Views Bangladesh Logo
author image

সাজ্জাদুল ইসলাম নয়ন

  • সাংবাদিক

  • থেকে

‘কারিডোরে’ পৃথিবী জুড়ছে পথ, আমরা খুঁজছি দিশা
‘কারিডোরে’ পৃথিবী জুড়ছে পথ, আমরা খুঁজছি দিশা

‘কারিডোরে’ পৃথিবী জুড়ছে পথ, আমরা খুঁজছি দিশা

পৃথিবীর মানচিত্র মেলে ধরলে এখন মনে হয়, বড়সড় একটি বাড়িতে মেরামতের কাজ চলছে। কেউ পাহাড় কেটে রেল বসাচ্ছে, কেউ মরুভূমিতে সড়ক টানছে, কেউ বন্দরের সঙ্গে বন্দর জুড়ছে। চীন ইউরোপে পৌঁছানোর পথ বাড়াচ্ছে, ভারত আরব উপদ্বীপ হয়ে পশ্চিমে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে। কাজাখস্তান, তুরস্ক, লাওস—সবাই নিজের উঠান দিয়ে বাণিজ্যের চলাচল বাড়াতে ব্যস্ত। বাংলাদেশ বসে আছে এমন এক মোড়ে, যার চারদিকে সম্ভাবনা। শুধু আমাদের যাত্রার ঠিকানাটি এখনও পরিষ্কার নয়।

এআইয়ের দৌড়ে এগোচ্ছে চীন, চাকরি হারানোর দৌড়ে তরুণরা
এআইয়ের দৌড়ে এগোচ্ছে চীন, চাকরি হারানোর দৌড়ে তরুণরা

এআইয়ের দৌড়ে এগোচ্ছে চীন, চাকরি হারানোর দৌড়ে তরুণরা

চীন এখন ভবিষ্যতের দিকে দৌড়াচ্ছে। হাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, পাশে রোবট, সামনে প্রযুক্তির নতুন সাম্রাজ্য। কিন্তু সেই দৌড়ের ধুলোয় পিছনে পড়ে যাচ্ছে আরেকটি দৃশ্য—বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদ্য বের হওয়া তরুণ, কম্পিউটারের সামনে বসে থাকা মাঝারি দক্ষতার প্রোগ্রামার, অনুবাদক, গবেষক, অফিসকর্মী। যন্ত্র শিখছে দ্রুত; মানুষ কাজ হারাচ্ছে আরও দ্রুত—যেটা এখন দৃশ্যমান।

ট্রাম্পের ছায়াতলে ডলার যুগের দুঃসময়
ট্রাম্পের ছায়াতলে ডলার যুগের দুঃসময়

ট্রাম্পের ছায়াতলে ডলার যুগের দুঃসময়

ডলারের বিপদ বাইরে থেকে যতটা, এখন যেন কিছুটা ঘরের ভেতর থেকেও। ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকাকে আবার মহান করতে চান—শুল্ক বাড়িয়ে, বাণিজ্যের দরজা মেপে, নিষেধাজ্ঞার চাবিটি আরও শক্ত করে হাতে ধরে। কিন্তু পৃথিবীর বাজার বড় বিচিত্র জায়গা। সেখানে কাউকে বেশি ভয় দেখালে একসময় সে বেঁকে বসে; তখন সে বিকল্প দরজাটি কোথায়, সেটিও খুঁজতে শুরু করে। ব্রিকস এখন সেই পাশের দরজা খুঁজছে।

গণতন্ত্রের পায়ের কাছে গুটিসুটি মেরে পড়ে থাকে আফগান উদ্বাস্তু জীবন
গণতন্ত্রের পায়ের কাছে গুটিসুটি মেরে পড়ে থাকে আফগান উদ্বাস্তু জীবন

গণতন্ত্রের পায়ের কাছে গুটিসুটি মেরে পড়ে থাকে আফগান উদ্বাস্তু জীবন

দিনটি ছিল ১৬ আগস্ট ২০২১। তার আগের দিন তালেবান কাবুল দখল করেছে। মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের শেষ অধ্যায় তখনও চলছে। কাবুলের হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সেদিন যে দৃশ্য তৈরি হয়েছিল, সেটিকে শুধু বিশৃঙ্খলা বললে সম্ভবত কম বলা হয়। সেটি ছিল একটি দেশের মানুষের হঠাৎ বুঝতে পারা—নিজের মাটিতেও আর নিরাপদ থাকার নিশ্চয়তা নেই।

বাংলাদেশের সামনে ভূগোলের নতুন পাঠ
বাংলাদেশের সামনে ভূগোলের নতুন পাঠ

বাংলাদেশের সামনে ভূগোলের নতুন পাঠ

পৃথিবী এখন বড়ই অস্থির। চারদিকে যুদ্ধের দামামা, শক্তির নতুন বিন্যাস, পুরোনো মানচিত্রে নতুন করে ঘষামাজা। মানচিত্রেরও একটি নীরব ভাষা আছে। শান্তির সময়ে যে মরুভূমি, পাহাড় কিংবা স্থলবেষ্টিত অঞ্চলকে নিছক কয়েকটি রঙের খোপ বলে মনে হয়, যুদ্ধ শুরু হলেই তার দাম নতুন করে নির্ধারিত হয়। তখন একটি বন্দর আর শুধু বন্দর থাকে না, রেললাইন হয়ে ওঠে কৌশলগত সম্পদ, একটি প্রণালি হয়ে ওঠে বিশ্বের জ্বালানি-শিরা, আর প্রতিবেশী রাষ্ট্র কখনো বাজার, কখনো করিডর, কখনো নিরাপত্তার ঢাল।

সমুদ্রের বুকে বন্দর, দিগন্তে শক্তির ছায়া
সমুদ্রের বুকে বন্দর, দিগন্তে শক্তির ছায়া

সমুদ্রের বুকে বন্দর, দিগন্তে শক্তির ছায়া

য়তনে বিশাল কিন্তু স্বভাবে শান্ত। ভারত মহাসাগরকে দূর থেকে দেখলে এমনটাই মনে হয়। নীল জল। দীর্ঘ নৌপথ। সারি সারি বাণিজ্যিক জাহাজ। কিন্তু গত এক দশকে দৃশ্যটি বদলেছে। সমুদ্রের চারদিকে শুরু হয়েছে বড় বড় নির্মাণকাজ। কোথাও গভীর সমুদ্রবন্দর। কোথাও দীর্ঘ রানওয়ে। কোথাও সামরিক ঘাঁটি। সরকারি ভাষায় এগুলো বাণিজ্য, যোগাযোগ ও নিরাপত্তার প্রকল্প। তবে বন্দর নির্মাণের সঙ্গে প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত হিসাবও ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে।