সংসদ নির্বাচন
গুজব কতটা প্রভাব ফেলবে এবারের নির্বাচনে?
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বহুল আলোচিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনা, সহিংসতা এবং তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বিস্তার লাভ করছে গুজব ও অপতথ্য। মাঠের রাজনীতির পাশাপাশি ভার্চুয়াল দুনিয়াও এখন এক ধরনের ‘তথ্যযুদ্ধের’ ময়দান। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো ভুয়া খবর, এআই দিয়ে তৈরি ডিপফেক ভিডিও, নকল ফটোকার্ড; সব মিলিয়ে ভোটারদের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করার এক ভয়ংকর বাস্তবতা সামনে এসেছে। প্রশ্ন উঠছে, এই গুজব কতটা প্রভাব ফেলতে পারে আসন্ন নির্বাচনের ওপর
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ফেনী জেলা
ফেনী জেলায় ভোটের মাঠে আওয়ামী লীগ -বিএনপি প্রায় সমান। দেশে যেকটি জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে (বিগত ৩টি নির্বাচন ছাড়া) তার ফলাফলে এমন চিত্রই দেখা গেছে। তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ না থাকায় পাল্টে গেছে ফেনীর ভোটের অবস্থা। এখানে এবার লড়াই হবে মূলত বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যেই। এবার দেখে নেয়া যাক ফেনী জেলার ৩টি নির্বাচনী আসনের চিত্র।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: চাঁদপুর জেলা
চাঁদপুর জেলা ভোটের মাঠে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির শক্তিমত্তা প্রায় সমান। বিগত নির্বাচনগুলোর (২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন ছাড়া) ফলাফল থেকে তেমনটাই দেখা গেছে। তবে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ না থাকায় এবার নতুন করে ভোটের হিসাব করছে জেলাবাসী। এক নজরে দেখে নেয়া যাক চাঁদপুর জেলার ৫টি আসনের নির্বাচনী লড়াইয়ের চিত্র।
নির্বাচনে পর্যবেক্ষক পাঠাচ্ছে ১৬ দেশ
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণে আসছেন ১৬টি দেশ থেকে মোট ৫৭ জন পর্যবেক্ষক। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন, কমনওয়েলথ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা থেকেও কয়েকশ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক নির্বাচনী কার্যক্রম মনিটর করবেন।
যে কারণে ফ্রান্সে উগ্র ডানপন্থিদের শক্তি বেড়ে যাচ্ছে
রক্ষণশীল অনুগত বনাম মধ্যপন্থি বিদ্রোহী পার্লামেন্ট নির্বাচনের আগে-পরে দুই সময়ই নিজ নেতৃত্ব নিয়ে নজিরবিহীন প্রশ্নের মুখে পড়েছেন প্রেসিডেন্ট মাখোঁ। নির্বাচনে দলের জয় নিয়ে শঙ্কায় থাকা প্রার্থীরা প্রকাশ্যেই তাকে এড়িয়ে চলেছেন। অন্যদিকে সরকারে থাকা প্রধানমন্ত্রী আতালের মতো প্রভাবশালী নেতারা মাখোঁর আগাম নির্বাচন আহ্বানের সিদ্ধান্ত থেকে নিজেদের সরিয়ে রাখেন। বামপন্থি দলগুলোর জোট নিউ পপুলার ফ্রন্ট (এনএফপি) ফ্রান্সের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসনে জয়ী হয়েছে। উগ্র ডানপন্থি দল ন্যাশনাল র্যালির (আরএস) ভূমিধস বিজয় তারা ঠেকিয়ে দিতে পেরেছে। সোশ্যালিস্ট, গ্রিনস, কমিউনিস্টস ও জ্যঁ লুক মেলেনচনের ফ্রান্স আনবোড দলের মধ্যে অতীতে গভীর বিভক্তি ছিল। সেই বিভক্তি মিটিয়ে একটি জোট করা খুব একটা সহজ ছিল না। এ পরিপ্রেক্ষিতে বামপন্থি জোটটির বিজয় ছিল যুগান্তকারী ঘটনা।
