Views Bangladesh Logo
author image

একেএম জসীম উদ্দিন

  • থেকে

হামের ‘কামড়’ কি শুধুই অবহেলা, নাকি আমাদের ঘুম ভাঙানিয়া ডাক?
হামের ‘কামড়’ কি শুধুই অবহেলা, নাকি আমাদের ঘুম ভাঙানিয়া ডাক?

হামের ‘কামড়’ কি শুধুই অবহেলা, নাকি আমাদের ঘুম ভাঙানিয়া ডাক?

ভেবেছিলাম শত্রুকে আমরা চিরতরে কুপোকাত করে মাঠ থেকে তাড়িয়েছি। পোলিও আর ধনুষ্টঙ্কারের পর 'হাম' নামের যে পুরনো শত্রুটিকে আমরা প্রায় বিদায় জানিয়ে বুক ফুলিয়ে হাঁটছিলাম, সে যে এত তাড়াতাড়ি গোপনে শক্তি সঞ্চয় করে এমন মরণকামড় দেবে, তা বোধহয় কেউ ভাবেনি। এনজিওতে সামাজিক উন্নয়ন বিষয়ে কাজ করার সুবাদে প্রতিদিন মাঠপর্যায়ের নানা তথ্যে আমাদের চোখ রাখতে হয়, ভাবনায় মন রাঙ্গাতে হয় বা ব্যথায় ভারাক্রান্ত হতে হয়। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় যখন দেখছি যে, হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু ৭০০ ছাড়িয়ে গেছে এবং আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় লাখ ছুঁইছুঁই, তখন বুকের ভেতরটা সত্যি কেঁপে ওঠে। আমরা যারা শিশুদের অধিকার আর সুস্থ জীবন নিয়ে মাঠে রাতদিন এক করি, আমাদের জন্য এটি শুধু আশঙ্কার নয়, রীতিমতো আতঙ্কের!

জলবায়ু পরিবর্তন ও জলবায়ু ন্যায়বিচার: বাংলাদেশ কেন আন্তর্জাতিক সহযোগিতা পাওয়ার যোগ্য
জলবায়ু পরিবর্তন ও জলবায়ু ন্যায়বিচার: বাংলাদেশ কেন আন্তর্জাতিক সহযোগিতা পাওয়ার যোগ্য

জলবায়ু পরিবর্তন ও জলবায়ু ন্যায়বিচার: বাংলাদেশ কেন আন্তর্জাতিক সহযোগিতা পাওয়ার যোগ্য

জলবায়ু সংকট বর্তমান বিশ্বের গভীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্যগুলোকে খুব গভীরভাবে আমাদের সামনে নিয়ে এসেছে। বর্তমান পৃথিবীর সবচেয়ে বড় নিষ্ঠুরতা হলো—যেসব দেশ ও জনগোষ্ঠী বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনে সবচেয়ে কম অবদান রেখেছে, তারাই আজ জলবায়ু পরিবর্তনের সবচেয়ে মারাত্মক ও ধ্বংসাত্মক পরিণতির মুখোমুখি হচ্ছে। আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ এই চরম বৈষম্য ও অবিচারের সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক উদাহরণ।

রামিসা নেই: ভেতরটা যেন এক হিমশীতল অন্ধকারে ডুবে আছে
রামিসা নেই: ভেতরটা যেন এক হিমশীতল অন্ধকারে ডুবে আছে

রামিসা নেই: ভেতরটা যেন এক হিমশীতল অন্ধকারে ডুবে আছে

মিরপুরের পপুলার মডেল স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির সেই চেনা শ্রেণিকক্ষটিতে আজ কোনো কোলাহল নেই। বাইরে তপ্ত রোদ, অথচ ঘরের ভেতরটা যেন এক থমথমে, হিমশীতল অন্ধকারে ডুবে আছে। যে বেঞ্চটিতে বসে প্রতিদিন ক্লাসের রোল নম্বর ‘এক’—রামিসা পরম মায়ায় তার বই খাতা মেলতো, সেই কাষ্ঠখণ্ডটি আজ বড় বেশি একা, বড় বেশি স্তব্ধ। প্লে আর কেজিতে দ্বিতীয় হওয়ার পর যে ফুটফুটে মেয়েটি প্রথম শ্রেণিতে নিজের মেধার প্রতিভায় প্রথম হয়েছিল, আজ তার মেধার স্বীকৃতিস্বরূপ স্কুল থেকে পাওয়া ট্রফিগুলো ঘরের কোণে শোভা পাচ্ছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি: টেকসই ভবিষ্যতের নতুন দুয়ার
নবায়নযোগ্য জ্বালানি: টেকসই ভবিষ্যতের নতুন দুয়ার

নবায়নযোগ্য জ্বালানি: টেকসই ভবিষ্যতের নতুন দুয়ার

বিশ্ব যখন একটি চলমান জ্বালানি সংকটের সাথে লড়াই করছে, তখন নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রয়োজনীয়তা আগের চেয়ে অনেক বেশি জরুরি হয়ে পড়েছে। বিশ্বজুড়ে জীবাশ্ম জ্বালানির দাম ক্রমাগত বাড়ছে এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সারা বিশ্বের বিভিন্ন জনপদে অনুভূত হচ্ছে। বাংলাদেশ, তার ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা এবং জ্বালানির ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে, জ্বালানি সুবিধা বৃদ্ধি এবং পরিবেশগত উদ্বেগ মোকাবিলা—এই দ্বিমুখী চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে।

অফিস সময় কমানোর জটিল অঙ্ক ও অবুঝ মনের ত্রিভুজ ভাবনা
অফিস সময় কমানোর জটিল অঙ্ক ও অবুঝ মনের ত্রিভুজ ভাবনা

অফিস সময় কমানোর জটিল অঙ্ক ও অবুঝ মনের ত্রিভুজ ভাবনা

দেশের নীতিনির্ধারকদের অন্দরমহল থেকে যখন কোনো ‘যুগান্তকারী’ সিদ্ধান্তের খবর আসে, তখন আমরা সাধারণ মানুষ খুশিতে গদগদ হব নাকি কপালে হাত দিয়ে বসে থাকব, তা বুঝতে বুঝতেই অর্ধেক দিন পার হয়ে যায়। অতি সম্প্রতি কানে এল, জ্বালানি সাশ্রয় করার মহৎ উদ্দেশ্যে অফিস সময় এক ঘণ্টা কমিয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত করে দেওয়া হচ্ছে। আবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে মলত্যাগ করতে হবে, মানে শপিংমল বা ব্যবসা-বাণিজ্যও বন্ধ করে দিতে হবে। খবরটা শুনে আমার ওই ‘বোকামন’টা কেন জানি খচখচ করছে। সমস্যাটা নাকি জ্বালানি তেল নিয়ে। কিন্তু অফিস সময় কম হলে বা শপিংমল বন্ধ করে দিলে ইমপ্যাক্টটা কোথায় কীভাবে পড়বে—এই গাণিতিক রহস্যটাই মেলাতে পারছি না। আমি অবশ্য অঙ্কে বরাবরই কাঁচা, বয়স বাড়লেও মাথাটা আর পাকল না!

অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ও মানবিক মর্যাদা পুনরুদ্ধার
অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ও মানবিক মর্যাদা পুনরুদ্ধার

অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন ও মানবিক মর্যাদা পুনরুদ্ধার

প্রতি বছর ২৭শে ফেব্রুয়ারি সারাবিশ্বের কিছু দেশে বিশ্ব এনজিও দিবস পালন করা হয়। বিশ্ব এনজিও দিবস এর একটি সংক্ষিপ্ত কিন্তু সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে। বিশ্ব এনজিও দিবস সারাবিশ্বে সমাজ উন্নয়নে নিরন্তর কাজ করে যাওয়া বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থাসমূহের জন্য একটি বৈশ্বিক উপলক্ষ হিসেবে উদযাপিত হচ্ছে এটি এনজিওদের মাথাউঁচু করে দাড়াবার স্বীকৃতি, এটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে উন্নয়নের অংশীদারীত্বের স্বীকৃতি। বর্তমানে বিশ্বের ৮৯ টিরও বেশি দেশে এ দিবসটি সাড়ম্বরে উদযাপিত হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি যে বাংলাদেশ এনজিও’র সুতিকাগার হলেও এখানে দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয় না।