গুলশান-বনানীর সিসার লাউঞ্জ বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে রিট
রাজধানীর গুলশান-বনানীর অনুমোদনবিহীন মাদক সিসার লাউঞ্জ বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে রিট দায়ের করা হয়েছে।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) ন্যাশনাল ল’ ইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস এম জুলফিকার আলী জুনু রিটটি করেন। স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের আইজি, র্যাব প্রধান, ডিএমপি কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে।
রিটে বলা হয়, একটি জাতীয় দৈনিকের রিপোর্টে বলা হয়েছে- রাজধানীর গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি ও উত্তরার মতো অভিজাত এলাকায় রাত গভীর হলে জমে ওঠে গোপন আড্ডা। বাইরে থেকে ক্যাফে বা লাউঞ্জ মনে হলেও ভেতরে এগুলো রূপ নেয় সিসা বারে। সেখানে তামাকজাত সিসার সঙ্গে ব্যবহার হয় নানা ধরনের মাদক। অনেক জায়গায় চলে অনৈতিক কার্যক্রমও। অথচ দেশে সিসা বার পরিচালনার কোনো বৈধ অনুমতি নেই। আইন স্পষ্টভাবে নিষেধাজ্ঞা দিলেও কার্যকর তদারকির অভাবে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে বেড়ে চলেছে এ সংস্কৃতি।
সম্প্রতি বনানীতে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা এই অবৈধ ব্যবসার চিত্র আরো স্পষ্ট করেছে। ‘৩৬০ ডিগ্রি’ নামের একটি সিসা বার থেকে বের হয়ে খুন হন ইন্টারনেট ব্যবসায়ী রাহাত হোসেন রাব্বি (৩১)।
তদন্তে জানা গেছে, এর আগেও ওই স্থানে ‘এরাবিয়ান কজি’ নামে সিসা বার চালু ছিল। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে তা বন্ধ হয়। কিন্তু মালিকপক্ষ নাম পাল্টে আবারও একই ধরনের ব্যবসা শুরু করে। অভিযানের পরও এভাবে বারবার গোপনে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে এসব প্রতিষ্ঠান।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, বাংলাদেশে সিসা বা হুক্কা কোনোভাবেই বৈধ নয়। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এ বিষয়ে অনুমতি দেয় না। তবুও রাজধানীতে একশর বেশি সিসা বার চালু আছে। সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে এ আসর।
এই রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতে রিটটি করা হয়েছে বলে জানান ন্যাশনাল ল’ ইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জুলফিকার আলী জুনু।
মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে