Views Bangladesh Logo

কূটনীতি

অভিবাসন: এক অন্তহীন আলোচনার বিষয়
অভিবাসন: এক অন্তহীন আলোচনার বিষয়

কূটনীতি

অভিবাসন: এক অন্তহীন আলোচনার বিষয়

বাংলাদেশের মানিকগঞ্জ জেলার বাসিন্দা হতদরিদ্র বজলুর রহমানের (২৮) দুরবস্থার কথা শুনে আমি স্তম্ভিত হয়ে পড়েছিলাম। তিনি সম্প্রতি আফ্রিকার দেশ উগান্ডা থেকে তিন সপ্তাহ পর দেশে ফিরেছেন। ইতালিতে অভিবাসী শ্রমিক হিসেবে যাওয়ার জন্য তিনি গ্রামের বাড়ির সংলগ্ন তার সমস্ত জমি বিক্রি করেছিলেন এবং ঢাকার একটি ভুয়া ট্রাভেল এজেন্সির দালালের হাতে ১০ লাখ টাকা তুলে দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই দালাল প্রতারণা করে তাকে ইতালিতে পাঠানোর কথা বলে উগান্ডায় পাঠিয়ে দেয়! সেখানে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে এবং ১৭ দিন কারাভোগের পর তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।

তিস্তা মহাপরিকল্পনা: বাংলাদেশের স্বার্থে কেন জরুরি?
তিস্তা মহাপরিকল্পনা: বাংলাদেশের স্বার্থে কেন জরুরি?

কূটনীতি

তিস্তা মহাপরিকল্পনা: বাংলাদেশের স্বার্থে কেন জরুরি?

বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের কোটি মানুষের জীবন-মরণের সাথে জড়িয়ে আছে তিস্তা প্রকল্প।ভারতের গজলডোবা বাঁধের প্রভাবে সংকটে পড়া তিস্তা নদীকে পুনরুজ্জীবিত করতে বাংলাদেশের এই মেগা প্রকল্প শেষ পর্যন্ত বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

কেন দিনেশ ত্রিবেদীকে ঢাকায় পাঠাচ্ছে দিল্লী?
কেন দিনেশ ত্রিবেদীকে ঢাকায় পাঠাচ্ছে দিল্লী?

কূটনীতি

কেন দিনেশ ত্রিবেদীকে ঢাকায় পাঠাচ্ছে দিল্লী?

দিনেশ ত্রিবেদী ঢাকায় আসছেন। এই খবরে বেশ কৌতুহল, উত্তেজনা ঢাকার কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক মহলে। ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে অনেকেই এসেছেন, ভবিষ্যতেও অনেকে আসবেন। কিন্তু দিনেশ ত্রিবেদী দায়িত্ব গ্রহণের আগেই এখন পর্যন্ত ঢাকায় দায়িত্ব পালন করা ভারতের হাইকমিশনারদের মধ্যে ‘অনন্য’ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন। কারণ তিনি পেশাদার কূটনীতিক নন, কোনও উচ্চপদস্থ আমলাও নন, বরং ভারতের রাজনীতির মাঠের শীর্ষ পর্যায়ের একজন ব্যক্তিত্ব, যিনি এর আগে লোকসভার সদস্য ছিলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। আবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেসেরও প্রথম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। অতএব কেন এ ধরনের একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাকে দিল্লী থেকে ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে, তা নিয়ে কৌতূহল কিংবা প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।

যুদ্ধের ভয়ঙ্কর রূপান্তর যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা
যুদ্ধের ভয়ঙ্কর রূপান্তর যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা

কূটনীতি

যুদ্ধের ভয়ঙ্কর রূপান্তর যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা

মানুষের ইতিহাসে যুদ্ধ অনেক পুরোনো। পাথর দিয়ে, লাঠি দিয়ে, তলোয়ার দিয়ে, কামান-বন্দুক দিয়ে মারামারির পর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কালে মানুষ পৌঁছে গেছে পারমাণবিক যুগে।

জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্য দেশের ১৫১টি ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়ার পরও কেন এমন বাস্তবতা
জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্য দেশের ১৫১টি ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়ার পরও কেন এমন বাস্তবতা

কূটনীতি

জাতিসংঘের ১৯৩ সদস্য দেশের ১৫১টি ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়ার পরও কেন এমন বাস্তবতা

২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজায় নতুন করে নির্বিচার হামলা শুরু করে ইসরায়েল। দুই বছর হতে চলল, গাজায় নিহতের সংখ্যা এরই মধ্যে ৬৫ হাজার ছাড়িয়েছে। ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ উপত্যকাটির ২১ লাখ বাসিন্দার প্রায় সবাই একাধিকবার বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। সম্প্রতি গাজার বৃহত্তম শহর গাজা নগরীতে সর্বাত্মক হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল। উদ্দেশ্য একটাই, জনবহুল এই নগরী পুরোপুরি খালি করে দখলে নেওয়া। এ পরিস্থিতিতে যুদ্ধ ও জাগিত নিধন বন্ধে ইসরায়েলকে বাধ্য করতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্যসহ অন্যান্য পশ্চিমা দেশের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ ক্রমেই বাড়ছে।

যে কারণে ভূ-রাজনীতির নয়া কেন্দ্র হয়ে উঠেছে ইরানের চাবাহার বন্দর
যে কারণে ভূ-রাজনীতির নয়া কেন্দ্র হয়ে উঠেছে ইরানের চাবাহার বন্দর

কূটনীতি

যে কারণে ভূ-রাজনীতির নয়া কেন্দ্র হয়ে উঠেছে ইরানের চাবাহার বন্দর

রাশিয়াকে জব্দ করতে ভারতীয় পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক চাপিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভারত যাতে রাশিয়া থেকে তেল কেনা বন্ধ করে, সেটাই যুক্তরাষ্ট্রের চাওয়া। কারণ ভারত রাশিয়া থেকে অপরিশোধিত তেল কিনে সেই তেল পরিশোধন করে রপ্তানি করে। যুক্তরাষ্ট্র মনে করে ভারতের কাছে তেল বিক্রি করেই রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ চালিয়ে যেতে সক্ষম হচ্ছে। এবার ইরানকে কোণঠাসা করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নতুন কৌশল নিয়ে আগাচ্ছে। ইরানের চাবাহার বন্দর যারাই ব্যবহার করবে তাদের ওপর জরিমানা বা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। বাণিজ্যিক ও কৌশলগত কারণে ভারতের কাছে ইরানের চাবাহার সমুদ্রবন্দর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমানে ১০ বছরের চুক্তিতে ইরানের সঙ্গে যৌথভাবে চাবাহার বন্দর পরিচালনা করছে ভারত।

নেপালের জেন জিদের সাংকেতিক বার্তা
নেপালের জেন জিদের সাংকেতিক বার্তা

কূটনীতি

নেপালের জেন জিদের সাংকেতিক বার্তা

সম্প্রতি নেপালে ঘটে যাওয়া বিক্ষোভকে নাম দেয়া হয়েছে ‘জেন জি বিপ্লব’। এই আন্দোলন নানাভাবে বিশ্বকে বিস্মিত করেছে। প্রথতম, এটি ছিল একটি স্বতঃস্ফূর্ত গণজাগরণ। যখন প্রতিষ্ঠিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ ছিল তখন জেন জিদের তৎপরতায় নেপালজুড়ে গণআন্দোলন শুরু হয়। দ্বিতীয়ত, যে বিষয়টি বিস্ময়কর, শুরু হওয়ার পর মাত্র দুদিনেই এর পরিসমাপ্তি ঘটে। অনমনীয়, একরোখা শাসনব্যবস্থার পতন ঘটায়। ছিটকে পড়ে পুরোনো শাসনব্যবস্থা। আরও বিস্ময়কর হলো এই বিক্ষোভে বিশেষ কোনো নেতৃত্বস্থানীয় ব্যক্তি ছিল না। কোনো কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ ছিল না। ঘোষিত কোনো কর্মপরিকল্পনা ছাড়াই, সমন্বিত উদ্যোগে এই আশ্চর্যজনক গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয়। সত্যিই আশ্চর্যজনক ঘটনাই বটে!

ট্রাম্পের হুমকি কেন নিষ্ক্রিয় হয়ে যাচ্ছে?
ট্রাম্পের হুমকি কেন নিষ্ক্রিয় হয়ে যাচ্ছে?

কূটনীতি

ট্রাম্পের হুমকি কেন নিষ্ক্রিয় হয়ে যাচ্ছে?

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক ব্যবস্থার প্রধান দুর্বলতা হলো যখন শেয়ারবাজারে বড় ধস নামে তখন উচ্চ পরিমাণে ঋণ নেওয়া ও প্রায় নিয়ন্ত্রণহীন হেজ ফান্ডগুলো টিকতে না পেরে হঠাৎ করে নগদ অর্থ জোগাড়ের জন্য সরকারি বন্ডসহ নানা সম্পদ বিক্রি করে দেয়।

নেপালের রাজনৈতিক পরিবর্তনকে কেন বাংলাদেশের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে?
নেপালের রাজনৈতিক পরিবর্তনকে কেন বাংলাদেশের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে?

কূটনীতি

নেপালের রাজনৈতিক পরিবর্তনকে কেন বাংলাদেশের সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে?

হিমালয়ের পাদদেশের দেশ নেপাল। আয়তনে বাংলাদেশের সমান, লোকসংখ্যা তিন কোটির কিছু বেশি। ছোট দেশ বলা হলেও একে ছোট দেশ বলা যায় না। তবুও ছোট দেশ বলা হয় অর্থনীতির আকারের কারণে। মূলত কৃষি, রেমিট্যান্স এবং পর্যটননির্ভর অর্থনীতি। তবে নেপালের ভূরাজনৈতিক অবস্থান একদিকে যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি ভীষণ স্পর্শকাতর। নেপালের দুই পাশে পৃথিবীর সবচেয়ে জনবসতিপূর্ণ ও বড় সামরিক শক্তির দেশ চীন এবং ভারত। নেপালের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কটা বরাবরই অম্ল-মধুর। নেপালে বিভিন্ন সময় ক্ষমতার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কেও পরিবর্তন এসেছে। অন্যদিকে চীনের সঙ্গেও নেপালের সম্পর্কও ওঠানামা করেছে।

হঠাৎ কেন নেপালে তরুণদের রক্তাক্ত বিক্ষোভ, রহস্য কী?
হঠাৎ কেন নেপালে তরুণদের রক্তাক্ত বিক্ষোভ, রহস্য কী?

কূটনীতি

হঠাৎ কেন নেপালে তরুণদের রক্তাক্ত বিক্ষোভ, রহস্য কী?

হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত নেপাল ভৌগোলিক বৈচিত্র্য, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সমৃদ্ধ ইতিহাসের জন্য সুপরিচিত হলেও রাষ্ট্র হিসেবে এর যাত্রাপথ মোটেও মসৃণ নয়। স্বাধীনতার পর থেকে দেশটি নানা রাজনৈতিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্যে দিয়ে গেছে। কখনো রাজতন্ত্র, কখনো গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, আবার কখনো সামরিক প্রভাব- নানা ধাপ অতিক্রম করতে হয়েছে। ২০০৮ সালে রাজতন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে প্রজাতন্ত্রে রূপান্তরিত হওয়ার পর নেপালবাসী এক নতুন ভবিষ্যতের আশায় বুক বেঁধেছিল। জনগণের প্রত্যাশা ছিল, বহু বছরের অস্থিরতার পর এবার দেশে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠিত হবে, দুর্নীতি কমবে, উন্নয়ন হবে সমভাবে সবার জন্য, আর রাষ্ট্র পরিচালনায় আসবে স্বচ্ছতা। কিন্তু দুঃখজনকভাবে সেই প্রত্যাশা এখনো পূরণ হয়নি।

...

ট্রেন্ডিং ভিউজ