ইরানে হামলার নেপথ্যে সৌদি আরব ও ইসরায়েল: রয়টার্স, ওয়াশিংটন পোস্ট
শনিবার সকাল থেকে ইরান বিভিন্ন স্থানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার শিকার হয়েছে। এই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া দেশটির শীর্ষ অনেক নেতা ও কমান্ডারও নিহত হয়েছেন।
রয়টার্স ও ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার নেপথ্যে রয়েছে ইসরায়েল ও সৌদি আরব। দেশ দুটি ক্রমাগত চাপ প্রয়োগ করায় যুক্তরাষ্ট্র ইরানে সামরিক অভিযান চালায়।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি যুবরাজ প্রকাশ্যে কূটনৈতিক সমাধান চাইতেন এবং তেহরানে হামলার জন্য সৌদির ভূখণ্ড ব্যবহারের অনুমতি দিচ্ছিলেন না। কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ব্যক্তিগত বৈঠকে তিনি ভিন্ন বার্তা দিতেন এবং ইরানে হামলা না করলে পরিণতি খারাপ হবে বলে সতর্ক করতেন।
ওয়াশিংটন পোস্ট তাদের প্রতিবেদনে সৌদি আরব ও ইসরায়েলের যৌথ পদক্ষেপকে “মধ্যপ্রাচ্যের অস্বাভাবিক মার্কিন মিত্র জুটি” হিসেবে উল্লেখ করেছে। দেশ দুটি ট্রাম্পকে ইরানের নেতা খামেনিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে অভিযান চালানোর জন্য প্ররোচিত করেছে।
রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, সৌদি যুবরাজ ট্রাম্পের সঙ্গে একাধিকবার ইরানে হামলা শুরু করার বিষয়ে আলোচনা করেছেন। তবে প্রকাশ্যে তিনি বলেছিলেন, সৌদি আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ইরানে হামলার জন্য ব্যবহার হবে না। একই সঙ্গে, যুবরাজ ও তার ভাই খালিদ বিন সালমান মার্কিন কর্মকর্তাদেরকে জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যদি যুক্তরাষ্ট্র উল্লেখযোগ্য সামরিক পদক্ষেপ না নেয়, ইরান আরও শক্তিশালী ও বিপজ্জনক হয়ে উঠবে।
সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, ইরানে সরকার পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত হামলা চালানো হবে।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে