নিউ মার্কেট
আত্মঘাতী অন্তর্ঘাতের মূল্য অনেক বড় হতে পারে
সোমবার সকালে একটি ভিডিও ক্লিপ দেখে রীতিমতো আঁতকে উঠেছিলাম। দূর থেকে করা ভিডিওতে দেখা যায় আগুনের শিখা লম্বা গাছপালা ছাড়িয়ে আকাশে উঠেছে। রাতের আকাশে লেলিহান আগুনের শিখা। হঠাৎ মনে হলো ভিডিওটা ইউক্রেন বা গাজার নয়তো? ভুল ভাঙলো একটু পর। বিভিন্ন গণমাধ্যমের বরাতে জানলাম, এটা ভিনদেশের ধ্বংসযজ্ঞ নয়। ঢাকার উপকণ্ঠে সাভারে অবস্থিত সিটি ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়ে আগুন দিয়েছে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা। দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে বীভৎসতা চিত্র আরও পরিষ্কার হতে থাকে।
ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ বন্ধ করুন
ঢাকা কলেজ আর সিটি কলেজ- পাশাপাশি অবস্থিত রাজধানীর এই দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সম্পর্কটা অনেকটা যেন সাপে-নেউলের। দিন দিন তারা যেন ‘চিরশত্রু’তে রূপ নিচ্ছে। দুদিন পরপর কেন তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তা সাধারণ মানুষ তো দূরের কথা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও নাকি জানে না; কিন্তু তাদের সংঘর্ষ ধারাবাহিকভাবে চলমান যা দেশের শিক্ষার জন্য উদ্বেগজনক বিষয়।
ভারত-বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান : স্মৃতি, সত্তা ও ভবিষ্যৎ
বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক এখন একটি ক্ষুরের ওপর দাঁড়িয়ে আছে বলে মনে হয়। আমার কাছে সংস্কৃতি শুধু গানবাজনা-নাচনাটক ইত্যাদি নয়, তা মানবের এই ভূপ্রকৃতির ওপর যা কিছু কর্ম, নির্মাণ ও পরিবর্তন, তার সব কিছু। কৃষিও সংস্কৃতি, রন্ধনও সংস্কৃতি, ফলে মৎস্য শিকারও সংস্কৃতি। তাই সম্প্রতি যে ৯৫ জন নিশানা ভুলে বাংলাদেশের সমুদ্রে চলে গিয়ে ওদেশের পুলিশের হাতে বন্দি হয়েছিলেন এবং শুনলাম প্রচুর পিটুনি খেয়ে ফিরে এসেছেন- সেটাকে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের অংশ হিসেবে দেখব কি না জানি না। হলেও ‘বৈধ’ আর দুই দেশের পরস্পরের ইচ্ছাধীন আর অভিপ্রেত আদান-প্রদানের উদাহরণ হিসেবে নিশ্চয়ই নয়।