্রের পতন ও চীনের উত্থান

সম্পাদকীয় মতামত

‘থুসিডাইডিস ট্র্যাপ’: যুক্তরাষ্ট্রের পতন ও চীনের উত্থান

শেষ পর্যন্ত ট্রাম্পকেই যেতে হল বেইজিংয়ে। কারন বিশ্ব রাজনীতিতে ক্রমাগত মিত্রহীন হয়ে পড়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সামনে আর কোন উপায় ছিল না। স্বপ্নের দেশ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে অমাবস্যার আঁধার ক্রমাগত দানা বাঁধতে শুরু করেছিল জো বাইডেনের শাসনামল থেকেই। অতি সম্প্রতি ইরান যুদ্ধের পর ওয়াশিংটনের আকাশে সেই অন্ধকার যখন ঘনীভূত হচ্ছে, নতুন সূর্যের আলো তখন পূবের আদি সভ্যতার বৃহত্তম ভূমি বেইজিং-এর আকাশ থেকে ছড়িয়ে পড়তে দেখা যাচ্ছে।

তৃতীয় টার্মিনাল: ‘টু-পাইসে’র জন্য অপ্রয়োজনীয় ৪৮ কোটি টাকার প্রকল্প?
তৃতীয় টার্মিনাল: ‘টু-পাইসে’র জন্য অপ্রয়োজনীয় ৪৮ কোটি টাকার প্রকল্প?

সম্পাদকীয় মতামত

তৃতীয় টার্মিনাল: ‘টু-পাইসে’র জন্য অপ্রয়োজনীয় ৪৮ কোটি টাকার প্রকল্প?

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনা ও তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্পের দায়িত্ব যেহেতু বেবিচকের (বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ) হাতে, সে কারণে তাদের নামটাই শিরোনামে এসেছে। কিন্তু এর আগেও একাধিক মেগা প্রকল্প বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষ একই ধরনের মূর্খতার ভান করেছে এবং একেবারে শেষ মুহূর্তে সরকারের ওপর মহলের কঠোর নির্দেশে সচেতন হয়েছে। তবে এবার একটু ব্যতিক্রম। কারণ বেবিচকের কর্তা-ব্যক্তিদের সচেতন করতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ ব্যয় নির্ধারণ করেছে ৪৮ কোটি টাকা!

...

ট্রেন্ডিং ভিউজ