Views Bangladesh Logo

জ্বালানি ও খনিজসম্পদ

নবায়নযোগ্য জ্বালানি: টেকসই ভবিষ্যতের নতুন দুয়ার
নবায়নযোগ্য জ্বালানি: টেকসই ভবিষ্যতের নতুন দুয়ার

জ্বালানি ও খনিজসম্পদ

নবায়নযোগ্য জ্বালানি: টেকসই ভবিষ্যতের নতুন দুয়ার

বিশ্ব যখন একটি চলমান জ্বালানি সংকটের সাথে লড়াই করছে, তখন নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রয়োজনীয়তা আগের চেয়ে অনেক বেশি জরুরি হয়ে পড়েছে। বিশ্বজুড়ে জীবাশ্ম জ্বালানির দাম ক্রমাগত বাড়ছে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সারা বিশ্বের বিভিন্ন জনপদে অনুভূত হচ্ছে। বাংলাদেশ, তার ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা এবং জ্বালানির ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে, জ্বালানি সুবিধা বৃদ্ধি এবং পরিবেশগত উদ্বেগ মোকাবিলা—এই দ্বিমুখী চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে।

প্রখর সূর্যতাপের যথাযথ ব্যবহারই বাংলাদেশকে শীতল রাখবে
প্রখর সূর্যতাপের যথাযথ ব্যবহারই বাংলাদেশকে শীতল রাখবে

জ্বালানি ও খনিজসম্পদ

প্রখর সূর্যতাপের যথাযথ ব্যবহারই বাংলাদেশকে শীতল রাখবে

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাত বর্তমানে একটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও টেকসই জ্বালানি নীতির দ্বন্দ্বে জর্জরিত। বিদ্যুৎ খাতে বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদকদের (IPPs) বকেয়া পরিশোধের পরিকল্পনা করায় ভর্তুকির পরিমাণ সংশোধিত বাজেটে বেড়ে প্রায় ৬২,০০০ কোটি টাকা বা তার চেয়েও বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে, আগামী অর্থবছরে সরকার ভর্তুকির চাপ কমাতে বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি বরাদ্দ কিছুটা কমিয়ে প্রায় ৩৭,০০০ কোটি টাকা রাখার পরিকল্পনা করেছে। ভর্তুকি ও আমদানিনির্ভর এই মডেল দেশের অর্থনীতির ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি করছে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রসারে নীতিগত ও কাঠামোগত বাধা সৃষ্টি করছে।

বাংলাদেশ-আদানি টানাপড়েন থেকে যে শিক্ষা পাওয়া গেল
বাংলাদেশ-আদানি টানাপড়েন থেকে যে শিক্ষা পাওয়া গেল

জ্বালানি ও খনিজসম্পদ

বাংলাদেশ-আদানি টানাপড়েন থেকে যে শিক্ষা পাওয়া গেল

সম্প্রতি এক বন্ধু আমাকে প্রশ্ন করেছিলেন, ‘আদানি বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহে অস্বীকার করছে’ এরকম আমি কিছু শুনেছি কি না। প্রশ্ন শুনেই আমি বুঝে গেলাম, একজন জাতীয়তাবাদী হিসেবে তিনি আসলে কোন প্রশ্নের বিষয়টি জানাতে চাচ্ছেন। আমি উল্টা প্রশ্ন করে বসলাম, ‘আপনার মনে আছে নিশ্চয়ই যে, মাত্র কয়েক বছর আগেই আমাদের বিদ্যুৎ ছিল না। কারণ, আমরা জ্বালানি এবং কয়লা আমদানির অর্থ দিতে পারিনি?

সক্ষমতার চেয়ে কম উৎপাদন হচ্ছে বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে
সক্ষমতার চেয়ে কম উৎপাদন হচ্ছে বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে

জ্বালানি ও খনিজসম্পদ

সক্ষমতার চেয়ে কম উৎপাদন হচ্ছে বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে

দেশে ২৬ হাজার ৩৬৪ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র রয়েছে। তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে গত ৩০ এপ্রিল দেশে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে ১৬ হাজার ৪৭৭ মেগাওয়াট। এর বাইরে সাধারণত ১০ থেকে ১২ হাজার মেগাওয়াট এবং রাতেরবেলা ১৪ থেকে ১৫ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। অর্থাৎ সর্বোচ্চ উৎপাদনের দিন বিবেচনা করলেও প্রতিদিন বসে থাকছে ১০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র। অর্থাৎ প্রতিদিন গড়ে ৩৭ ভাগ বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদন না করেই বসে থাকছে। এখন প্রশ্ন উঠছে এত বিদ্যুৎকেন্দ্রর কি আসলেই খুব দরকার ছিল!

ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি ব্যয় বাড়ছে
ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি ব্যয় বাড়ছে

জ্বালানি ও খনিজসম্পদ

ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি ব্যয় বাড়ছে

ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি ব্যয় বেড়েছে। গত পাঁচ বছরের বিদ্যুৎ আমদানি ব্যয় পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, এক লাফে গত অর্থবছর বিদ্যুতের আমদানি ব্যয় প্রতি কিলোওয়াট/আওয়ার বা ইউনিটে বেড়েছে ২ টাকা ৬ পয়সা। কেন এই বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি পেল, এমন প্রশ্নে আদানীর কয়লা বিদ্যুতের আমদানি শুরু হওয়াকেই দায়ী করছেন সবাই। ঝাড়খন্ডে আদানি গ্রুপের এই কেন্দ্রটি কেবলমাত্র বাংলাদেশে বিদ্যুৎ বিক্রির জন্য নির্মাণ করা হয়েছে। দেশে যেসব আমদানি করা কয়লাচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্র রয়েছে, তার চেয়ে কেন্দ্রটির বিদ্যুতের দাম খানিকটা বেশি বলে সমালোচনা রয়েছে।

প্রতিবেশীর নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বাংলাদেশ হাত বাড়াচ্ছে কেন?
প্রতিবেশীর নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বাংলাদেশ হাত বাড়াচ্ছে কেন?

জ্বালানি ও খনিজসম্পদ

প্রতিবেশীর নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বাংলাদেশ হাত বাড়াচ্ছে কেন?

বিশ্ববাজারে সোলার ফটোভল্টিক প্যানেলের দাম কমতে কমতে প্রতি ওয়াট ১১ সেন্টে নেমে এসেছে। ইনভার্টার এবং কেন্দ্র নির্মাণে আনুষঙ্গিক খরচ যোগ করলে ওয়াটপ্রতি খরচ পড়ছে ১৪ সেন্ট। এর সঙ্গে জমি কেনা আর সঞ্চালন ব্যবস্থা গড়ে তোলা ছাড়া অন্য কোনো ব্যয় নেই। এ পরিস্থিতিতে দেশেই নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিদ্যুৎ উৎপাদন আশার আলো দেখাচ্ছে। সেখানে বাংলাদেশ চেষ্টা করছে নেপাল, ভুটান এবং ভারত থেকে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে উৎপাদিত বিদ্যুৎ কিনে দেশে আনতে; কিন্তু কেন? তাহলে বাংলাদেশ কি প্রতিবেশীদের নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে উৎপাদিত বিদ্যুৎ কেনার দিকে বেশি নজর দিচ্ছে! এমন প্রশ্ন ওঠাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়।

তিতাসের হিসাবে এত গোঁজামিল কেন
তিতাসের হিসাবে এত গোঁজামিল কেন

জ্বালানি ও খনিজসম্পদ

তিতাসের হিসাবে এত গোঁজামিল কেন

তিতাস গ্যাস বিতরণ কোম্পানি সম্প্রতি সংবাদ সম্মেলন করে দাবি করেছে প্রতিষ্ঠানটি সিস্টেম লস ২৩ ভাগ থেকে ৮ ভাগে নামিয়ে এনেছে। এতে প্রতিষ্ঠানটি ১৪ ভাগ সিস্টেম লস কমিয়েছে। অর্থাৎ ১৪ ভাগ গ্যাস সাশ্রয় হয়েছে; কিন্তু বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনে (বিইআরসি) ২০২২ সালের জানুয়ারিতে দাখিল করা এক বিবরণীতে তিতাস দাবি করেছে তাদের সিস্টেম লস ২ থেকে ৫ ভাগ। এখন প্রশ্ন উঠতেই পারে, তিতাস এই সিস্টেম লস পেল কোথায়? না কি গ্যাসের দাম বৃদ্ধির জন্য তিতাস গোঁজামিলের হিসাব দাখিল করেছে।

লোডশেডিং বাড়লেই কেন মনে হয় ৮টায় দোকান বন্ধ করতে হবে!
লোডশেডিং বাড়লেই কেন মনে হয় ৮টায় দোকান বন্ধ করতে হবে!

জ্বালানি ও খনিজসম্পদ

লোডশেডিং বাড়লেই কেন মনে হয় ৮টায় দোকান বন্ধ করতে হবে!

চীনের জনসংখ্যা ১৪১ কোটি। এই দেশে প্রতিদিন সন্ধ্যার মধ্যে বিপণিবিতান অর্থাৎ দোকান-পাট বন্ধ করার নিয়ম মানতে হয়। এই নিয়ম মানা সবার জন্য বাধ্যতামূলক। সন্ধ্যা মানে সন্ধ্যাই, সে ৫টা হোক কিংবা ৬টা। ইউরোপ এবং আমেরিকায় একই নিয়ম প্রচলিত রয়েছে। সন্ধ্যা নামার পর আর কেউ কেনাকাটা করে না। দোকানপাট খোলা রাখা হয় না। অর্থাৎ শিল্পোন্নত কোনো দেশই সন্ধ্যার পর আর মার্কেট খুলে রাখে না। তাহলে আমরা কেন রাত ৮টায়ও দোকান বন্ধ করতে পারি না? রাত ৮টায় দোকান বন্ধ করতে গেলে সরকারকে রীতিমতো যুদ্ধে নামতে হয়! বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানিগুলো অভিযান পরিচালনা করলে রাত ৮টায় দোকান বন্ধ হয়। অভিযান থেমে গেলে রাত ১০টার আগে কেউ দোকান বন্ধ করে না। অন্যদিকে সরকারও দোকান বন্ধের বিষয়ে কড়াকড়ি করে কেবল লোডশেডিং বাড়তে থাকলে।

এলএনজির স্পট মার্কেট ঝুঁকি কি থেকেই যাচ্ছে
এলএনজির স্পট মার্কেট ঝুঁকি কি থেকেই যাচ্ছে

জ্বালানি ও খনিজসম্পদ

এলএনজির স্পট মার্কেট ঝুঁকি কি থেকেই যাচ্ছে

দেশের প্রধান জ্বালানি গ্যাস। দেশীয় খনি থেকে উত্তোলনের পাশাপাশি এখন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করা হয়। গত চার বছর ধরে সরবরাহ করা গ্যাসের এক-তৃতীয়াংশ আসে এলএনজি থেকে। ক্রমান্বয়ে সরকার আমদানি গ্যাসের পরিমাণ বৃদ্ধি করছে। বঙ্গোপসাগরে অনুসন্ধানে তেল গ্যাস না পাওয়া গেলে আমদানির কোনো বিকল্পও নেই; কিন্তু আমদানির কোন উৎসটি নিরাপদ, সেটি নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ জরুরি। প্রশ্ন উঠেছে সেই জায়গাতে আমরা কি পিছিয়ে পড়ছি!

এই ‘টেকসই নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ নিয়ে আমরা কী করব!
এই ‘টেকসই নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ নিয়ে আমরা কী করব!

জ্বালানি ও খনিজসম্পদ

এই ‘টেকসই নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ নিয়ে আমরা কী করব!

দেশে নবায়নযোগ্য শক্তির বিকাশে সরকার ‘টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ’ (স্রেডা) গঠন করেছে। এই প্রতিষ্ঠানটি নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিকাশ নিয়ে কাজ করছে। গত ১১ মার্চ সংস্থাটি একটি গবেষণাপত্র উপস্থাপন করে। সেই গবেষণায় বলা হয়েছে, দেশের জীবাশ্ম জ্বালানি এবং বিদ্যুৎচালিত সেচ পাম্পগুলো সৌরচালিত সেচ পাম্পে রূপান্তরের জন্য ৬৬ বিলিয়ন ডলারের প্রয়োজন। পরিকল্পনায় দেখানো হয়েছে ২০৩১ সালের মধ্যে ১৭ লাখ পাম্পকে সৌর বিদ্যুৎচালিত করার পরিকল্পনা করছে স্রেডা।

ট্রেন্ডিং ভিউজ