বিশেষ লেখা
গানের ভাব ও দর্শনের সঙ্গে একাত্ম হলেই একজন শিল্পী শ্রোতার মন জয় করতে পারেন: ঊর্বী সোম
নজরুল সংগীত ও উচ্চাঙ্গসংগীতের একজন স্বনামধন্য শিল্পী, শিক্ষক ঊর্বী সোম। সরকারি সংগীত কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী হিসেবে তিনি একই প্রতিষ্ঠান থেকে বি. মিউজিক এবং নজরুল সংগীতে প্রথম শ্রেণিতে এম. মিউজিক সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে সরকারি সংগীত কলেজেই শিক্ষকতা করছেন তিনি। বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি এবং কেন্দ্রীয় নজরুল সংগীত শিল্পী পরিষদের তালিকাভুক্ত এই শিল্পী নজরুল সংগীতে জাতীয় পর্যায়ে অসংখ্য প্রথম পুরস্কার ও স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন। পদ্মকুঁড়ি (২০০৩), জিসাস জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, আন্তঃকলেজ জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা (২০১৫) এবং জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ (২০১৬)-এ প্রথম স্থান অর্জন তাঁর উল্লেখযোগ্য সাফল্যের অংশ।
জনপ্রশাসনে চুক্তিভিত্তিক রদবদল: প্রশাসনে কঠোর বার্তা
জনপ্রশাসনের শীর্ষ ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তিভিত্তিক সিনিয়র সচিব মো. এহছানুল হককে সরিয়ে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য করা হয়েছে। তাঁর জায়গায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের চুক্তিভিত্তিক সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে বদলি করে পদায়ন করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রশাসনের তিন কর্মকর্তাকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তিন মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
ভাদ্রের গরমে হাঁসফাঁস, আশ্বিনে শীতের আভাস
ভাদ্রের দুপুর। জানালার বাইরে রোদ ঝলসে দিচ্ছে উঠোন। বাতাস বইছে, অথচ শরীরে তার কোনো শীতলতা নেই। ঘামের আস্তরণে ভিজে যাচ্ছে কপাল, ঘাড়, পিঠ। ফ্যানের নিচেও যেন বাতাস গরম। তার ওপর ঘন ঘন লোডশেডিং—বিদ্যুৎ চলে গেলেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ফ্যান, ঘরের চার দেয়াল মুহূর্তেই হয়ে উঠছে উত্তপ্ত বাক্স। বাইরে বৃষ্টি নামার অপেক্ষা, ভেতরে স্বস্তির অপেক্ষা—দুই-ই যেন দীর্ঘ হচ্ছে। এই ভ্যাপসা গরমের সঙ্গে এবার যোগ হয়েছে বৈশ্বিক আবহাওয়ার আরেক অস্বস্তিকর বার্তা—শক্তিশালী হয়ে উঠছে এল নিনো।
প্রতি ২০ মিনিটে একটি শিশু নিখোঁজ, ফেরার হিসাব নেই কারও কাছে
বাংলাদেশের শিশু নিখোঁজের হার আশংকাজনক হারে বেড়ে চলেছে বলে বিভিন্ন সূত্রে খবর পাওয়া যাচ্ছে। আর বাংলাদেশ পুলিশের কাছে সংরক্ষিত তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সাত মাসে গড়ে প্রতি ২০ থেকে ২১ মিনিটে একটি শিশুর নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ থানায় এসেছে।
চার খুনের রাত, রংপুরের সেই বাড়িতে সেদিন কী ঘটেছিল?
রংপুরের দাসপাড়া গ্রামে একই পরিবারের চার সদস্য খুন হওয়ার পরও যেন নীরব পুরো পাড়া। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় একটি বাড়িতে চারজন মানুষ খুন হলেন, অথচ পাশের বাড়ির বাসিন্দারা বলছেন—তাঁরা কিছুই জানেন না, কোনো চিৎকারও শোনেননি।
রোহিঙ্গা সংকটের ৯ বছর: বাড়ি ফেরার অপেক্ষার শেষ কোথায়?
নয় বছর আগে এই মাসে মিয়ানমারে সংঘটিত নৃশংস সামরিক অভিযান থেকে বাঁচতে রাখাইন রাজ্য থেকে প্রায় ১২ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে এসেছিলেন। তারা আসার সময় বিশ্বাস করেছিলেন; এটি একটি অস্থায়ী আশ্রয়, শীঘ্রই ফিরে যাওয়ার সুযোগ পাবেন নিজেদের দেশে। কিন্তু নয় বছর পেরিয়ে গেলেও সেই প্রতীক্ষা আজও শেষ হয়নি তাদের। বরং দিন যাওয়ার সাথে সাথে অস্থায়ী আশ্রয় যেন চিরস্থায়ী নির্বাসনে পরিণত হয়েছে।
কেন সন্দেহের তালিকায় মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ, যা বলছে পুলিশ
রংপুর মহানগরের কামালকাছনা মাছুয়াপাড়া (দাসপাড়া) এলাকায় গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের তিন সদস্য হত্যার ঘটনায় কেন মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ চন্দ্র দাস পুলিশের সন্দেহের তালিকায় এলেন, তা খোলাসা করেছেন রংপুর মহানগর ডিবি পুলিশ। পাশাপাশি স্থানীয়দের বরাতে উঠে এসেছে গ্রেপ্তারের আগে-পরের বেশ কিছু খুঁটিনাটি তথ্য।
কৈলাস থেকে নেমে এলো মৃত্যুর স্রোত, উষ্ণ পৃথিবীতে বরফের অভিশাপ
কৈলাস—পুরাণের দেবভূমি। যেখানে তুষারের শুভ্রতার মধ্যে মহাদেবের আবাস, যেখানে পাহাড়ের নীরবতাকে মানুষ যুগ যুগ ধরে পবিত্রতার ভাষা বলে জেনে এসেছে। সেই কৈলাসের কাছেই এবার নেমে এলো অন্য এক স্রোত—পানি নয় শুধু, বরফ, পাথর, কাদা আর মৃত্যুর স্রোত। মুহূর্তে বদলে গেল হিমালয়ের চিরচেনা দৃশ্যপট। সবুজ পাহাড় চাপা পড়ল ধূসর ধ্বংসস্তূপে, নদী পরিণত হলো উন্মত্ত স্রোতে, আর তীর্থযাত্রার পথে থাকা মানুষের দেখলো যমদূতকে।
গণপতি চক্রবর্তীর স্ত্রী-কন্যার শরীরে ধর্ষণের আলামত নিয়ে ডোম ও চিকিৎসকের ভিন্ন বক্তব্য
রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর হত্যাকাণ্ডের পর তার স্ত্রী ও মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে যে সন্দেহ তৈরি হয়েছিল, সে বিষয়ে ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দিয়েছেন ডোম ও ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক।
রাবিতে ১৬ মাসেও প্রতিবেদন জমা হয়নি ১৬ সদস্যের সত্যানুসন্ধান কমিটির
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ২০০৯ সাল থেকে অবকাঠামো নির্মাণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি-অনিয়ম, নিয়োগ ও পদোন্নতিতে অনিয়ম এবং ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে নির্যাতন ও হয়রানির অভিযোগ অনুসন্ধানে ১৬ সদস্যের সত্যানুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়। তবে কমিটি গঠনের ১৬ মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো তদন্ত প্রতিবেদন জমা পড়েনি। এতে কমিটির কার্যক্রম ও প্রতিবেদন প্রকাশ নিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে।