Views Bangladesh Logo
author image

শিমুল জাবালি

  • কবি ও সাংবাদিক

  • থেকে

শিমুল জাবালি, কবি ও সাংবাদিক
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: পতনের পর কোন পথে?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: পতনের পর কোন পথে?

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়: পতনের পর কোন পথে?

২০২৬ সালের ৪ মে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটেছে। বিজেপি ২৯৪টির মধ্যে ২০৭টি আসন জিতে রাজ্যে প্রথমবারের মতো সরকার গঠন করেছে। তৃণমূল কংগ্রেস মাত্র ৮০টি আসনে সীমিত হয়ে গেছে। কিন্তু সংখ্যার চেয়েও বড় ঘটনা হলো— মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের কেন্দ্র ভবানীপুরেও শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ১৫,১১৪ ভোটে পরাজিত হয়েছেন। যে কেন্দ্রে ২০২১ সালে তিনি ৭০ শতাংশেরও বেশি ভোট পেয়েছিলেন, সেখানেই এই পরাজয় কেবল রাজনৈতিক নয়, প্রতীকী অর্থেও অত্যন্ত গভীর।

ক্যামেরার সাক্ষী: রঘু রাই ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ
ক্যামেরার সাক্ষী: রঘু রাই ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ

ক্যামেরার সাক্ষী: রঘু রাই ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ

ইতিহাস লেখা হয় কলমে। কিন্তু কখনো কখনো একটি ছবি সেই কলমকেও নির্বাক করে দেয়। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে ফ্রেমবন্দী করার দুঃসাধ্য কাজটি করেছিলেন রঘু রাই — এবং সেই ছবিগুলোকে তিনি গড়ে তুলেছিলেন এক অসামান্য মহাকাব্যে। তাঁর ক্যামেরা শুধু মুহূর্ত ধারণ করেনি, ধারণ করেছিল একটি জাতির যন্ত্রণা, সংগ্রাম ও বিজয়ের সমগ্র আখ্যান।

খালেদা জিয়া: গৃহবধূ থেকে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী
খালেদা জিয়া: গৃহবধূ থেকে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী

খালেদা জিয়া: গৃহবধূ থেকে দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক অনন্য নাম। ১৯৮১ সালের মে মাসে যখন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়, খালেদা জিয়া তখন নিছক একজন গৃহবধূ। রাজনীতি নিয়ে তাঁর কোনো প্রকাশ্য আগ্রহ ছিল না, এমনকি রাজনৈতিক অনুষ্ঠানেও তাঁকে খুব একটা দেখা যেত না। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় সেই অন্তরালবর্তী গৃহবধূই হয়ে ওঠেন দেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী। ঘর এবং বাইরের নানা ষড়যন্ত্র আর চড়াই-উৎরাই মোকাবিলা করে তিনি এই দীর্ঘ ও বন্ধুর পথ পাড়ি দিয়েছেন। স্বামী হারানোর শোকের মাঝেই তাঁকে দলের হাল ধরতে হয়েছিল, মোকাবিলা করতে হয়েছিল অসংখ্য প্রতিবন্ধকতা। সেখান থেকেই শুরু হয় তাঁর রাজপথের সংগ্রাম। টানা আট বছর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে তিনি পুরো জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন। আপস না করার চারিত্রিক দৃঢ়তার কারণে তিনি ‘আপসহীন নেত্রী’ হিসেবে খ্যাতি পান।

১০ ডিসেম্বর: বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের সূচনা ও বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের আত্মত্যাগ
১০ ডিসেম্বর: বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের সূচনা ও বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের আত্মত্যাগ

১০ ডিসেম্বর: বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের সূচনা ও বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের আত্মত্যাগ

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ১০ ডিসেম্বর একটি অত্যন্ত ঘটনাবহুল ও গুরুত্বপূর্ণ দিন। একাত্তরের এই দিনে একদিকে যেমন রণাঙ্গনে যৌথ বাহিনীর দুর্বার গতিতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কোণঠাসা হয়ে পড়ছিল, অন্যদিকে কূটনৈতিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও চলছিল চরম উত্তেজনা। একই দিনে জাতি হারায় তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তান বীরশ্রেষ্ঠ মো. রুহুল আমিনকে, এবং সূচনা হয় নারকীয় বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের।

৯ ডিসেম্বর: বিজয়ের পথে চূড়ান্ত অভিযাত্রা
৯ ডিসেম্বর: বিজয়ের পথে চূড়ান্ত অভিযাত্রা

৯ ডিসেম্বর: বিজয়ের পথে চূড়ান্ত অভিযাত্রা

১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর। মহান মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের ক্ষণ গণনা শুরু হয়ে গেছে। চতুরদিক থেকে অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী। মিত্র ও মুক্তিবাহিনী দ্রুত ঢাকা পৌঁছার লক্ষ্য নিয়ে চারদিক থেকে অগ্রসর হচ্ছে। আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা, যা স্পষ্ট হয়ে ওঠে দিল্লির বাংলাদেশ মিশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এবং রণাঙ্গনের প্রতিটি সংবাদে।

৮ ডিসেম্বর: বিজয়ের অপেক্ষায় এক ঐতিহাসিক দিন
৮ ডিসেম্বর: বিজয়ের অপেক্ষায় এক ঐতিহাসিক দিন

৮ ডিসেম্বর: বিজয়ের অপেক্ষায় এক ঐতিহাসিক দিন

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ডিসেম্বর মাস যেমন গৌরবের, তেমনি বেদনাহত স্মৃতিতে ভরা। বিজয়ের মুহূর্ত যত ঘনিয়ে এসেছে, ততই দখলদার পাকিস্তানি বাহিনী দুর্বল হতে শুরু করেছে, আর মুক্তিযোদ্ধারা নতুন শক্তিতে উজ্জীবিত হয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতায় ৮ ডিসেম্বর ছিল এমন এক ঐতিহাসিক দিন—যেদিন দেশের নানা প্রান্তে শত্রুর পতন দ্রুততর হয়েছে, বিজয়ের চিত্র আরও পরিষ্কার হয়েছে এবং স্বাধীনতার স্বপ্ন স্পর্শের মতো কাছাকাছি এসে দাঁড়িয়েছে।