Views Bangladesh Logo

দেশ ও রাজনীতি

অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য নির্বাচিত সরকারের কোনো বিকল্প নেই
অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য নির্বাচিত সরকারের কোনো বিকল্প নেই

দেশ ও রাজনীতি

অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য নির্বাচিত সরকারের কোনো বিকল্প নেই

ড. মোহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মূল কাজ হচ্ছে গণতান্ত্রিক বিধিবিধানের মধ্য দিয়ে দেশকে সত্যিকার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রত্যাবর্তন করানো। জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে পছন্দনীয় সরকার গঠন করতে পারবে- এটাই সবার প্রত্যাশা এবং মূল আকাঙ্ক্ষা। এখানে কোনো ধরনের ছলচাতুরীর সুযোগ নেই। সাম্প্রতিক গণআন্দোলনের সূচনা হয়েছিল সরকারি চাকরিতে বিদ্যমান কোটা সুবিধা সংস্কার প্রশ্নে। পরবর্তীকালে তা সরকার পতনের আন্দোলনে পরিণত হয়। আন্দোলনের মূল উপজীব্য ছিল গণতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং গণতন্ত্র।

হাঁস শিকারের আড়ালে বাঙালি নিধনের নকশা
হাঁস শিকারের আড়ালে বাঙালি নিধনের নকশা

রাজনীতি ও জনপ্রশাসন

হাঁস শিকারের আড়ালে বাঙালি নিধনের নকশা

সমৃদ্ধ সিন্ধু সভ্যতার গোড়াপত্তন সিন্ধু নদ ও তার অববাহিকাকে কেন্দ্র করে। ভারত-পাকিস্তানে বিস্তৃত এই নদের তীরে যেসব শহর গড়ে উঠেছে সেগুলোর মধ্যে অন্যতম পাকিস্তানের লারকানা। দেশটির সিন্ধু প্রদেশের অন্যতম সৃমদ্ধ ও গুরুত্বপূর্ণ শহর এটি। হাজার মাইল দূরের এই শহরটির সাথে বাঙালি জাতির স্বাধীনতা আন্দোলনের এই গুরুত্বপূর্ণ এক অধ্যায় জড়িয়ে আছে। কারণ এই শহরেই চূড়ান্ত হয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের বদলে বাঙালি নিধনযজ্ঞের নীলনকশা। দিনটি ছিল ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি। যেদিন ভারী ভূরিভোজ, রঙ্গীন পানীয় আর ক্ষমতায় নেশায় বাঙালি জাতিকে একটি রক্তাক্ত শিক্ষা দেওয়ার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছিল প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ও জুলফিকার আলী ভুট্টো ও পাকিস্তানি শীর্ষ সেনা কর্তারা।

অবৈধ মীমাংসা থেকে হত্যা: রাষ্ট্রকে দেখাতে হবে বিচারের দৃষ্টান্ত
অবৈধ মীমাংসা থেকে হত্যা: রাষ্ট্রকে দেখাতে হবে বিচারের দৃষ্টান্ত

আইন

অবৈধ মীমাংসা থেকে হত্যা: রাষ্ট্রকে দেখাতে হবে বিচারের দৃষ্টান্ত

নরসিংদীতে ধর্ষণের বিচার চাওয়ার সাহস দেখিয়েছিল ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরী। কিন্তু ন্যায়বিচারের পথেই তার জীবন থেমে গেল। অভিযোগ অনুযায়ী, বাবার সঙ্গে নিরাপদ স্থানে যাওয়ার পথে তাকে প্রকাশ্যে অপহরণ করা হয় এবং পরদিন উদ্ধার হয় তার নিথর দেহ।

যুদ্ধের ভয়ঙ্কর রূপান্তর যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা
যুদ্ধের ভয়ঙ্কর রূপান্তর যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা

কূটনীতি

যুদ্ধের ভয়ঙ্কর রূপান্তর যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা

মানুষের ইতিহাসে যুদ্ধ অনেক পুরোনো। পাথর দিয়ে, লাঠি দিয়ে, তলোয়ার দিয়ে, কামান-বন্দুক দিয়ে মারামারির পর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কালে মানুষ পৌঁছে গেছে পারমাণবিক যুগে।

জনগণের রায় ও নতুন দিগন্ত: সেবার অঙ্গীকার হোক রাজনীতির মূলমন্ত্র
জনগণের রায় ও নতুন দিগন্ত: সেবার অঙ্গীকার হোক রাজনীতির মূলমন্ত্র

রাজনীতি ও জনপ্রশাসন

জনগণের রায় ও নতুন দিগন্ত: সেবার অঙ্গীকার হোক রাজনীতির মূলমন্ত্র

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের বিপুল ভোটে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠনের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এই বিজয় কেবল একটি রাজনৈতিক দলের সাফল্য নয়, বরং এটি কোটি মানুষের গভীর আস্থা, বিশ্বাস এবং এক নতুন আগামীর স্বপ্ন। জনগণ তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার স্বপ্নটি বিএনপির হাতে তুলে দিয়েছে একরাশ প্রত্যাশা নিয়ে।

'বাংলাদেশে নারীদের কাছে নির্বাচনকে ঘিরে আশা এখন হতাশা আর ভয়'
'বাংলাদেশে নারীদের কাছে নির্বাচনকে ঘিরে আশা এখন হতাশা আর ভয়'

রাজনীতি ও জনপ্রশাসন

'বাংলাদেশে নারীদের কাছে নির্বাচনকে ঘিরে আশা এখন হতাশা আর ভয়'

জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের অগ্রভাগে থাকা নারীরাসহ দেশের অনেক নারীর কাছে নির্বাচনকে ঘিরে আশাটা এখন হতাশা আর ভয়ে পরিণত হয়েছে বলে বৃটেনের জাতীয় দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

‘গুপ্ত রাজনীতি’ বিতর্ক এবং...
‘গুপ্ত রাজনীতি’ বিতর্ক এবং...

রাজনীতি ও জনপ্রশাসন

‘গুপ্ত রাজনীতি’ বিতর্ক এবং...

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসছে, দেশের রাজনীতিতে ততই বাড়ছে বক্তব্যের তীক্ষ্ণতা, শব্দচয়নের কৌশল এবং প্রতিপক্ষকে রাজনৈতিকভাবে দুর্বল করার প্রচেষ্টা। সাম্প্রতিক সময়ে এই প্রবণতার একটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হয়ে উঠেছে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে ‘গুপ্ত’ শব্দকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্য বাকযুদ্ধ।

গিলোটিনের গুরুর গর্দান আর কত?
গিলোটিনের গুরুর গর্দান আর কত?

শিক্ষা

গিলোটিনের গুরুর গর্দান আর কত?

অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে নানা নৈরাজ্য এখনও দৃশ্যমান। পালাবদলের পটভূমিতে রাষ্ট্রযন্ত্র এখনও অনেকটা নিস্ক্রিয়। যে শূণ্যতায় আংশিক হলেও চলমান উন্মত্ত জনতার শাসন। বিভিন্ন ক্ষেত্রে এই অরাজকতা ও উন্মত্ততা কিছুটা থিতু হলেও শিক্ষাক্ষেত্রে বিশৃঙ্খলা এখনও বিদ্যমান। প্রতিদিনই কোনা না কোনো শিক্ষককে নাজেহাল হতে হচ্ছে। অতি উৎসাহী ছাত্ররা নিজ ইচ্ছায় অথবা কারও প্ররোচনায় শিক্ষককে অবরুদ্ধ করছেন, অপমান করছেন, পদত্যাগে বাধ্য করছেন। কোথাও কোথাও শিক্ষককে সরিয়ে শিক্ষার্থী নিজেও শিক্ষককের চেয়ারে বসে পড়ছেন। কী সব বিভৎস কাণ্ডকারখানা, অকল্পনীয় নৈরাজ্য।

তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের রাজনৈতিক গুরুত্ব কী?
তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের রাজনৈতিক গুরুত্ব কী?

রাজনীতি ও জনপ্রশাসন

তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের রাজনৈতিক গুরুত্ব কী?

প্রায় দেড় যুগ পরে প্রিয় মাতৃভূমিতে ফিরে একজন রাজনৈতিক নেতা তো বটেই, যেকোনো সাধারণ মানুষেরও যে অনুভূতি হয়, তাতে জুতা মোজা খুলে খালি পায়ে মাটিতে হাঁটা, মাটির ঘ্রাণ নেয়া অস্বাভাবিক কোনো দৃশ্য নয়। সুতরাং, ১৭ বছর লন্ডনে নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে ২৫ ডিসেম্বর দুপুরে ঢাকায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমাবন্দরে নেমে তারেক রহমানের খালি পায়ে হাঁটার দৃশ্যটি মানুষেকে যতটা না আপ্লুত করেছে, তার চেয়ে বেশি দৃষ্টি কেড়েছে তিনশো ফুট এলাকায় সংবর্ধনা মঞ্চে বিশেষ চেয়ার সরিয়ে সাধারণ চেয়ারে বসা এবং ১৬ মিনিটের বক্তৃতায় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ব্যাপারে কোনো নেতিবচক মন্তব্য না করা, বিষোদ্গার না করা, আমিত্বের অহমিকা না দেখানো এবং মানুষকে আকাশকুসুম স্বপ্ন না দেখানো। সেইসাথে যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত নাগরিক অধিকার নেতা, ধর্মযাজক ও অহিংস আন্দোলনের প্রতীক মার্টিন লুথার কিংয়ের ‘আই হ্যাভ অ্যা ড্রিম’-এর অনুকরণে ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’ (আমার একটি পরিকল্পনা আছে) বলার মধ্য দিয়ে তারেক রহমান যে রাজনৈতিক দূরদর্শিতা এবং বক্তৃতায় বাক্য ও শব্দচয়নে মিতব্যয়িতা প্রদর্শন করলেন, সেটি তার ভবিষ্যৎ রাজনীতির গতিপ্রকৃতি বুঝতে হয়তো কিছুটা হলেও সহায়ক হবে।

বিজয়ের মাসে বাংলাদেশ: মৌলবাদী উত্থান কিংবা বিজয়ের চেতনার নবজাগরণ
বিজয়ের মাসে বাংলাদেশ: মৌলবাদী উত্থান কিংবা বিজয়ের চেতনার নবজাগরণ

রাজনীতি ও জনপ্রশাসন

বিজয়ের মাসে বাংলাদেশ: মৌলবাদী উত্থান কিংবা বিজয়ের চেতনার নবজাগরণ

ডিসেম্বর এলেই বাংলাদেশের হৃদয়ে এক অদ্ভুত আলো জ্বলে ওঠে—বিজয়, শোক আর গৌরব মিলেমিশে তৈরি হয় এক অপ্রতিরোধ্য আবেগ। ১৯৭১-এর বিজয় শুধু একটি যুদ্ধের সমাপ্তি নয়, বরং ছিল এক জাতির অস্তিত্ব রক্ষার জয়, এক সভ্যতার মুক্তি। প্রতি বছর ডিসেম্বর তাই আমাদের মনে করিয়ে দেয় সেই মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগের গল্প, শত বাধা পেরিয়ে জন্ম নেওয়া একটি লাল-সবুজ পতাকার গর্ব। তবে বর্তমান বাস্তবতায় প্রশ্ন জাগে—বিজয়ের ৫৩ বছর পর আমরা কি সেই চেতনা ঠিকভাবে ধারণ করতে পারছি? নাকি সময়ের স্রোতে, রাজনৈতিক অস্থিরতায় এবং সামাজিক বিভাজনে সেই আলো ক্ষীণ হয়ে আসছে? কয়েকটি সাম্প্রতিক ঘটনা যেন এ প্রশ্নটিকে আরও তীব্র করে তুলেছে।

...

ট্রেন্ডিং ভিউজ