Views Bangladesh Logo

‘তেলাপোকা’র জয়যাত্রা: উপহাস থেকে শুরু হওয়া যে আন্দোলন কাঁপিয়ে দিল দিল্লির সিংহাসন

আমাদের একজন গণিত স্যার ছিলেন, দিলীপ কুমার ঘোষ। কোন অংক আমাদের বুঝতে কঠিন লাগলে অভয় দেওয়ার জন্য তিনি বলতেন - এটাও একটা অংক! পুটিমাছও একটা মাছ, তেলাপোকাও একটা পাখি! তার এই বিদ্রুপে সমীকরণের জটিলতা ভুলে আমরা হেসে দিতাম। ভারতে ককরোচ জনতা পার্টির দুর্বার আন্দোলনের মুখে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর দিলীপ স্যারের কথাগুলো মনে পড়ছে। বিদ্রুপই বটে! বিদ্রুপ থেকে শুরু হওয়া প্রতিবাদ নয়া দিল্লির শক্তপোক্ত সিংহাসন নাড়িয়ে দিলো।

প্রতিবাদের শুরুটা যেভাবে...
গল্পের শুরুটা এক আদালতকক্ষে। গত ১৫ মে এক মামলার শুনানিতে ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এক আইনজীবীকে ভর্ৎসনা করতে গিয়ে বলে বসেন, দেশের কিছু বেকার তরুণ যেন তেলাপোকার মতো - কোনো কাজ পায় না, পেশায় জায়গা হয় না, তাই মিডিয়া বা সোশ্যাল মিডিয়া কর্মী সেজে সবাইকে আক্রমণ শুরু করে। মন্তব্যটা ছড়িয়ে পড়তেই তুমুল সমালোচনার ঝড় ওঠে, যদিও প্রধান বিচারপতি পরে দাবি করেন তার কথা ভুলভাবে উদ্ধৃত হয়েছে। কিন্তু ততক্ষণে অপমানটা তরুণদের গায়ে লেগে গেছে।

এই অপমানকেই অস্ত্র বানালেন অভিজিৎ দীপকে। ৩০ বছর বয়সী এই তরুণ পুনে থেকে সাংবাদিকতায় স্নাতক, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন ইউনিভার্সিটিতে জনসংযোগ বিষয়ে স্নাতকোত্তর পড়ছিলেন। এর আগে ২০২০ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত আম আদমি পার্টির সোশ্যাল মিডিয়া টিমে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজের অভিজ্ঞতা ছিল তার। প্রধান বিচারপতির মন্তব্যের পরদিন, ১৬ মে, দীপকে অনলাইনে চালু করলেন "ককরোচ জনতা পার্টি" - ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানের একটা ব্যঙ্গাত্মক প্যারোডি। তার ভাষায়, তিনি শুধু ভেবেছিলেন সবাইকে একত্র করার একটা প্ল্যাটফর্ম দরকার। এরপর যা ঘটল, তা তিনি নিজেও প্রত্যাশা করেননি।

গুগল ফর্মের মাধ্যমে হাজার হাজার তরুণ যোগ দিতে শুরু করলেন দলে। "আমিও ককরোচ" হ্যাশট্যাগ ছেয়ে গেল সোশ্যাল মিডিয়ায়। মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় সিজেপির ইনস্টাগ্রাম ফলোয়ার ছাড়িয়ে গেল এক কোটি - পেছনে ফেলে দিল ১৪৩ বছরের পুরোনো কংগ্রেস আর ৪৬ বছরের বিজেপিকে। সপ্তাহ ঘুরতেই সেই সংখ্যা দাঁড়াল দুই কোটি বিশ লাখে, অথচ বিশ্বের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল বলে পরিচিত বিজেপির নিজস্ব ফলোয়ার তখন মাত্র নব্বই লাখ। একটা সপ্তাহ আগেও যে দলের অস্তিত্ব ছিল না, সে দল তখন ভারতের সবচেয়ে আলোচিত রাজনৈতিক কণ্ঠস্বর।

স্বাভাবিকভাবেই ঘাবড়ে গেল সরকার। ২৩ মে বন্ধ করে দেওয়া হলো সিজেপির ওয়েবসাইট, বন্ধ হলো তাদের ইনস্টাগ্রাম-এক্স অ্যাকাউন্ট। দীপকে নিজেও তার ব্যক্তিগত ইনস্টাগ্রামের অ্যাক্সেস হারালেন। তিনি অভিযোগ করলেন, সরকার ভয় পেয়েই তাদের অ্যাকাউন্ট হ্যাক করিয়েছে, মেটাকে ট্যাগ করে সরকারকে "স্বৈরাচারী" বলে দিলেন প্রকাশ্যে। কিন্তু ততদিনে তরুনদের ভেতরে জেগে ওঠা ঢেউ থামানো মোদি সরকারের পক্ষে সম্ভব ছিল না।

যন্তর মন্তরে পুলিশের ব্যারিকেড উপেক্ষা করে ন্যায়ের দাবিতে এগিয়ে যাচ্ছে 'তেলাপোকা'রা।


আন্দোলনের ঢেউ
এই দোলাচলের মধ্যেই রাজপথে আন্দোলনের একটা স্পষ্ট, বাস্তব কারণ খুঁজে পেল সিজেপি - মেডিক্যালে ভর্তির জন্য নেওয়া নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের কেলেঙ্কারি। লাখ লাখ তরুণের চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন যেখান থেকে শুরু হয়, সেই পরীক্ষাতেই প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে ক্ষোভে ফেটে পড়ল শিক্ষার্থীরা। কেউ কেউ হতাশায় আত্মহননের পথ বেছে নিল। এই কষ্ট আর ক্ষোভকে ধারণ করে সিজেপি নেতৃত্ব দিল নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে দীর্ঘমেয়াদী অবস্থান কর্মসূচির। মূল দাবি একটাই - শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ।

টানা ৩৬ দিন ধরে চলল সেই অবস্থান। বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ল কলকাতাসহ বিভিন্ন রাজ্যে। পুলিশ কাঁদানে গ্যাস আর লাঠিচার্জ চালাল বিক্ষোভকারীদের ওপর, জনসমাগম ঠেকাতে বন্ধ রাখতে হলো দিল্লির ষোলো-সতেরোটি মেট্রো স্টেশন, যন্তর মন্তরের আশপাশের বাজার-দোকানপাট মাসের পর মাস বন্ধ। সোনম ওয়াংচুক অনশনে নামলেন। এই লড়াইয়ে পাশে দাঁড়ালেন বলিউডের তারকারাও - প্রকাশ রাজ, আলিয়া ভাট, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জোনাস, শাবানা আজমি, নাসিরুদ্দিন শাহ, দিলজিৎ দোসাঞ্জ, সালমান খান, অরিজিৎ সিংসহ অনেকে সরব হলেন শিক্ষার্থীদের সমর্থনে। অভিনেত্রী স্বরা ভাস্করের স্বামীও এই আন্দোলন থেকে আটক হন।

ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে যোগ দেয়


মোদি সরকার প্রথমে অনড় ছিল, শিক্ষামন্ত্রীর পাশে থাকার ঘোষণাও দিল রাজ্য সরকারের নেতারা। কারণ একটাই - কোনো আন্দোলনকারী গোষ্ঠীর চাপে সরকার নতিস্বীকার করেছে, এমন বার্তা তারা দিতে চায়নি, কারণ আজ এই দাবি মানলে কাল অন্য কেউ প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগও দাবি করতে পারে - এই ছিল সরকারি মহলের যুক্তি। কিন্তু আন্দোলনের চাপ কমেনি কোন আগ্রাসনে। নিট পরীক্ষা পরিচালনাকারী সংস্থা জাতীয় টেস্টিং এজেন্সিতে বড় ধরনের পুনর্গঠন করে ৪৭ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হলো, প্রশ্নফাঁসে কঠোর শাস্তির বিধান রেখে সংশোধনী আইনও আনা হলো সংসদে। তবু মূল দাবি অপূর্ণ থাকায় আন্দোলন থামেনি 'তেলাপোকা'দের।

অবশেষে, জয়
অবশেষে গত শনিবার, ২৫ জুলাই, ভাঙল সেই অচলাবস্থা। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান সামাজিক মাধ্যমে নিজেই পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিলেন। শুধু তা-ই নয়, সরকার মেনে নিল সিজেপির বাকি দুই দাবিও - বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সব এফআইআর প্রত্যাহার এবং আত্মহননকারী নিট শিক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য সম্মানসূচক ক্ষতিপূরণ। সেদিনই সরকারি প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে, তাদের সকল দাবি পূরণের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে, যৌথ ঘোষণায় আন্দোলনের সমাপ্তি জানাল সিজেপি, বিক্ষোভকারীদের ঘরে ফেরার আহ্বান জানিয়ে।

পদত্যাগের খবরে অভিজিৎ দীপকে বললেন, "“যদি কোনো হিন্দু-মুসলিম রাজনীতি না থাকে এবং শুধুমাত্র ইস্যুভিত্তিক রাজনীতি হয়, তখন বড় বড় সিংহাসনও কেঁপে যাবে। এটা কেবল প্রথম উইকেটের পতন, এখানেই থামবে না লড়াই। যে সরকার সম্পর্কে বলা হতো, পদত্যাগের কোনো নিয়ম নেই তাদের অভিধানে, সেই সরকারকেও মাথা নত করতে হলো - শুধু মাথা নত করানোর মতো মানুষ দরকার ছিল।"

এক প্যারোডি পেজ থেকে ইতিহাস গড়া আন্দোলনের নেতা অভিজিৎ দীপকে।


"আমরা এখানেই থেমে যাবো না। এটি তো কেবল শুরু। গত ৩৬ দিন ধরে যারা এখানে অবস্থান করছেন, সেই সব শিক্ষার্থী ও স্বেচ্ছাসেবকদের আমি সালাম জানাই," যোগ করেন অভিজিৎ।

তার এই বক্তব্য আন্দোলনের মূল শক্তিকে তুলে ধরে— সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম, যখন ইস্যুভিত্তিক রাজনীতিতে ঐক্যবদ্ধ হয়, তখন কোনো শক্তিশালী সরকারই তাদের দাবি উপেক্ষা করতে পারে না।

ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের ঘটনাটিকে দেশটির ইতিহাসে নজিরবিহীন ও বিরল হিসেবে দেখা হচ্ছে। ক্ষমতাসীন সরকারে এমন পদত্যাগের নজির খুঁজতে ফিরে যেতে হবে ২০১৮ সালে, যখন বিতর্ক ও চাপের মুখে ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এম জে আকবর পদত্যাগ করেছিলেন। ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দিল্লির যন্তর মন্তরকে কেন্দ্র করে প্রশ্নফাঁস-বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) বড় ধরনের জয় পেলো।

যেই ইস্যুতে উত্থান, সেটাতেই পতন
আরেকটি মজার বিষয় হচ্ছে, ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান যে ইস্যুতে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন, সেই প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে আন্দোলনে তার নিজের রাজনৈতিক উত্থান শুরু হয়েছিল। তিন দশক আগে ১৯৯৭ সালে ওডিশায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে রাজপথে নেমেছিলেন তরুণ ধর্মেন্দ্র। সে সময় তিনি ছিলেন আরএসএসের ছাত্র সংগঠন অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এবিভিপি) নেতা। ভুবনেশ্বরে তৎকালীন কংগ্রেস সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন তিনি। পুলিশের নির্যাতনে তার বেশ কয়েকটি হাড় ভেঙে গেলেও তিনি আন্দোলন থেকে সরে আসেননি। সেই আন্দোলনের মাধ্যমেই জাতীয় পরিচিতি পান ধর্মেন্দ্র, যা তাকে পরে বিজেপির শক্তিশালী নেতা ও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হতে সাহায্য করে।

'ধর্মেন্দ্র প্রধান আমাদের ভবিষ্যত নন'— ব্যানার হাতে শিক্ষার্থীরা জানিয়ে দিচ্ছে, তারা আর নীরব থাকবে না।


একই ইস্যুতে যেখানে তার উত্থান, সেখানেই তার পতন— এই দ্বৈরথই যেন ধর্মেন্দ্র প্রধানের রাজনৈতিক জীবনের এক মর্মান্তিক পরিণতি। এক সময় তিনি ছিলেন আন্দোলনকারী, আর আজ তিনি সেই প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, যার বিরুদ্ধে এই আন্দোলন হচ্ছে। সিজেপির আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা যখন যন্তর মন্তরে তার পদত্যাগের দাবিতে স্লোগান দিচ্ছিল, তখন হয়তো ধর্মেন্দ্রের মনে পড়ছিল ১৯৯৭ সালের সেই দিনগুলোর কথা, যখন তিনি নিজেও ছিলেন তেমনি এক আন্দোলনের নেতা। প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে তার নিজের সেই লড়াইয়ের স্মৃতি হয়তো তাকে এই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করেছিল। কারণ, তিনি নিজেই জানেন, প্রশ্নফাঁসের মতো ইস্যুতে একজন শিক্ষামন্ত্রীকে দায় নিতে হয়!

গণতন্ত্রের নতুন দৃষ্টান্ত
এই জয়ের তাৎপর্য বোঝার জন্য পেছনে তাকানো জরুরি। যে সরকার এতদিন কোনো বিরোধী দল, কোনো প্রাতিষ্ঠানিক আন্দোলনকে পাত্তা দেয়নি, একটা নিছক বিদ্রুপ থেকে জন্ম নেওয়া, কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলও নয় এমন একটা অনলাইন প্ল্যাটফর্মের চাপে তাকে নতি স্বীকার করতে হলো।

ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে ককরোচ জনতা পার্টির এই জয় এক অভূতপূর্ব ঘটনা। এর গুরুত্ব কেবল একজন মন্ত্রীর পদত্যাগের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি ভারতের গণতান্ত্রিক চেতনার জন্য এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। প্রথমত, এই আন্দোলন প্রমাণ করেছে যে কোনো প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দল বা আনুষ্ঠানিক কাঠামো ছাড়াই জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ শক্তিশালী সরকারকেও নতি স্বীকার করাতে পারে। দ্বিতীয়ত, সোশ্যাল মিডিয়ার শক্তি ও তরুণ প্রজন্মের সংগঠিত ক্ষোভ যে কোনো ইস্যুকে কীভাবে জাতীয় আন্দোলনে রূপান্তরিত করতে পারে, তার এক উজ্জ্বল উদাহরণ এই ঘটনা। তৃতীয়ত, এই আন্দোলন ইস্যুভিত্তিক রাজনীতির গুরুত্বকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেছে, যেখানে সাম্প্রদায়িক ও দলগত বিভাজনের ঊর্ধ্বে উঠে সাধারণ মানুষের প্রকৃত সমস্যাগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। চতুর্থত, এটি প্রমাণ করেছে যে হাস্যরস ও বিদ্রুপের মাধ্যমেও শক্তিশালী প্রতিবাদ গড়ে তোলা সম্ভব, যা নিপীড়িত ও নিরাশ জনগণকে সাহস যোগাতে পারে। এই জয়ের মাধ্যমে একটি বার্তা স্পষ্ট হয়ে গেল— গণতন্ত্রে জনগণের কণ্ঠস্বরই শেষ কথা, আর জনগণ যখন ঐক্যবদ্ধ হয়, তখন কোনো ক্ষমতাই অজেয় থাকে না।

তেলাপোকাদের এই আন্দোলন প্রমাণ করে দিল, ক্ষমতা যত বড়ই হোক, তাকে বিদ্রুপ করার সাহসটাই আসল অস্ত্র - অপমানকে যদি ঠিকঠাক ঘুরিয়ে দেওয়া যায়, সেটাই হয়ে উঠতে পারে সবচেয়ে ধারালো প্রতিবাদ। সোশ্যাল মিডিয়ার শক্তি, তরুণ প্রজন্মের সংগঠিত ক্ষোভ আর একটা রসিকতাকে রাজনৈতিক পরিচয়ে রূপান্তরিত করার সাহস - এই তিনের মিশেলেই তেলাপোকার দল কাঁপিয়ে দিল নয়াদিল্লির সিংহাসন। দিলীপ স্যারের সেই হাসির কথাটা তাই আজ আর নিছক রসিকতা মনে হচ্ছে না - তেলাপোকাও যে সত্যিই পাখি হয়ে উড়তে পারে, ভারতের এই তরুণেরা সেটাই দেখিয়ে দিলেন।

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ