Views Bangladesh Logo

এআই অপব্যবহারের বৈশ্বিক মানচিত্রে এবার বাংলাদেশ

Rased Mehedi

রাশেদ মেহেদী

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ে আমাদের আলোচনা সাধারণত দুই প্রান্তে আটকে থাকে। এক প্রান্তে অসীম সম্ভাবনার গল্প—চাকরি বাড়বে, সেবা সহজ হবে, দেশ এগোবে। অন্য প্রান্তে দূর ভবিষ্যতের আশঙ্কা—যন্ত্র একদিন মানুষকে ছাড়িয়ে যাবে কি-না। মাঝখানের জায়গাটি, অর্থাৎ এই মুহূর্তে বাস্তবে কারা এআই দিয়ে কী ক্ষতি করছে, সেটি নিয়ে তথ্য আমাদের হাতে প্রায় নেই। কারণ ওই তথ্য থাকে কেবল প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর সার্ভারে আর তারা স্বেচ্ছায় না বললে কেউ জানে না।

গত ১০ সেপ্টেম্বর মার্কিন এআই প্রতিষ্ঠান অ্যানথ্রপিক তেমনই একটি নথি প্রকাশ করেছে—“Detecting and countering misuse of AI: September 2026”। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত তাদের এআই মডেল “ক্লদ”-এর যেসব অপব্যবহার তারা শনাক্ত ও বন্ধ করেছে, তারই বিবরণ। সাতটি ক্ষেত্র—সাইবার হামলা, প্রভাব বিস্তার অভিযান, নজরদারি, প্রতারণা, জৈব-অপব্যবহার, অস্ত্র উন্নয়ন এবং মডেল চুরি। এবারের নথিতে বাংলাদেশ এসেছে নাম ধরে, একটি পূর্ণাঙ্গ কেস স্টাডি হিসেবে। সেই কারণেই এটি আমাদের জন্য কেবল আরেকটি বিদেশি প্রতিবেদন নয়।

কোম্পানি কেন নিজের ব্যর্থতার হিসাব দেয়
প্রথমেই একটি স্বাভাবিক প্রশ্ন জাগে—কোনো কোম্পানি নিজের পণ্যের অপব্যবহারের ফিরিস্তি স্বেচ্ছায় প্রকাশ করবে কেন? অ্যানথ্রপিকের নিজস্ব ভাষ্য হলো, নিজেদের সেবার অপব্যবহার জানানোকে তারা দায়িত্ব মনে করে; মডেল যত সক্ষম হবে, ঝুঁকিও তত বাড়বে এবং নির্মাতা ও সমাজ একসঙ্গে না দাঁড়ালে সেই ঝুঁকি সামাল দেওয়া যাবে না।
এর পেছনে কার্যকর হিসাবও আছে। বিশ্বজুড়ে এআই নিয়ন্ত্রণের আইন তৈরি হচ্ছে; যে কোম্পানি নিজেই নিজের ঘরের হিসাব দেয়, নিয়ন্ত্রকের টেবিলে তার অবস্থান আলাদা। দ্বিতীয় কারণ যৌথ প্রতিরক্ষা—প্রতিটি ঘটনায় তারা অ্যাকাউন্ট বন্ধ করেছে, নিরাপত্তাব্যবস্থা শক্ত করেছে এবং প্রয়োজনমতো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও শিল্প-অংশীদারদের সঙ্গে তথ্য ভাগ করেছে। তৃতীয় কারণ প্যাটার্ন চেনানো—অন্য ডেভেলপাররা যেন একই আচরণের ছাপ নিজেদের প্ল্যাটফর্মে ধরতে পারেন।

তবু একটি কথা পরিষ্কার রাখা দরকার। এটি স্বপ্রণোদিত প্রকাশ, স্বাধীন নিরীক্ষা নয়। কী প্রকাশ হবে, কতটা হবে, কোন ভাষায় হবে—সিদ্ধান্ত কোম্পানির। সাংবাদিক হিসেবে আমরা তথ্যটি ব্যবহার করব কিন্তু উৎসের চরিত্র ভুলে নয়। বাংলাদেশে এ ধরনের তথ্য যাচাই করার স্বাধীন সক্ষমতা আজও তৈরি হয়নি। এটিই আমাদের প্রথম দুর্বলতা।

বদলে গেছে অপরাধের অর্থনীতি

প্রতিবেদনের মূল পর্যবেক্ষণটি এক বাক্যে বলা যায়—এআই নতুন ধরনের অপরাধ তৈরি করছে না, পুরোনো অপরাধের খরচ কমিয়ে দিচ্ছে। বর্ণিত হামলাগুলোর কৌশল আমাদের চেনা: চুরি করা পাসওয়ার্ড, হালনাগাদবিহীন যন্ত্র, খোলা পড়ে থাকা সেবা, ফিশিং। বদলেছে হিসাবটা। আগে যে শ্রম-তথ্য সংগ্রহ, দুর্বলতা খোঁজা, সরঞ্জাম তৈরি, চুরি করা তথ্য সাজানো—কেবল সম্পদশালী সংগঠনের নাগালে ছিল, সেটি এখন সমান্তরালে চলা এআই এজেন্টের হাতে।

ফল হয়েছে সক্ষমতার ব্যবধান মুছে যাওয়া। অ্যানথ্রপিকের ভাষ্য অনুযায়ী, চুরি করা এপিআই কি ব্যবহার করা একজন হ্যাকটিভিস্ট, আর্থিক লোভে সক্রিয় বিচ্ছিন্ন অপরাধী এবং রাষ্ট্রসংশ্লিষ্ট একজন গুপ্তচর—তিন শ্রেণিই এমন বহু-শিকারের অভিযান চালিয়েছে, যা এক বছর আগেও একটি দক্ষ দল ছাড়া সম্ভব ছিল না। এখন এদের মধ্যে পার্থক্যের মাপকাঠি সক্ষমতা নয়, উদ্দেশ্য।

দ্বিতীয় নতুন বার্তা প্রতিরক্ষার জন্য আরও অস্বস্তিকর। একটি রুশ গুপ্তচরবৃত্তি অভিযানে এআই এজেন্ট নিজেই নজরে রাখত—নিরাপত্তা সফটওয়্যার তাদের ম্যালওয়্যার ধরছে কি না; ধরা পড়লে এজেন্ট নিজেই সেটি বদলে নতুন করে ছাড়ত, যতক্ষণ না আর ধরা পড়ে। এত দিন প্রতিরক্ষার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার ছিল আক্রমণকারীর ওপর খরচ চাপানো—নতুন শনাক্তকরণ পদ্ধতি ছেড়ে তার গতি কমিয়ে দেওয়া। সেই সুবিধাটিই এখন সংকুচিত।

তৃতীয়ত, এআই সরবরাহ-শৃঙ্খল নিজেই এখন লক্ষ্যবস্তু। চুরি যাওয়া এপিআই কি ও সেশন টোকেন আক্রমণকারীকে একসঙ্গে তিনটি জিনিস দেয়—বিক্রয়যোগ্য মালামাল, অন্যের খরচে পরিগণন সক্ষমতা এবং ছদ্মাবরণ; কারণ কাজের দায় গিয়ে পড়ে কি-এর বৈধ মালিকের ওপর। আমাদের ব্যাংক, মোবাইল অপারেটর, এমএফএস ও সরকারি প্রকল্পগুলো যখন হুড়োহুড়ি করে এআই যুক্ত করছে, তখন এই সতর্কবার্তাটি সরাসরি আমাদের ঠিকানায় লেখা: এআই কি-কে প্রোডাকশন পাসওয়ার্ডের সমান মর্যাদায় রক্ষা করতে হবে আর সস্তায় অননুমোদিত মধ্যস্থের মাধ্যমে এআই কেনা কার্যত নিজের ঘরের চাবি অচেনা হাতে তুলে দেওয়া।

প্রতিবেদনে বাংলাদেশের গাইবান্ধা
প্রতিবেদনের প্রভাব বিস্তার অধ্যায়ে বর্ণিত নয়টি ঘটনার একটি বাংলাদেশকেন্দ্রিক—অভ্যন্তরীণ নাম GTG-54006। তাদের বিবরণ অনুযায়ী, গাইবান্ধা থেকে একজন ব্যক্তি ২৯টি ক্লদ অ্যাকাউন্ট ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে ব্যবহার করে প্রায় ১৬ মাস ধরে বাংলা ভাষায় ভুয়া সংবাদ বানিয়েছেন—অন্তত দেড় হাজার শিরোনাম, তিন শ বানোয়াট প্রতিবেদন এবং দেড় হাজার ছবির নির্দেশনা। অ্যাকাউন্ট বদল হতো ব্যবহারসীমা এবং শনাক্তকরণ—দুটোই এড়াতে।

কাজটির ধরন লক্ষ্য করার মতো। এটি কোনো উত্তেজিত মানুষের খেয়ালি পোস্ট নয়; রীতিমতো উৎপাদন লাইন। “fake_news_3.py” নামের একটি প্রোগ্রাম নির্দিষ্ট ব্যাচে কনটেন্ট তৈরি করত—প্রতিবারে ১৫টি শিরোনাম, তিনটি প্রতিবেদন ও ১৫টি ছবির নির্দেশনা। ক্লদ যেহেতু ছবি বানায় না, ওই নির্দেশনাগুলো সম্ভবত অন্য এআই ব্যবস্থায় পাঠিয়ে ছবি তৈরি হতো। দ্বিতীয় একটি স্ক্রিপ্ট এক মাস আগে ঠিক করা সূচি ধরে ইউটিউবে ভিডিও তুলত। অবস্থান আড়াল করতে ব্যবহৃত হতো তৃতীয় পক্ষের সেবা। অর্থাৎ পরিকল্পনা, উৎপাদন, বিতরণ ও আত্মগোপন—চারটি স্তরই স্বয়ংক্রিয়।

উপকরণের গন্তব্য ছিল ফেসবুক লাইভ, ইউটিউব ও টিকটক; লক্ষ্য দর্শক সীমিত সাক্ষরতার গ্রামীণ জনগোষ্ঠী। বিষয়বস্তু আওয়ামী লীগের পক্ষে এবং প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক কমিটিকে দেখানো হতো তালেবানি ধাঁচের শাসন প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীতে অনুপ্রবেশকারী হিসেবে। অন্য বয়ানে অন্তর্বর্তী সরকারের সদস্য ও ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার গুজব ছড়ানো হতো, তাঁদের বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থার লোক বলে চিত্রিত করা হতো।

অপারেটর যে জানতেন তাঁর খবরগুলো মিথ্যা, প্রতিবেদন সে বিষয়ে নিঃসংশয়। তাঁর নিজের নোটে লেখা ছিল—“no one knows the news is fake”। সঙ্গে নির্দেশনা ছিল, ভাষা যেন গরম ও আক্রমণাত্মক হয় এবং গ্রামের মানুষও যেন সহজে বোঝেন। এখানেই কেসটির আসল অস্বস্তি। বিভ্রান্তি এখানে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নয়, এটিই পণ্য আর গ্রামীণ, কম সাক্ষর পাঠক কোনো দুর্ঘটনাজনিত শিকার নন, তাঁরাই নির্বাচিত ক্রেতা।

প্রতিবেদন যা বলেনি

এ ধরনের নথি নিয়ে লেখার সময় সীমারেখা টানাটাই পেশাদারিত্ব। অ্যানথ্রপিক স্পষ্ট করেই বলেছে, কনটেন্ট আওয়ামী লীগের স্বার্থের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ হলেও দলটি নিজে এটি পরিচালনা বা অর্থায়ন করেছে—এমন কোনো প্রমাণ তারা পায়নি। প্রতিবেদনে একবার উল্লেখ আছে, কিছু বয়ান ভারতপন্থী ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিন্তু কোনো ভারতীয় ব্যক্তি, সংস্থা বা প্ল্যাটফর্মের নাম সেখানে নেই এবং ভারত জড়িত—এমন অভিযোগও নেই। সরকারি নির্দেশনা বা অর্থায়নের প্রমাণও মেলেনি।

বিস্তারের প্রশ্নেও তারা সংযত। প্রকাশে জড়িত সব অ্যাকাউন্ট শনাক্ত করা যায়নি এবং ওই বৃত্তের বাইরে কনটেন্ট কতদূর পৌঁছেছে তার প্রমাণ তাদের হাতে নেই। ব্রুকিংসের ব্রেকআউট স্কেলে ঘটনাটিকে তারা তৃতীয় শ্রেণিতে রেখেছে—একাধিক প্ল্যাটফর্মে ছড়ালেও ব্যাপক প্রামাণ্য জনসম্পৃক্ততার সাক্ষ্য নেই। এই সংযমটুকু আমাদের সংবাদমাধ্যমের জন্যও অনুকরণীয়; একটি বিদেশি প্রতিবেদনের একটি বাক্যকে টেনে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানানো সহজ কিন্তু তাতে নথিটির প্রকৃত শিক্ষা হারিয়ে যায়।

আমাদের নিয়ন্ত্রক কাঠামোর অন্ধত্ব
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি এখানেই। ঘটনাটি ধরা পড়েছে উৎপাদনের পর্যায়ে—কনটেন্ট ছড়ানোর আগেই। কোম্পানিটি নিজেই বলছে, সামাজিক মাধ্যম যেখানে কনটেন্ট ছড়ানোর পর দেখে, তারা সেখানে অভিযান তৈরি হওয়ার সময়েই দেখতে পান। অর্থাৎ ষোলো মাস ধরে বাংলাদেশের তথ্যপরিসরে যা ঘটছিল, তা ধরেছে দশ হাজার মাইল দূরের একটি বেসরকারি কোম্পানির অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থা—আমাদের কোনো প্রতিষ্ঠান নয়।

এটি কাকতালীয় নয়, কাঠামোগত। আমাদের নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা গড়ে উঠেছে প্রকাশের পর ব্যবস্থা নেওয়ার ভিত্তিতে—লিংক সরানো, পেজ বন্ধ করা, প্রয়োজনে মামলা। কিন্তু যে কাঠামো কেবল ফল দেখে, প্রক্রিয়া দেখে না, সেটি স্বয়ংক্রিয় উৎপাদনলাইনের সঙ্গে কোনোদিনই তাল মেলাতে পারবে না—একটি লিংক সরাতে যত সময় লাগে, তার চেয়ে কম সময়ে নতুন পনেরোটি তৈরি হয়ে যায়। টেলিযোগাযোগ খাতে আমরা এই ভুল বহুবার করেছি; প্রযুক্তি বদলে যাওয়ার পরও নিয়ন্ত্রক কাঠামো পুরোনো ধারণায় দাঁড়িয়ে থেকেছে, আর ফল ভোগ করেছেন সাধারণ ব্যবহারকারী।

করণীয়
প্রথমত, এআই প্রতিষ্ঠান ও বড় প্ল্যাটফর্মগুলোর সঙ্গে নিয়মিত হুমকি-তথ্য বিনিময়ের একটি জাতীয় সমন্বয়বিন্দু দরকার। এই মুহূর্তে অ্যানথ্রপিক বা অন্য কোনো কোম্পানি বাংলাদেশ-সংক্রান্ত কিছু পেলে কার কাছে জানাবে—বিটিআরসি, সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা, নাকি নির্বাচন কমিশন—তার স্পষ্ট উত্তর নেই। উত্তরটি থাকা দরকার এবং সেটি দৃশ্যমান হওয়া দরকার।

দ্বিতীয়ত, নির্বাচনী প্রচারের ডিজিটাল ব্যয় ও ভেন্ডর-স্বচ্ছতার বাধ্যবাধকতা। প্রতিবেদনে মালয়েশিয়াকেন্দ্রিক যে বাণিজ্যিক প্ল্যাটফর্মের বিবরণ আছে—প্রকৃত আদমশুমারি ও ভোটার তথ্য দিয়ে ২২২টি আসনের প্রোফাইল তৈরি করে প্রায় হাজার খানেক ভুয়া অ্যাকাউন্ট পরিচালনা, আর জাতি-ধর্মের বিভাজন রেখা ধরে লক্ষ্যভেদ—সেটি আমাদের জন্য সরাসরি পূর্বসতর্কতা। প্রভাব বিস্তার এখন সেবা হিসেবে কেনা যায় এবং ক্রেতার পরিচয় গোপন রাখাই ওই ব্যবসার প্রধান বিক্রয়যোগ্য গুণ।

তৃতীয়ত, সংবাদমাধ্যমের যাচাই-অগ্রাধিকার বদলাতে হবে। একটি ভুয়া খবরের পেছনে ছোটার চেয়ে বিতরণ-নেটওয়ার্ক ও পুনরাবৃত্ত আচরণের ছাপ চিহ্নিত করা এখন বেশি কার্যকর। একই সময়ে খোলা অ্যাকাউন্ট, একই ছাঁচে লেখা শিরোনাম, একই সূচিতে আপলোড হওয়া ভিডিও—এগুলোই এখন প্রকৃত সূত্র এবং চতুর্থত, প্রতিষ্ঠানপর্যায়ে এআই সংযোগের নিরাপত্তা; যে কি একবার বেহাত হয়, তা কেবল তথ্য নয়, প্রতিষ্ঠানের পরিচয়ও বেহাত করে।

শেষ কথাটি সাবধানে বলা দরকার। এই প্রতিবেদনের বাংলাদেশ অংশটি কোনো রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র নয়; এটি একটি কারিগরি নথি, যা দেখায় একজন মানুষ, একটি ল্যাপটপ আর কয়েকটি অ্যাকাউন্ট দিয়ে কত বড় বিভ্রান্তির কারখানা চালানো সম্ভব। আজ যে সরঞ্জাম এক পক্ষের হাতে ছিল, আগামীকাল তা যে কারও হাতে যেতে পারে—কারণ সরঞ্জামটির কোনো রাজনৈতিক পছন্দ নেই। প্রশ্নটি তাই দলীয় নয়: নির্বাচনের বছরে এসে আমরা কি প্রতিক্রিয়াটিকে প্রাতিষ্ঠানিক করে তুলতে পারব নাকি প্রতিবারের মতো ঘটনার পর বিবৃতি দিয়েই দায় সারব?

রাশেদ মেহেদী
টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি খাত বিশ্লেষক, সম্পাদক, ভিউজ বাংলাদেশ

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ