বগুড়ায় খাল খননে অ্যাসকেভেটর ব্যবহারের জেরে ভাঙছে কৃষিজমি
‘অনেক আপত্তি করেছিলাম। কেউ কথা শোনেননি। অ্যাসকেভেটর দিয়ে খাল গভীর করে খনন করায় এখন জমি ভেঙে খালের মধ্যে চলে যাচ্ছে। আমার জমির মাঝখান দিয়ে খাল কেটে দেওয়ায় দুই পাশেই ভাঙন শুরু হয়েছে।’
‘অনেক আপত্তি করেছিলাম। কেউ কথা শোনেননি। অ্যাসকেভেটর দিয়ে খাল গভীর করে খনন করায় এখন জমি ভেঙে খালের মধ্যে চলে যাচ্ছে। আমার জমির মাঝখান দিয়ে খাল কেটে দেওয়ায় দুই পাশেই ভাঙন শুরু হয়েছে।’
বাড়ি বাড়ি জ্বলে আলো। ঘুরে ফ্যান, চলে ফ্রিজ, টেলিভিশন ও এসি। আরও নানান ব্যবহার রয়েছে বিদ্যুতের। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুতের ব্যবহারে রয়েছে ভিন্নতা। বিদ্যুতের এই পেছনে থাকে একটা সাধারণ হিসাব। মাস শেষে বিদ্যুৎ বিলের হিসাব।
বার্ধক্যজনিত নানা রোগে আক্রান্ত বৃদ্ধ মোবারককে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান স্বজনরা। হাসপাতালে ভর্তির পর প্রথমেই মোবারককে রাখা হয় তৃতীয় তলার মেঝেতে। স্বজনদের জানানো হয়, কোনো বেড খালি নেই। তবে এর কিছুক্ষণ পরই তরিকুল নামের এক ওয়ার্ডবয় এসে বলেন, বেডের ব্যবস্থা করা যাবে, এর বদলে তাকে দিতে হবে ১০০ টাকা বকশিশ। সেই বকশিশ দেওয়ার পরই মোবারকের ভাগ্যে জুটে বেডে শুয়ে মৃত্যু।
কেউ সাত বছর, কেউ পাঁচ আর কেউবা দুই বছর আগে কাঁটাতারের বেড়া পেরিয়ে অবৈধভাবে ভারতে গিয়েছিলেন। সেখানে চেন্নাইয়ের পোশাক কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন তারা। অবশেষে গ্রেপ্তার হয়ে কারাভোগের পর দেশে ফিরেছেন ২৮ জন বাংলাদেশি শ্রমিক। তাদের অধিকাংশই বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার বাসিন্দা।
বাগেরহাটে হযরত খান জাহান আলী (র.) মাজার সংলগ্ন দিঘিতে সাত বছরের শিশু ফাতেমা আক্তারের মৃত্যুকে শুধু একটি দুর্ঘটনা বলে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। কারণ এই মৃত্যুর আগে একাধিক সতর্ক বার্তা ছিল। রয়েছে অতীতের প্রাণহানির ঘটনাও।
ঈদের ছুটিতে পরিবার নিয়ে গাজীপুর থেকে লালমনিরহাটের পথে বেরিয়েছিলেন ইমরান হোসাইন। সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী রেহেনা খাতুন ও সাড়ে চার বছরের মেয়ে ইনতেফা। পরিকল্পনা ছিল শ্বশুরবাড়িতে ঈদ করে পরদিন নাটোরের সিংড়ায় নিজ বাড়ি ফিরবেন।