দালালেই মুক্তি
বসিলা পাসপোর্ট অফিসে পদে পদে হয়রানি, দালালেই মুক্তি
বসিলা পাসপোর্ট অফিসে পদে পদে হয়রানি, দালালেই মুক্তি
‘তো আপনি এক কাজ করেন। লঞ্চের একটা টিকিট কাটেন। ওইডায় চইড়া চাঁদপুর যান। আর গিয়া কাগজপত্তর নিয়া আসেন। এখন যান এখান থেকে!’ বাঁকা হাসিটি হেসে খানিকটা বসিলা পাসপোর্ট অফিসে কর্মরত একজন সরকারি কর্মচারী জনৈক সেবাপ্রার্থীকে উদ্দেশ্য করে তাচ্ছিল্যের স্বরে কথাটা বললেন এবং কাচের দেয়ালের অন্য পাশ থেকে হাত নেড়ে ‘দুর দুর’ করে চলে যাওয়ার জন্য ইশারা করলেন। কিছুক্ষণ হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে থেকে হতাশাগ্রস্ত ব্যক্তিটি চলে গেলেন, হয়তোবা চাঁদপুরের লঞ্চ ধরার জন্যই; কিন্তু হতাশা আর হয়রানির ছাপ কেবল তার চেহারার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। ছিল কাগজপত্র হাতে নিয়ে গাদাগাদি করে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা আরও গোটা পঞ্চাশেক নাগরিকের ঘর্মাক্ত মুখমণ্ডলে। বসিলা পাসপোর্ট অফিসের এই চিত্রটি যদি পাঠকের কাছে স্বাভাবিক মনে হয়ে থাকে, তাহলে বুঝতে হবে, সমস্যা আরও গভীরে।
