Views Bangladesh Logo
author image

সামিউল হোসেন

  • প্রদায়ক

  • থেকে

পালপিট রক: যেখানে দাঁড়ালে মনে হবে পৃথিবী এখানেই শেষ!
পালপিট রক: যেখানে দাঁড়ালে মনে হবে পৃথিবী এখানেই শেষ!

পালপিট রক: যেখানে দাঁড়ালে মনে হবে পৃথিবী এখানেই শেষ!

কল্পনা করুন, আপনি দাঁড়িয়ে আছেন সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১,৯৮২ ফুট (৬০৪ মিটার) উঁচুতে একটি সমতল পাথরের ওপর। যার চারপাশে নেই কোনো রেলিং বা নিরাপত্তা বেষ্টনী। সামনে শুধু দিগন্তজোড়া পাহাড় আর পায়ের নিচে নীল জলাশয় বা ফিওর্ড। নরওয়ের প্রাইকেস্টোলেন বা পালপিট রক ঠিক এমনই এক শিহরণ জাগানিয়া জায়গা, যা সারা বিশ্বের পর্যটকদের কাছে ‘পৃথিবীর শেষ প্রান্ত’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

পরাশক্তিদের উন্নত সমরাস্ত্রের বিরুদ্ধে এখনো ইরানের টিকে থাকার রহস্য ও কৌশল
পরাশক্তিদের উন্নত সমরাস্ত্রের বিরুদ্ধে এখনো ইরানের টিকে থাকার রহস্য ও কৌশল

পরাশক্তিদের উন্নত সমরাস্ত্রের বিরুদ্ধে এখনো ইরানের টিকে থাকার রহস্য ও কৌশল

আধুনিক যুদ্ধবিমান, শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কিংবা অত্যাধুনিক গোয়েন্দা সক্ষমতার মানদণ্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চেয়ে ইরান আপাতদৃষ্টিতে পিছিয়ে থাকলেও গত কয়েক দশকে দেশটি এক ‘অপ্রতিরোধ্য’ আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে।

কেন জিয়া পরিবারের আস্থার নাম ফাতেমা বেগম
কেন জিয়া পরিবারের আস্থার নাম ফাতেমা বেগম

কেন জিয়া পরিবারের আস্থার নাম ফাতেমা বেগম

অত্যন্ত সংগ্রামী ও সাধারণ গ্রামীণ পরিবারে জন্ম নেওয়া ফাতেমা বেগম আজ বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক অনন্য ও নেপথ্য সাক্ষী। প্রায় ১৬ বছর ধরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছায়াসঙ্গী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তিনি সাধারণ গৃহকর্মীর পরিচয় ছাপিয়ে হয়ে উঠেছেন জিয়া পরিবারের আস্থার অবিচ্ছেদ্য অংশ। কারাগারের অন্ধকার প্রকোষ্ঠ, গৃহবন্দিত্বের দীর্ঘ দিন, হাসপাতালের নিঃসঙ্গ রাত কিংবা বিদেশ সফরের নীরব করিডর—নেত্রীর প্রতিটি দুঃসময়ে নিঃশব্দে উপস্থিত থেকে তিনি স্থাপন করেছেন আনুগত্যের এক বিরল দৃষ্টান্ত। বেগম জিয়ার প্রয়াণের পরও সেই অটুট বিশ্বাসের টানেই বর্তমানে তিনি তাঁর নাতনি জাইমা রহমানের ছায়াসঙ্গী হিসেবে কাজ করছেন।

২০২৬ সালে মহাকাশে মহাজাগতিক বিস্ময়, সাক্ষী হবে বাংলাদেশও
২০২৬ সালে মহাকাশে মহাজাগতিক বিস্ময়, সাক্ষী হবে বাংলাদেশও

২০২৬ সালে মহাকাশে মহাজাগতিক বিস্ময়, সাক্ষী হবে বাংলাদেশও

নতুন বছর ২০২৬ ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। বছরের শুরুতেই জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন রোমাঞ্চকর এক সুখবর—এই বছরজুড়ে মহাকাশে ঘটতে যাচ্ছে একের পর এক বিরল ও বিস্ময়কর ঘটনা। সূর্য ও চন্দ্রগ্রহণ, গ্রহের বিরল অবস্থান, উল্কা বৃষ্টি—সব মিলিয়ে ২০২৬ সালকে বলা হচ্ছে মহাজাগতিক বিস্ময়ের এক অনন্য বছর।

বছরজুড়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও নানা দুর্ঘটনা
বছরজুড়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও নানা দুর্ঘটনা

বছরজুড়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও নানা দুর্ঘটনা

প্রাকৃতিক দুর্যোগ-দুর্ঘটনায় বিপর্যস্ত বাংলাদেশের জন্য ২০২৪ সাল ছিল চ্যালেঞ্জিং বছর। তীব্র তাপপ্রবাহ থেকে নজিরবিহীন শিলাবৃষ্টি, স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’, পাহাড়ধস ও বজ্রপাতের মতো নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং সড়ক, নৌ ও রেলপথে ক্রমবর্ধমান দুর্ঘটনায় অসংখ্য মানুষের প্রাণহানি ঘটে। দুর্যোগে দেশজুড়ে ফসল ও অবকাঠামোর মারাত্মক ক্ষয়ক্ষতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে। জলবায়ুর এই বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় সচেতনতা বাড়ানো, উন্নত পূর্বাভাস ব্যবস্থা এবং কার্যকর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন অত্যন্ত জরুরি বলে মত বিশেষজ্ঞদের।