শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হোক
একজন শিশু যখন নির্যাতনের শিকার হয়, তখন শুধু তার শরীর বা মনই ক্ষতবিক্ষত হয় না; ক্ষতবিক্ষত হয় রাষ্ট্রের বিবেকও। কিন্তু সেই শিশুই যখন ন্যায়বিচারের আশায় বছরের পর বছর আদালতের সিঁড়ি ভাঙে, একই ঘটনার বর্ণনা বারবার দিতে বাধ্য হয় কিংবা অভিযুক্তের উপস্থিতিতে আতঙ্কে কুঁকড়ে যায়, তখন বিচারব্যবস্থাও অনিচ্ছাকৃতভাবে সেই নির্যাতনেরই অংশ হয়ে ওঠে। বিচার বিলম্বিত হলে শুধু একটি মামলার নিষ্পত্তি পিছিয়ে যায় না, একজন শিশুর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসাও বিলম্বিত হয়। তাই শিশু নির্যাতনের বিচার আর সাধারণ মামলার গতিতে চলতে পারে না।