Views Bangladesh Logo

শত্রু রুখতে প্রতিবেশীর হাতে বন্দুকঃ শান্তির নামে বিপজ্জনক খেলায় পাকিস্তান

রাষ্ট্রের হাতে বন্দুক থাকে। থাকাই স্বাভাবিক। সেই বন্দুকের সঙ্গে আইন থাকে, পোশাক থাকে, কমান্ড থাকে এবং অন্তত নীতিগতভাবে জবাবদিহির একটি কাঠামোও থাকে। পুলিশ ভুল করলে তাকে প্রশ্ন করা যায়। সেনাবাহিনীর অভিযান নিয়ে বিতর্ক হয়। সরকারের নিরাপত্তানীতি আদালত কিংবা সংসদে চ্যালেঞ্জ করা যায়। কিন্তু রাষ্ট্র যদি একদিন বলে, আমার বন্দুক যথেষ্ট নয়, এবার তুমি একটি বন্দুক নাও, তোমার পাশের বাড়ির মানুষটির দিকে নজর রাখো -তখন বিষয়টি আর কেবল নিরাপত্তার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না। বন্দুকের সঙ্গে সমাজে ঢুকে পড়ে সন্দেহ। সন্দেহের সঙ্গে আসে পুরোনো শত্রুতা। আর একসময় দেখা যায়, যে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল রাষ্ট্র ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে, তার একটি অংশ নেমে এসেছে গ্রামের উঠোনে। এক প্রতিবেশী দাঁড়িয়ে গেছে অন্য প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে।

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি এখন সেরকমই। অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন ও বেলুচিস্তানের স্বাধীনতাকামী মানুষদের রুখতে পকিস্তান রাষ্ট্রীয়ভাবে তাদের তথ্য সংগ্রহ করতে স্থানীয়দের নিয়ে পিস কমিটি বা আমান লশকর নামে কমিটি করে তাদের হাতে অস্ত্র তুলে দিচ্ছে। পাকিস্তানের বর্তমান নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে ‘শান্তি কমিটি’ নামে অন্তত তিন ধরনের কাঠামো দেখা যায়। এগুলোকে কখনো ‘আমান লশকর’, কখনো ‘পিস কমিটি’, ‘পুলিশ আমান কমিটি’ কিংবা গ্রাম প্রতিরক্ষা কমিটি বলা হয়। এ ছাড়াও রয়েছে স্থানীয় সশস্ত্র প্রতিরোধ দল, উপজাতীয় আলোচনা বা জিরগা কমিটি এবং ধর্মীয় উগ্রবাদবিরোধী জাতীয় বেসামরিক কমিটি। সম্প্রতি এই স্থানীয় দলগুলোর কর্মকাণ্ড সেই পুরোনো প্রশ্নটিই নতুন করে সামনে এনেছে; ‘নাগরিককে নিরাপত্তা দিতে নাগরিককেই অস্ত্র ধরিয়ে তার প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে দাঁড় করাবে?’ নামগুলো শুনলে মনে হয় শান্তির আয়োজন। ‘আমান’ মানে শান্তি, ‘পিস’ও শান্তি। শুধু সেই শান্তি প্রতিষ্ঠার উপকরণটি কখনো কখনো বন্দুক।

এখানেই প্রশ্নটি এসে দাঁড়ায়, নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্র কি আরেক নাগরিককে সশস্ত্র করে তার প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে দাঁড় করাতে পারে?

প্রশ্নটি নিছক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের নয়। পাকিস্তান এই ধরনের পরীক্ষা আগেও করেছে এবং দায় শোধ করেছে। খাইবার পাখতুনখোয়ায় তালেবানবিরোধী লড়াইয়ের সময় স্থানীয় বাসিন্দাদের নিয়ে একাধিক ‘আমান লশকর’ ও ‘পিস কমিটি’ গড়ে তোলা হয়েছিল। এগুলো সেনাবাহিনী কিংবা পুলিশের নিয়মিত ইউনিট ছিল না। স্থানীয় মানুষকে সংগঠিত করে এলাকা পাহারা, সন্দেহভাজনদের বিষয়ে তথ্য দেওয়া এবং কোথাও কোথাও সশস্ত্র প্রতিরোধের কাজে ব্যবহার করা হতো।

পেশোয়ারের আদেজাই আমান লশকর তার একটি পরিচিত উদাহরণ। দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন-এর ২০১৫ সালের একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, ২০০৮ সালে স্থানীয় মানুষকে নিয়ে ওই বেসামরিক মিলিশিয়া গড়ে ওঠে। পরে এর কিছু সদস্যকে বিশেষ পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়; দেওয়া হয় মাসিক ভাতা ও সরকারি অস্ত্র। শুরুটা হয়েছিল জঙ্গিবাদ প্রতিরোধের নামে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে অভিযোগ উঠতে থাকে ক্ষমতার অপব্যবহার, স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কঠোর আচরণ এবং সশস্ত্র সদস্যদের বাড়তি প্রভাব নিয়ে। পরিস্থিতি বদলে গেলে সরকার আবার তাদের কাছ থেকে অস্ত্র ফেরত নেওয়ার উদ্যোগ নেয়।

২০১৭ সালে দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনের আরেকটি প্রতিবেদনে ওই অঞ্চলের এক লশকর নেতার বক্তব্যে সংকটটির আসল চেহারা আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। তাদের অভিযোগ ছিল, একসময় জঙ্গিদের মনোযোগ পুলিশ থেকে সরিয়ে রাখতে স্থানীয় লশকরকে সামনে আনা হয়েছিল। প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে রাষ্ট্র তাদের থেকে দূরে সরে গেছে।

রাষ্ট্রের হিসাব হয়তো এতে মেলে। আজ বিপদ আছে, অস্ত্র দাও। কাল পরিস্থিতি বদলে গেছে, অস্ত্র ফেরত নাও। কিন্তু মানুষের সম্পর্ক কি অস্ত্রাগারের হিসাবখাতা? একটি রাইফেল জমা নেওয়া যায়, একটি ম্যাগাজিন গোনা যায়, কার নামে অস্ত্র ইস্যু হয়েছিল তাও নথিতে থাকে। কিন্তু কে কাকে সন্দেহ করেছিল, কে কার বিরুদ্ধে তথ্য দিয়েছিল, কে কার বাড়িতে নিরাপত্তা বাহিনী নিয়ে গিয়েছিল- সেসব স্মৃতি সহজে মোছে না?

রাষ্ট্র যখন গ্রামের একজন মানুষকে বলে, ওই মানুষটি শুধু আমার শত্রু নয়, তোমারও শত্রু, তখন সে হয়তো সাময়িকভাবে একজন সহযোগী পায়; একই সঙ্গে সমাজের মধ্যে একটি নতুন বিভাজনও তৈরি করে। সন্ত্রাসী সংগঠন রাষ্ট্রের শত্রু হতে পারে। সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধেও রাষ্ট্র আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারে। কিন্তু সেই লড়াই যখন নিয়মিত নিরাপত্তা বাহিনীর সীমানা পেরিয়ে সাধারণ মানুষের হাতে চলে আসে, তখন পরিচয়ের রেখাগুলো এলোমেলো হয়ে যায়।

বর্তমানে দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতি সত্যিই গুরুতর। As reported by the Centre for Research and Security Studies (CRSS)-এর ২০২৬ সালের দ্বিতীয় প্রান্তিকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত সন্ত্রাসী হামলা ও সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানের সঙ্গে সম্পর্কিত ২৬৭টি ঘটনায় ৭৭৪ জন নিহত এবং ৩৩৬ জন আহত হন। সংস্থাটির হিসাবে প্রাণহানির প্রায় ৯৬ শতাংশই ঘটেছে খাইবার পাখতুনখোয়া ও বেলুচিস্তানে। খাইবার পাখতুনখোয়ায় ৪৭৫ এবং বেলুচিস্তানে ২৬৫ জনের প্রাণহানি নথিভুক্ত করা হয়।

অতএব ইসলামাবাদের সংকট বাস্তব। টিটিপির পুনরুত্থান এবং বেলুচ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর তৎপরতা পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্য গুরুতর নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ। দুর্গম অঞ্চলে স্থানীয় মানুষের সহযোগিতা যে প্রয়োজন, সেটিও অস্বীকার করার সুযোগ নেই। গ্রামের মানুষই জানেন রাতে কোন পাহাড়ি পথে অপরিচিত লোক যাতায়াত করছে, কোন বাড়িতে হঠাৎ নতুন মানুষ এসেছে, কোথায় সন্দেহজনক চলাচল হচ্ছে। এসব তথ্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে মূল্যবান হতে পারে।

কিন্তু তথ্যদাতা নাগরিক আর অস্ত্রধারী নাগরিক এক ব্যক্তি নন। প্রথমজন রাষ্ট্রকে সাহায্য করেন। দ্বিতীয়জন সংঘাতের একটি পক্ষ হয়ে ওঠেন। পাকিস্তানের সাম্প্রতিক নিরাপত্তা বিতর্কের কেন্দ্রেও আসলে এই পার্থক্যটি রয়েছে।

২০২৬ সালের জুলাইয়ে এক গণজমায়েতে পাকিস্তানের জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম-ফজলের প্রধান মাওলানা ফজলুর রহমান সাধারণ মানুষকে লশকর বানিয়ে সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামানোর ধারণার বিরোধিতা করেন। তাঁর বক্তব্যের মূল কথা ছিল সরল। নিরাপত্তার জন্য রাষ্ট্রীয় বাহিনী আছে; সেই দায়িত্ব সাধারণ মানুষের ঘাড়ে চাপানো উচিত নয়। তার আরও একটি সতর্কবার্তা ছিল তাৎপর্যপূর্ণ। নিরাপত্তা বাহিনী কোনো এলাকা থেকে একদিন চলে যেতে পারে, কিন্তু স্থানীয় মানুষ যায় না। তাদের সেখানেই থাকতে হয়। একই বাজারে যেতে হয়, একই মসজিদে দাঁড়াতে হয়, একই জমির সীমানা নিয়ে তর্ক হয়, একই সামাজিক পরিসরে বাঁচতে হয়। সেখানে একবার বন্দুকের সম্পর্ক তৈরি হলে যুদ্ধ শেষ হলেও হিসাব শেষ হয় না।

৩১ জুলাই ২০২৬-এ Centre for Research and Security Studies (CRSS)-এর একটি বিশ্লেষণেও প্রশ্ন তোলা হয় পাকিস্তান কি তার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করছে, নাকি নিরাপত্তার দায়িত্ব ধীরে ধীরে স্থানীয় জনগোষ্ঠী ও অনানুষ্ঠানিক সশস্ত্র গোষ্ঠীর হাতে ঠেলে দিচ্ছে? বিশ্লেষণেও বেলুচিস্তানে জাতীয়তাবাদী আন্দোলন মোকাবিলায় রাষ্ট্রঘনিষ্ঠ সশস্ত্র গোষ্ঠী ব্যবহারের প্রসঙ্গ এনে এটিকে এক ধরনের নিরাপত্তা ‘আউটসোর্সিং’ হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়েছে।

আওয়ামি ন্যাশনাল পার্টির সভাপতি সিনেটর আইমাল ওয়ালি খানও একই প্রশ্ন তুলেছেন। উধহি-এর ১৮ জুলাই ২০২৬-এর প্রতিবেদনে তাঁর বক্তব্য ছিল, জঙ্গিবাদ মোকাবিলা করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব, সাধারণ নাগরিকের নয়। তাঁর প্রশ্নটির ভেতরে পাকিস্তানের নিরাপত্তা নীতির একটি মৌলিক সংকট ধরা পড়ে। যদি রাষ্ট্রের পুলিশ থাকে, সেনাবাহিনী থাকে, আধাসামরিক বাহিনী থাকে, গোয়েন্দা সংস্থা থাকে তাহলে খাইবার পাখতুনখোয়ার সাধারণ মানুষকে আবার বন্দুক ধরতে হবে কেন?

আইমাল ওয়ালি খানের আপত্তি আরও তাৎপর্যপূর্ণ এ কারণে যে, তাঁর দল আওয়ামি ন্যাশনাল পার্টি পাকিস্তানি তালেবানের বিরোধিতা করতে গিয়ে দীর্ঘদিন ধরে ভয়াবহ সহিংসতার শিকার হয়েছে।

সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ উত্তরটি অবশ্য এসেছে সাধারণ মানুষের কাছ থেকেই। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিরাহ কওমি জিরগার এক সভায় এলাকার বিভিন্ন গোত্রের প্রবীণ, রাজনৈতিক প্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীরা সিদ্ধান্ত নেন, নতুন করে কোনো উপজাতীয় লশকর বা পিস কমিটি গঠন করা হবে না। নিষিদ্ধ সশস্ত্র সংগঠনের বিরুদ্ধে স্থানীয় বাসিন্দারাও অস্ত্র ধরবেন না। তাদের বক্তব্য ছিল খুবই স্পষ্ট শান্তি ফিরিয়ে আনা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

একই সঙ্গে তারা নিরাপত্তা বাহিনী কিংবা জঙ্গি কোনো পক্ষের সশস্ত্র সহযোগী হওয়ার পথও প্রত্যাখ্যান করেন। বরং রক্তপাত ঠেকাতে একটি নিরস্ত্র আলোচনাকারী কমিটি গঠন করা হয়। উধহি ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এ সিদ্ধান্তের বিস্তারিত প্রকাশ করে। তিরাহর মানুষ শান্তি প্রত্যাখ্যান করেননি; তারা প্রত্যাখ্যান করেছেন শান্তির নামে নিজেদের হাতে বন্দুক তুলে দেওয়ার ধারণা।

দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে নাগরিককে নাগরিকের বিরুদ্ধে সংগঠিত করার পরিণতি অজানা নয়। রাষ্ট্র যখন স্থানীয় সমাজের ভেতরে ‘বিশ্বস্ত’ ও ‘অবিশ্বস্ত’, ‘দেশপ্রেমিক’ ও ‘রাষ্ট্রবিরোধী’ এমন সশস্ত্র বিভাজন তৈরি করে, যুদ্ধ শেষ হলেও সেই রেখা সহজে মুছে যায় না। রাষ্ট্রের কাছে শত্রুর তালিকা বদলাতে পারে কিন্তু সমাজের ভেতরে বদলে যায় সম্পর্কের মানচিত্র। একসময় যে মানুষ পাশের বাড়ির লোক ছিলেন, তিনি হয়ে ওঠেন ‘ওই পক্ষের লোক’। এ ধরনের ক্ষত সরকারি ঘোষণা দিয়ে শুকোয় না।

রাষ্ট্রের কাজ নাগরিককে যোদ্ধা বানানো নয়। রাষ্ট্রের কাজ এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করা, যেখানে নাগরিককে যোদ্ধা না হয়েও নিরাপদে থাকার অধিকার নিশ্চিত করা যায়।
রাষ্ট্র যদি নিজের নিরাপত্তার দায়িত্ব সাধারণ মানুষের হাতে দিয়ে দেয় তাহলে দুটি বিপদ তৈরি হয়। প্রথমত, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর আস্থা দুর্বল হয়। দ্বিতীয়ত, সমাজের ভেতরে এমন এক যুদ্ধের জন্ম হয়, যার কোনো আনুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি নেই।

বন্দুকের একটি সুবিধা আছে। তার নম্বর থাকে। কার নামে ইস্যু হয়েছে, তা নথিতে থাকে। কাজ শেষে সেটি ফেরত নেওয়া যায়। কিন্তু অবিশ্বাসের কোনো সিরিয়াল নম্বর নেই। শত্রুতার কোনো অস্ত্রাগার নেই। একজন মানুষ যদি একবার বিশ্বাস করেন, পাশের বাড়ির মানুষটি তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রকে খবর দিয়েছিল, সেই স্মৃতি কোনো সরকারি গুদামে জমা দেওয়া যায় না।

এ কারণেই শান্তির নামে নাগরিকের হাতে বন্দুক তুলে দেওয়া দ্রুত ফল দেওয়ার কৌশল মনে হতে পারে কিন্তু তার ভেতরে খুব ধীর একটি বিষ কাজ করে। সন্ত্রাস হয়তো একদিন কমবে। সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফিরবে। পুলিশের চেকপোস্ট উঠে যাবে। কিন্তু যে রাষ্ট্র একসময় নিরাপত্তার নামে এক প্রতিবেশীকে আরেক প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে দাঁড় করিয়েছে, তার জন্য সবচেয়ে কঠিন কাজটি তখনও বাকি থাকবে মানুষকে আবার মানুষের ওপর বিশ্বাস করতে শেখানো।

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ