প্রতিবেদন
কঠোর নিরাপত্তা বলয় আর দুর্নীতি বন্ধে সুপ্রিম কোর্টের নজিরবিহীন পদক্ষেপ
দেশের সার্বিক আইশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে পুরো সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় নজিরবিহীন নিরাপত্তা বলয় তৈরী করা হয়েছে। অন্যদিকে সুপ্রিম কোর্টের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের শৃঙ্খলা, পেশাদারিত্ব ও সততা নিশ্চিত করতে দীর্ঘদিন থেকে চলা দুর্নীতি বন্ধে গ্রহণ করা হয়েছে 'জিরো টলারেন্স নীতি'। যার কার্যক্রম এরই মধ্যে শুরু হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের এমন উদ্যোগ অতীতে আর কখনো দেখা যায়নি।
সরকারি উদ্যোগে হলফনামার তথ্য জানতে চান রাজশাহীর মানুষ
আসন্ন সংসদ সদস্য প্রার্থীদের হলফনামায় দাখিল করা সম্পদের পরিমাণ সরকারি প্রচারে জানতে চান রাজশাহীর মানুষ। একই সাথে বাৎসরিক হিসাব নির্বাচনের পর সমানুপাতিক হারে সম্পদের পরিমাণও জানতে চান তারা।
বিএনপির দুর্গে জামায়াতের নজর, কেন্দ্রে যাবেন না আ. লীগের ভোটাররা
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে দেশজুড়ে ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনা চলছে। তবে বগুড়ার রাজনৈতিক চিত্র কিছুটা আলাদা। বিএনপির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এই জেলায় এবার ভোট নিয়ে বাড়তি উত্তাপ তৈরি হয়েছে।
শীতে কাবু রাজশাহীর জনজীবন, শীতবস্ত্রের অভাবে বিপাকে দুস্থরা
চলমান শৈত্যপ্রবাহে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে রাজশাহীর জনজীবন। কুয়াশার ঘনত্ব তুলনামূলক কম থাকলেও হাড়কাঁপানো হিমেল হাওয়ায় শীতের তীব্রতা বেড়েছে বহুগুণ। এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন দুস্থ ও খেটে-খাওয়া মানুষ।
এলপি গ্যাসে সিন্ডিকেট, সংকটের দায় কার?
দুদিন ধরে ঘরে এলপি গ্যাস নেই। একদিন বাজার ঘুরেও সিলিন্ডার পাওয়া যায়নি। পরদিন পাওয়া গেলেও দাম বেশি হওয়ায় কেনার সামর্থ্য নেই। বর্তমানে একটি এলপি গ্যাস সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৭৫০ টাকা। বাধ্য হয়ে মাটির চুলাতেই রান্না করতে হচ্ছে। দাম কমলে তখন কিনবো।
ব্যক্তিগত নিরাপত্তা চেয়ে আবেদনের হিড়িক
ফেব্রুয়ারির ১২ তারিখ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এর মধ্যে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনা করে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও অস্ত্রের লাইসেন্স চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একের পর এক আবেদন জমা পড়ছে। মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আবেদনকারীদের প্রায় সবাই কোনো না কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত কিংবা জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত। জমা পড়া আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলমান আছে। দ্রুতই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা দেওয়া শুরু হবে।
খালেদা জিয়ার প্রস্থান: বিএনপি ও বাংলাদেশের সামনে নতুন বাস্তবতা
গৃহবধূ থেকে বাংলাদেশের রাজনীতির আপোসহীন নেত্রী হয়ে ওঠা বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশের রাজনীতির এক বিশাল অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটলো। আজ ৩০ ডিসেম্বর সকালে তাঁর মৃত্যুর খবরে শুধু একটি দলের নয়, বরং বাংলাদেশের দীর্ঘ প্রায় পাঁচ দশকের রাজনৈতিক ইতিহাস এক গভীর শূন্যতায় নিমজ্জিত হলো। যিনি তিনবার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন, যিনি ক্ষমতার কেন্দ্রে থেকেও বারবার ক্ষমতার বাইরে থেকেছেন, যিনি আপোসহীন অবস্থানের জন্য যেমন প্রশংসিত হয়েছেন এবং সবসময় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন—তাঁর প্রস্থান মানেই একটি সময়ের অবসান।
বগুড়ায় সংস্কার হচ্ছে তারেক রহমানের বাড়ি
দীর্ঘ নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেই সাথে জাতীয় রাজনীতিতে শুরু হচ্ছে তার নতুন অধ্যায়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে যাচ্ছেন বগুড়া-৬ (সদর) আসন থেকে। তার প্রার্থীতা ঘিরে বগুড়ায় বিএনপির নেতাকর্মীদের মাঝে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ।
‘গণমাধ্যম পুড়ে গেলে বাকস্বাধীনতা ছাই হয়ে যায়’
গুলিবিদ্ধ হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টা দিকে মারা যান ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি। এই খবর শোনার কিছুক্ষণের মধ্যে রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে জড়ো হন বিক্ষুব্ধ জনতা। তাদেরই একটি অংশ তখন চলে আসে কারওয়ান বাজারের দিকে। এসেই প্রথমে দৈনিক প্রথম আলো ও এরপর কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউতে ডেইলি স্টার-এর কার্যালয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। পরে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয় কার্যালয় দুটি। এসময় নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীরের ওপর হামলার করে বিক্ষুদ্ধরা। হামলার শুরু হলে প্রথম আলোর সাংবাদিক ও কর্মীরা প্রাণ বাঁচাতে দ্রুত কার্যালয় ত্যাগ করেন। আর ডেইলি স্টারের সাংবাদিকরা আশ্রয় নেন ছাদে। প্রতিষ্ঠার পর প্রথমবারের মতো সংবাদপত্রের ছুটি বাদে এক দিনের জন্য প্রথম ও ডেইলি স্টারের প্রকাশনা বন্ধ থাকে। এই ঘটনায় সারা বিশ্বে ক্ষুন্ন হয় দেশের ভাবমূর্তি। প্রশ্নে মুখে পরে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা। বিশিষ্টজনদের মতে, দেশের শীর্ষ দুটি পত্রিকা অফিস আগুন জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা দেশের মানুষের বাকস্বাধীনতাকে গলা টিপে হত্যা করার সামিল। আসলে গণমাধ্যম পুড়ে গেলে ছাই হয়ে যায় বাকস্বাধীনতা।
বগুড়ায় রঙহীন বিজয়ের উৎসব
এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা…বিজয়ের সকালে এই গানটি মুঠোফোনে শুনছিলেন আব্দুস সালাম। নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বসেই স্মরণ করলেন আগের দিনের বিজয় দিবসের কথা। তার কণ্ঠে ছিল আক্ষেপ আর হতাশা।