Views Bangladesh Logo
author image

অঞ্জন কর

  • থেকে

ছয় মাসে সরকারের পথচলা: প্রতিশ্রুতির ভার বনাম বাস্তবতার কষ্টিপাথর
ছয় মাসে সরকারের পথচলা: প্রতিশ্রুতির ভার বনাম বাস্তবতার কষ্টিপাথর

ছয় মাসে সরকারের পথচলা: প্রতিশ্রুতির ভার বনাম বাস্তবতার কষ্টিপাথর

গত ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন তারেক রহমান। সেই দিন থেকে আজ পর্যন্ত সময়ের হিসাবে পেরিয়ে গেছে ঠিক ছয় মাস বা ১৮০ দিন। সংখ্যায় সময়টা হয়তো খুব বেশি নয়, কিন্তু একটি রাষ্ট্রের জন্য ছয় মাস কখনো কখনো এক দশকের সমান ভারী হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ঝড় সামলে যখন কোনো সরকার নতুন করে রাষ্ট্রের হাল ধরে, তখন প্রথম ছয় মাস আর নিছক ক্যালেন্ডারের কয়েকটি পাতা থাকে না; তা হয়ে ওঠে জনআস্থা ও রাষ্ট্রক্ষমতার মধ্যকার এক নীরব পরীক্ষার মঞ্চ। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির খাতায় লেখা স্বপ্নগুলো বাস্তবের কঠিন মাটিতে কতটা শিকড় গাড়তে পেরেছে, আর কতটা রয়ে গেছে কেবল কালিতে লেখা শব্দ হয়ে; এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার মধ্য দিয়েই শুরু হয় সরকারের আসল পরীক্ষা।

রেকর্ডের রাজত্বে কিলিয়ান এমবাপ্পে: বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলে ছাড়িয়ে গেলেন মেসিকে
রেকর্ডের রাজত্বে কিলিয়ান এমবাপ্পে: বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলে ছাড়িয়ে গেলেন মেসিকে

রেকর্ডের রাজত্বে কিলিয়ান এমবাপ্পে: বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলে ছাড়িয়ে গেলেন মেসিকে

ফুটবল ইতিহাস মাঝেমধ্যে নীরবেই মুকুট বদলায়। কোনো ঘোষণা থাকে না, থাকে না রাজ্যাভিষেকের বাজনা; শুধু বলের জালে জড়ানোর একটা মুহূর্ত, আর তাতেই বদলে যায় শতাব্দীর হিসাব। মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে ঠিক তেমনই এক মুহূর্তের সাক্ষী হলো ফুটবল বিশ্ব। যে সিংহাসনে দীর্ঘদিন ধরে একচ্ছত্র রাজত্ব করছিলেন লিওনেল মেসি, বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী এক রোমাঞ্চকর রাতে নিঃশব্দে সেই আসনে বসে পড়লেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। ২১ গোলের যে রেকর্ড এতদিন ছুঁতে পারেনি কেউ, ২৭ বছর বয়সী এই ফরাসি তারকা তা পেরিয়ে গেলেন এক ম্যাচের দুটি গোলে; আর ফুটবল পেল তার নতুন সর্বকালের সেরা গোলদাতাকে।

ম্যারাডোনা থেকে মেসি, ইংল্যান্ডের ধারাবাহিক দুঃস্বপ্নের নাম আর্জেন্টিনা
ম্যারাডোনা থেকে মেসি, ইংল্যান্ডের ধারাবাহিক দুঃস্বপ্নের নাম আর্জেন্টিনা

ম্যারাডোনা থেকে মেসি, ইংল্যান্ডের ধারাবাহিক দুঃস্বপ্নের নাম আর্জেন্টিনা

বিশ্বকাপের নকআউট মঞ্চে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের দেখা হওয়া মানেই ফুটবল ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা। এটি কেবল একটি ম্যাচ নয়, বরং কয়েক দশকের জমে থাকা আবেগ, তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা, বিতর্ক আর অসংখ্য অমর স্মৃতির পুনর্জাগরণ। প্রতিবারই এই দুই দলের লড়াই যেন সময়কে ফিরিয়ে নিয়ে যায় ম্যারাডোনার জাদু, যুদ্ধের প্রতীকী ছায়া আর মেসির শিল্পে আঁকা নতুন ইতিহাসের কাছে।

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর জয়, যন্ত্রণা এবং অমরত্ব
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর জয়, যন্ত্রণা এবং অমরত্ব

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর জয়, যন্ত্রণা এবং অমরত্ব

ফুটবল মাঠে জয়ের জন্য যা যা অর্জন করা সম্ভব, তার প্রায় সবই নিজের করে নিয়েছেন তিনি। ব্যক্তিগত পুরস্কার, ক্লাব ফুটবলের অসংখ্য শিরোপা, গোলের পর গোল আর রেকর্ডের পর রেকর্ড; সবকিছুর শীর্ষেই জ্বলজ্বল করছে তার নাম। তবু ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর গল্প শুধু ট্রফি কিংবা পরিসংখ্যানের গল্প নয়। পর্তুগালের মাদেইরার এক সাধারণ পরিবার থেকে উঠে আসা সেই ছেলেটির জীবন ছিল দারিদ্র্য, পারিবারিক সংকট, ত্যাগ আর নিরন্তর সংগ্রামে ভরা। প্রতিভার সঙ্গে কঠোর পরিশ্রম, অদম্য মানসিকতা আর কখনো হার না মানা জেদই তাকে পৌঁছে দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ শিখরে। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি ছিলেন ফুটবলের অন্যতম প্রধান মুখ, অনুপ্রেরণা এবং সাফল্যের প্রতীক। তবে এত অর্জনের পরও তার ক্যারিয়ারে একটি অপূর্ণতা থেকেই গেছে— বিশ্বকাপ ট্রফি। বহুবার চেষ্টা করেও ফুটবলের সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত শিরোপাটি ছুঁয়ে দেখা হয়নি তার। সেই অপূর্ণতাই যেন তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের একমাত্র না-পাওয়া হয়ে রয়ে গেল।

শিশুদের নিষ্পাপ হৃদয়ে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ফুটবল উন্মাদনা
শিশুদের নিষ্পাপ হৃদয়ে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ফুটবল উন্মাদনা

শিশুদের নিষ্পাপ হৃদয়ে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার ফুটবল উন্মাদনা

বাংলাদেশে ফুটবল বিশ্বকাপ এলেই এক বিশেষ দৃশ্য চোখে পড়ে। গ্রামের মেঠোপথ থেকে শুরু করে শহরের অলিগলি, স্কুলের মাঠ থেকে ছাদের রেলিং—সব জায়গায় উড়তে থাকে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার পতাকা। আশ্চর্যের বিষয় হলো, অনেক শিশুই এসব দেশের ইতিহাস, ফুটবল ঐতিহ্য কিংবা খেলোয়াড়দের সম্পর্কে কিছু না জেনেও কোনো একটি দলের সমর্থক হয়ে যায়। প্রশ্ন হলো, কেন বাংলাদেশের শিশুরা বুঝে না বুঝে ব্রাজিল বা আর্জেন্টিনাকে সমর্থন করে? এর পেছনে রয়েছে সামাজিক, পারিবারিক, সাংস্কৃতিক ও মনস্তাত্ত্বিক নানা কারণ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: ফুটবল মহাযুদ্ধের নতুন অধ্যায়, নতুন স্বপ্নের বিশ্বমঞ্চ
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: ফুটবল মহাযুদ্ধের নতুন অধ্যায়, নতুন স্বপ্নের বিশ্বমঞ্চ

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: ফুটবল মহাযুদ্ধের নতুন অধ্যায়, নতুন স্বপ্নের বিশ্বমঞ্চ

ফুটবল শুধু একটি খেলা নয়; এটি আবেগ, উন্মাদনা, সংস্কৃতি এবং বিশ্বব্যাপী কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ের স্পন্দন। চার বছর পরপর অনুষ্ঠিত হওয়া ফিফা বিশ্বকাপ পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ক্রীড়া আস; যেখানে ভাষা, ধর্ম, জাতি কিংবা ভৌগোলিক সীমারেখা ভুলে মানুষ একত্রিত হয় একটি বলের পেছনে ছুটে চলা ২২ জন খেলোয়াড়কে ঘিরে। আজ শুরু হচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬। ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে বিস্তৃত এই বিশ্বকাপকে ঘিরে ইতোমধ্যেই সারা বিশ্বে তৈরি হয়েছে উৎসবের আবহ।