এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে
নিছকই দুর্ঘটনা নয়, এটি চরম অবহেলাজনিত হত্যাকাণ্ড
এক বছর আগে ফার্মগেট এলাকাতেই মেট্রোরেল লাইনের স্থাপনা থেকে প্রথমবার বেয়ারিং প্যাড খুলে পড়েছিল। সেবার কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখেনি; আর গুরুত্ব দিয়ে না দেখার কারণে এক বছরের ব্যবধানে সেই একই স্থানে আবারও খুলে পড়ল বেয়ারিং প্যাড এবং মর্মান্তিক মৃত্যুর শিকার হলেন এক তরতাজা যুবক। স্বামীকে হারালেন স্ত্রী, অনাথ হয়ে গেল তার দুই শিশু। আর সরকার তার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করল ৫ লাখ টাকা! শুধু তাই নয়, এ ধরনের যে প্রতিষ্ঠানের দায়-দায়িত্বহীনতার কারণে একই ধরনের দুর্ঘটনা দ্বিতীয়বার ঘটল, সেই ডিএমটিসিএলের সাবেক এমডিকে প্রধান করে গঠিত হলো তদন্ত কমিটি! সরকারি এ দুটি সিদ্ধান্তই নাগরিকের সঙ্গে চরম প্রহসন এবং ভবিষ্যতে আরও বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়িয়ে দেবে।
স্মার্ট বাংলাদেশের পুলিশ কি হাত উঁচু করে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করবে?
স্মার্ট বাংলাদেশের পুলিশ আর কত দিন হাত উঁচু করে ট্রাফিক কন্ট্রোল করবে! খুব সাদাসিধে প্রশ্ন। যদিও এই প্রশ্নের উত্তর দেয়ার জন্য কেউ নেই। রাজধানী ঢাকাতে স্বয়ংক্রিয় ট্রাফিক সিগন্যাল রয়েছে। আজ থেকে বহু বছর আগে সাধারণ মানুষ এই ব্যবস্থার সঙ্গে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে শুরু করেছিল; কিন্তু কি জানি কি হলো সিগন্যাল বাতিগুলো রেখেই রাস্তায় মানুষ নামানো হলো। আর স্বয়ংক্রিয় সিগন্যাল বাতিগুলো অকেজো হয়ে পড়লো।
