Views Bangladesh Logo
author image

সাজ্জাদুল ইসলাম নয়ন

  • সাংবাদিক

  • থেকে

ট্রাম্পের ছায়াতলে ডলার যুগের দুঃসময়
ট্রাম্পের ছায়াতলে ডলার যুগের দুঃসময়

ট্রাম্পের ছায়াতলে ডলার যুগের দুঃসময়

ডলারের বিপদ বাইরে থেকে যতটা, এখন যেন কিছুটা ঘরের ভেতর থেকেও। ডোনাল্ড ট্রাম্প আমেরিকাকে আবার মহান করতে চান—শুল্ক বাড়িয়ে, বাণিজ্যের দরজা মেপে, নিষেধাজ্ঞার চাবিটি আরও শক্ত করে হাতে ধরে। কিন্তু পৃথিবীর বাজার বড় বিচিত্র জায়গা। সেখানে কাউকে বেশি ভয় দেখালে একসময় সে বেঁকে বসে; তখন সে বিকল্প দরজাটি কোথায়, সেটিও খুঁজতে শুরু করে। ব্রিকস এখন সেই পাশের দরজা খুঁজছে।

গণতন্ত্রের পায়ের কাছে গুটিসুটি মেরে পড়ে থাকে আফগান উদ্বাস্তু জীবন
গণতন্ত্রের পায়ের কাছে গুটিসুটি মেরে পড়ে থাকে আফগান উদ্বাস্তু জীবন

গণতন্ত্রের পায়ের কাছে গুটিসুটি মেরে পড়ে থাকে আফগান উদ্বাস্তু জীবন

দিনটি ছিল ১৬ আগস্ট ২০২১। তার আগের দিন তালেবান কাবুল দখল করেছে। মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের শেষ অধ্যায় তখনও চলছে। কাবুলের হামিদ কারজাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সেদিন যে দৃশ্য তৈরি হয়েছিল, সেটিকে শুধু বিশৃঙ্খলা বললে সম্ভবত কম বলা হয়। সেটি ছিল একটি দেশের মানুষের হঠাৎ বুঝতে পারা—নিজের মাটিতেও আর নিরাপদ থাকার নিশ্চয়তা নেই।

বাংলাদেশের সামনে ভূগোলের নতুন পাঠ
বাংলাদেশের সামনে ভূগোলের নতুন পাঠ

বাংলাদেশের সামনে ভূগোলের নতুন পাঠ

পৃথিবী এখন বড়ই অস্থির। চারদিকে যুদ্ধের দামামা, শক্তির নতুন বিন্যাস, পুরোনো মানচিত্রে নতুন করে ঘষামাজা। মানচিত্রেরও একটি নীরব ভাষা আছে। শান্তির সময়ে যে মরুভূমি, পাহাড় কিংবা স্থলবেষ্টিত অঞ্চলকে নিছক কয়েকটি রঙের খোপ বলে মনে হয়, যুদ্ধ শুরু হলেই তার দাম নতুন করে নির্ধারিত হয়। তখন একটি বন্দর আর শুধু বন্দর থাকে না, রেললাইন হয়ে ওঠে কৌশলগত সম্পদ, একটি প্রণালি হয়ে ওঠে বিশ্বের জ্বালানি-শিরা, আর প্রতিবেশী রাষ্ট্র কখনো বাজার, কখনো করিডর, কখনো নিরাপত্তার ঢাল।

সমুদ্রের বুকে বন্দর, দিগন্তে শক্তির ছায়া
সমুদ্রের বুকে বন্দর, দিগন্তে শক্তির ছায়া

সমুদ্রের বুকে বন্দর, দিগন্তে শক্তির ছায়া

য়তনে বিশাল কিন্তু স্বভাবে শান্ত। ভারত মহাসাগরকে দূর থেকে দেখলে এমনটাই মনে হয়। নীল জল। দীর্ঘ নৌপথ। সারি সারি বাণিজ্যিক জাহাজ। কিন্তু গত এক দশকে দৃশ্যটি বদলেছে। সমুদ্রের চারদিকে শুরু হয়েছে বড় বড় নির্মাণকাজ। কোথাও গভীর সমুদ্রবন্দর। কোথাও দীর্ঘ রানওয়ে। কোথাও সামরিক ঘাঁটি। সরকারি ভাষায় এগুলো বাণিজ্য, যোগাযোগ ও নিরাপত্তার প্রকল্প। তবে বন্দর নির্মাণের সঙ্গে প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত হিসাবও ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে।

একাত্তরের কালোছায়া বেলুচিস্তানে: মানচিত্র বদলায়, কৌশল বদলায় না
একাত্তরের কালোছায়া বেলুচিস্তানে: মানচিত্র বদলায়, কৌশল বদলায় না

একাত্তরের কালোছায়া বেলুচিস্তানে: মানচিত্র বদলায়, কৌশল বদলায় না

পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় ইতিহাসে ‘শান্তি’ শব্দটির একটি অস্বস্তিকর অতীত আছে। দেশটির রাজনীতিতে নির্বাচন হয়, সংসদ বসে, প্রধানমন্ত্রী শপথ নেন; কিন্তু ক্ষমতার পাশেই অদৃশ্য এক কাঁচের চেয়ারে বসে থাকে দেশটির সামরিক বাহিনীর প্রধান যিনি ক্ষমতার দিক থেকে দেশটির নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর চেয়েও শক্তিশালী। আর যখন কেন্দ্রের সঙ্গে কোনো প্রান্তের রাজনৈতিক সম্পর্ক ভেঙে পড়ে, তখন কথোপকথনের জায়গা খুব দ্রুত দখল করে নেয় নিরাপত্তার ভাষা। ১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তানে আমরা এই ভাষা শুনেছি, দেখেছিও। এখন পাকিস্তানের পশ্চিম প্রান্তের বেলুচিস্তানের দিকে তাকালে সেই পুরোনো অভিধানের কয়েকটি পাতাই যেনো সবার সামনে খুলে যায়।

শত্রু রুখতে প্রতিবেশীর হাতে বন্দুক: শান্তির নামে বিপজ্জনক খেলায় পাকিস্তান
শত্রু রুখতে প্রতিবেশীর হাতে বন্দুক: শান্তির নামে বিপজ্জনক খেলায় পাকিস্তান

শত্রু রুখতে প্রতিবেশীর হাতে বন্দুক: শান্তির নামে বিপজ্জনক খেলায় পাকিস্তান

রাষ্ট্রের হাতে বন্দুক থাকে। থাকাই স্বাভাবিক। সেই বন্দুকের সঙ্গে আইন থাকে, পোশাক থাকে, কমান্ড থাকে এবং অন্তত নীতিগতভাবে জবাবদিহির একটি কাঠামোও থাকে। পুলিশ ভুল করলে তাকে প্রশ্ন করা যায়। সেনাবাহিনীর অভিযান নিয়ে বিতর্ক হয়। সরকারের নিরাপত্তানীতি আদালত কিংবা সংসদে চ্যালেঞ্জ করা যায়। কিন্তু রাষ্ট্র যদি একদিন বলে, আমার বন্দুক যথেষ্ট নয়, এবার তুমি একটি বন্দুক নাও, তোমার পাশের বাড়ির মানুষটির দিকে নজর রাখো -তখন বিষয়টি আর কেবল নিরাপত্তার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। বন্দুকের সঙ্গে সমাজে ঢুকে পড়ে সন্দেহ। সন্দেহের সঙ্গে আসে পুরোনো শত্রুতা। আর একসময় দেখা যায়, যে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল রাষ্ট্র ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে, তার একটি অংশ নেমে এসেছে গ্রামের উঠোনে। এক প্রতিবেশী দাঁড়িয়ে গেছে অন্য প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে।