Views Bangladesh Logo

টেলিকম

তাহলে বিটিআরসির কর্মকর্তারা বেতন নেন কেন?
তাহলে বিটিআরসির কর্মকর্তারা বেতন নেন কেন?

টেলিকম

তাহলে বিটিআরসির কর্মকর্তারা বেতন নেন কেন?

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০০২ সালের ৩১ জানুয়ারি। গুলশান-১ নম্বরের ১৩৫ নম্বর সড়কের ‘স্টাইল নাহার’ ভবনে ছিল এর প্রথম অফিস। বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সংস্থাপন সচিব সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদ ছিলেন এর প্রথম চেয়ারম্যান। তখন আমি দৈনিক সংবাদে স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কাজ করি। বিটিআরসির কাজ শুরুর সম্ভবত এক মাস পর আমাকে পাঠানো হলো নতুন বিটিআরসি ভবনে। নতুন এই কমিশন সম্পর্কে পুরো খোঁজ নিতে বলা হলো। এই কমিশন কী ধরনের দায়িত্ব পালন করবে, টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর কী ধরনের প্রভাব পড়বে—এ ধরনের কয়েকটি বিষয় সংবাদের তৎকালীন চিফ রিপোর্টার কাশেম হুমায়ুন ভাই এক টুকরো কাগজে লিখে দিয়ে অ্যাসাইনমেন্টে পাঠালেন।

ভয়েস কলে ‘ফ্লোর প্রাইস নীতিই’ ইন্টারনেট সেবায় পিছিয়ে রাখছে দেশকে
ভয়েস কলে ‘ফ্লোর প্রাইস নীতিই’ ইন্টারনেট সেবায় পিছিয়ে রাখছে দেশকে

টেলিকম

ভয়েস কলে ‘ফ্লোর প্রাইস নীতিই’ ইন্টারনেট সেবায় পিছিয়ে রাখছে দেশকে

শুনতে প্রথমে কিছুটা অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে, কিন্তু এটাই সত্যি! টেলিযোগাযোগ খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির একটি বিতর্কিত সিদ্ধান্তের কারণেই বাংলাদেশের ৪৬ শতাংশ মানুষ এখনও ইন্টারনেট সেবার বাইরে। গ্রামাঞ্চলে ৫৬ শতাংশ মানুষ ইন্টারনেট সেবা থেকে বঞ্চিত। আর সেই বিতর্কিত সিদ্ধান্তটি হচ্ছে ‘মোবাইল অপারেটরদের জন্য ভয়েস কলের ‘ফ্লোর প্রাইস’।

তিন মোবাইল অপারেটর গ্রাহকের পকেট কেটে নিয়েছে চার হাজার কোটি টাকা!
তিন মোবাইল অপারেটর গ্রাহকের পকেট কেটে নিয়েছে চার হাজার কোটি টাকা!

টেলিকম

তিন মোবাইল অপারেটর গ্রাহকের পকেট কেটে নিয়েছে চার হাজার কোটি টাকা!

বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ২০২৫ সালের ১২ জানুয়ারি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের একটি সিদ্ধান্তে মোবাইল অপারেটরদের জন্য ডাটা প্যাকেজ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এর অর্থ মোবাইল অপারেপটররা নিজেদের মতো করে যেমন খুশি প্যাকেজ তৈরি করে গ্রাহকের কাছে বিক্রি করতে পারবে। এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এক ঘণ্টা থেকে আনলিমিটেড যেকোনো মেয়াদের এবং যেকোনো ভলিউমের ডাটা প্যাকেজ দেওয়ার সুবিধা পায় মোবাইল অপারেটররা।

টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশ খসড়া ২০২৫ এর বিশ্লেষণ
টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশ খসড়া ২০২৫ এর বিশ্লেষণ

টেলিকম

টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশ খসড়া ২০২৫ এর বিশ্লেষণ

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ অধ্যাদেশ ২০২৫-এর খসড়া জনমতের জন্য প্রকাশ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিতে এগিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়েছে এ খসড়ায়। সেখানে বলা হয়েছে, এমন একটি 'আধুনিক' টেলিকম ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এই আইন যা ডিজিটাল যুগের বাস্তবতাকে স্বীকৃতি দেয়। রেডিও স্পেকট্রাম এবং সাবমেরিন ক্যাবল থেকে শুরু করে OTT, AI এবং IoT পর্যন্ত সবকিছুই আইনের ধারায়, উপ ধারায় বিস্তৃত আছে। কিন্তু একটু গভীরভাবে পর্য়বেক্ষণ করলে এই অধ্যাদেশ ঘিরে তিনটি বড় প্রশ্ন সামনে আসে। প্রশ্নগুলো হচ্ছে, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি প্রকৃতপক্ষে কতটা স্বাধীন হবে, মন্ত্রণালয় বাস্তবিকভাবে কতটা তত্ত্বাবধান করতে পারবে, এবং লাইসেন্সিং ঠিক কোথায় শেষ হবে এবং নজরদারির নতুন অধ্যায় শুরু হবে ?

উদ্যোগটি ভালো, কিন্তু কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে
উদ্যোগটি ভালো, কিন্তু কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে

টেলিকম

উদ্যোগটি ভালো, কিন্তু কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে

প্রথমেই বলব, উদ্যোগটি ভালো। দেশে এখন মোবাইল হ্যান্ডসেট উৎপাদিত হচ্ছে। অতএব সেই উৎপাদনকে উৎসাহিত করার জন্য কর ফাঁকি দিয়ে চোরাই পথে আসা হ্যান্ডসেটের বাজার বন্ধ করার উদ্বেগকে প্রশংসার দৃষ্টিতেই দেখা উচিত। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে বিটিআরসি কতবার এই উদ্যোগ নেবে, আর আমরা কতবার প্রশংসা করব এবং অতঃপর হতাশ হব?

প্রত্যেক নাগরিকের জন্য শক্তিশালী মোবাইল নেটওয়ার্ক নিশ্চিত করা প্রয়োজন
প্রত্যেক নাগরিকের জন্য শক্তিশালী মোবাইল নেটওয়ার্ক নিশ্চিত করা প্রয়োজন

টেলিকম

প্রত্যেক নাগরিকের জন্য শক্তিশালী মোবাইল নেটওয়ার্ক নিশ্চিত করা প্রয়োজন

সংযোগ: একটি অপরিহার্য প্রয়োজন, বিলাসিতা নয় বাংলাদেশের ডিজিটাল যাত্রা শুধু প্রযুক্তিগত সমৃদ্ধি নয়। ডিজিটাল যাত্রার সঙ্গে গভীরভাবে সম্পৃক্ত দেশের মানুষ। দেশের প্রতিটি প্রান্তের মানুষকে ডিজিটাল সেবায় সমান প্রবেশাধিকার, সমান সুযোগ নিশ্চিত করার অঙ্গীকার নিয়ে বাংলাদেশে ডিজিটাল যাত্রা এগিয়ে চলেছে।

স্টারলিংকের গল্প এবং বাস্তবতা
স্টারলিংকের গল্প এবং বাস্তবতা

টেলিকম

স্টারলিংকের গল্প এবং বাস্তবতা

স্টারলিংকের স্যাটেলাইট ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের গল্পটা আজকের নয়। এর শুরুটা হয়েছিল মূলত নব্বইয়ের দশকে। যদিও আজকের প্রেক্ষাপটে স্টারলিংকের যে বাস্তবতা, সেই নতুন অধ্যায়ের শুরু হয়েছিল ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে, সে সময়কার ট্রাম্প সরকারের ‘ক্লিন ইন্টারনেট’ নীতির ফল হিসেবে। যে নীতি বিশ্ব ইন্টারনেট ব্যবস্থাকে ‘যুক্তরাষ্ট্র’ ও ‘চীন’ নেটওয়ার্ক নামে ইন্টারনেট দুনিয়াকে দ্বিখণ্ডিত করার বড় ঝুঁকির মুখে ফেলে দিয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে বিস্তারিত অধ্যায়ে যাওয়ার আগে নব্বই দশকের ইতিহাসের পটভূমিটা ঘুরে আসি।

শ্রীলঙ্কায় স্টারলিংক এবং আইনি বাধ্যবাধকতা
শ্রীলঙ্কায় স্টারলিংক এবং আইনি বাধ্যবাধকতা

টেলিকম

শ্রীলঙ্কায় স্টারলিংক এবং আইনি বাধ্যবাধকতা

শ্রীলঙ্কা ২০২৪ সালে টেলিযোগাযোগ আইনের ১৭ ধারার অধীনে যুক্তরাষ্ট্রের স্যাটেলাইটভিত্তিক ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান স্টারলিংককে লাইসেন্স দেয়। এ ক্ষেত্রে লাইসেন্সের শর্তাগুলো লাইসেন্সের জন্য আবেদনকারী প্রতিষ্ঠানের স্বার্থের কথা বিবেচনা করেই নির্ধারণ করা হয়।

ঈদুল আজহায় অপোর আকর্ষণীয় অফার, বাজারে মিলছে নতুন এ৫এক্স
ঈদুল আজহায় অপোর আকর্ষণীয় অফার, বাজারে মিলছে নতুন এ৫এক্স

টেলিকম

ঈদুল আজহায় অপোর আকর্ষণীয় অফার, বাজারে মিলছে নতুন এ৫এক্স

শীর্ষ বৈশ্বিক প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘অপো’ আসন্ন ঈদুল আজহা’র আনন্দ বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে বাংলাদেশের গ্রাহকদের জন্য বিশেষ সব অফারের ঘোষণা দিয়েছে। এবং এই উৎসব উদযাপনের অংশ হিসেবে ব্র্যান্ডটি নতুন স্মার্টফোন অপো ‘এ৫এক্স’ (৪জিবি+৬৪জিবি) আকর্ষণীয় বাজার মূল্যে সারাদেশে প্রাপ্তির কথাও জানিয়েছে।

বাজারে এলো ‘রিয়েলমি ১৪ ৫জি’ এবং ‘রিয়েলমি ১৪টি ৫জি’ স্মার্টফোন
বাজারে এলো ‘রিয়েলমি ১৪ ৫জি’ এবং ‘রিয়েলমি ১৪টি ৫জি’ স্মার্টফোন

টেলিকম

বাজারে এলো ‘রিয়েলমি ১৪ ৫জি’ এবং ‘রিয়েলমি ১৪টি ৫জি’ স্মার্টফোন

তরুণদের অন্যতম জনপ্রিয় প্রযুক্তি ব্র্যান্ড রিয়েলমি কোম্পানিটির সর্বশেষ ‘পাওয়ারহাউজ’ স্মার্টফোন ‘রিয়েলমি ১৪ ৫জি’ এবং ‘রিয়েলমি ১৪টি ৫জি’ বাংলাদেশে উন্মোচিত করেছে। যেসব ব্যবহারকারীরা ডিজিটাল লাইফস্টাইলের নির্বিঘ্ন অভিজ্ঞতা চান এবং পারফরম্যান্সের ব্যাপারে একবিন্দুও ছাড় দিতে নারাজ এই মোবাইল দুটি তাদের জন্য; যেগুলো সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও অসাধারণ সব ফিচারের মাধ্যমে স্মার্টফোন বাজারে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।

ট্রেন্ডিং ভিউজ