শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডসহ বিচার বিভাগে যা ঘটেছে ২০২৫ সালে
২০২৪ সালে বিচার বিভাগে ঘটেছিলো এক নতুন ঘটনা। ওই বছর ইতিহাসে প্রথম আপিল বিভাগের সব বিচারপতির একযোগে পদত্যাগ ও হাইকোর্টের বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদকে সরাসরি প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। আর ২০২৫ সালে বিচার বিভাগের ঐতিহাসিক ঘটনা ছিলো আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় উদ্বোধন ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফিরে আসা। এছাড়াও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ও সিদ্ধান্ত হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে।
শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড:
২০২৫ সালের ১৭ নভেম্বর জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১ ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানকে মৃত্যুদণ্ড দেন। শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খানের অনুপস্থিতিতে এই রায় ঘোষণা করা হয়। পলাতক থাকায় ওই রায়ের বিরুদ্ধে তারা আপিলের সুযোগ পাননি। ওই রায়ের পর ভারতে থাকা শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাতে অন্তর্বর্তী সরকার চিঠি পাঠায় নয়াদিল্লিতে। তবে এখনো তার কোনো জবাব দেয়নি ভারত।
অন্তর্বর্তী সরকারের শপথের বৈধতা:
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের গঠন ও শপথ গ্রহণ বৈধ বলে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রাখেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। গত ৪ ডিসেম্বর প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ সর্বসম্মতিক্রমে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা লিভ টু আপিল খারিজ করে রায় দেন। এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকারের গঠন ও শপথ গ্রহণের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আইনজীবী মুহাম্মদ মহসেন রশিদের করা রিটটি সরাসরি খারিজ করেন হাইকোর্ট। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে পরে তিনি আপিল বিভাগে আবেদন করেন।
হাইকোর্টের পূর্ণাঙ্গ আদেশে পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছিল, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার আইনি নথিপত্র দ্বারা সমর্থিত এবং জনগণের ইচ্ছায় গঠিত হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের মতামতের ভিত্তিতে এই সরকারের গঠন ও শপথকে যৌক্তিক বলে উল্লেখ করেছিলেন হাইকোর্ট। এরপর ২৫ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে লিভ টু আপিল করেন মুহসেন রশিদ।
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ জারি:
গত ১১ ডিসেম্বর বিচার বিভাগের পৃথক সচিবালয়ের উদ্বোধন করেন তৎকালিন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ। ওইদিন সুপ্রিম কোর্ট চত্বরে এ সচিবালয় ভবনের উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেন, ‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রাখতে ভবিষ্যত সরকারের সমর্থন লাগবে। শুধু তাই নয় স্বাধীন বিচার বিভাগের সফলতা ও ব্যর্থতা—দুটিই আমাদের মানতে হবে।’ তিনি বলেন, সবার সম্মিলিত প্রয়াসেই পৃথক সচিবালয় করা সম্ভব হয়েছে।’ এর আগে, গত ২০ নভেম্বর অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা-সংক্রান্ত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশের খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।
সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ আইন:
প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতি নিয়োগ প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও স্বাধীন করতে সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয়েছে। এতে প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ প্রদানের একটি কাঠামো দিয়েছে, যদিও এই অধ্যাদেশ নিয়ে বিতর্ক ও রিট হয়েছে, যা বিচার বিভাগীয় নিয়োগে একটি নতুন আইন বা নীতিমালার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছে।
সুপ্রিম জুডিসিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল:
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে অতিরিক্ত বিচারক পদে নিয়োগে আগ্রহী ব্যক্তিদের কাছ থেকে দরখাস্ত আহ্বান করা হয়েছে। ২০২৫ সালের সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশের ৭(ক) ধারা অনুসারে অতিরিক্ত বিচারক পদে নিয়োগের উদ্দেশ্যে এই দরখাস্ত আহ্বান করা হয়েছে।
সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে গত ২৬ নভেম্বর এই গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগে বিচারক নিয়োগের লক্ষ্যে উপযুক্ত ব্যক্তি বাছাই করে প্রধান বিচারপতি কর্তৃক রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দিতে ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ-২০২৫’ গত ২১ জানুয়ারি গেজেট আকারে জারি করে আইন মন্ত্রণালয়। অধ্যাদেশের ৩ ধারা অনুসারে, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক পদে নিয়োগের নিমিত্ত বা পরামর্শ প্রদান প্রক্রিয়ায় প্রধান বিচারপতিকে সহায়তার উদ্দেশ্যে উপযুক্ত ব্যক্তি বাছাইপূর্বক সুপারিশ করার জন্য একটি স্থায়ী কাউন্সিল থাকবে। আর তা ‘সুপ্রিম জুডিসিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল’নামে অভিহিত হবে। অধ্যাদেশের বিধান অনুসারে ‘সুপ্রিম জুডিসিয়াল অ্যাপয়েন্টমেন্ট কাউন্সিল’ গঠিত হয়েছে।
সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলের মাধ্যমে বিচারক অপসারণ:
সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অপসারণ ক্ষমতা সংসদের হাতে ন্যস্ত করা হলেও পরে হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ এ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করেন। যদিও এ বিষয়ে দায়ের করা রিভিউ আবেদন দীর্ঘদিন অনিষ্পন্ন ছিল। সর্বশেষ ২০২৪ সালের ২০ অক্টোবর আপিল বিভাগ রিভিউ নিষ্পত্তি করলে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিল পুনরুজ্জীবিত হয়। এই কাউন্সিলের মাধ্যমে বিচারপতি খিজির হায়াতকে গত ১৮ মার্চ এবং বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানকে ২১ মে অপসারণ করা হয়। এছাড়া সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারকে অপসারণ করা হয়েছে। সংবিধানে পুনর্বহাল করা অনুচ্ছেদ ৯৬-এর দফা (৬) অনুযায়ী তাদের অপসারণ করেন রাষ্ট্রপতি। আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
ফিরলো তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা:
নির্বাচনকালীন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানে পুনর্বহালের রায় দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। তবে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নয়, তার পরের জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে এ ব্যবস্থা কার্যকর হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে রায় ঘোষণার নির্ধারিত দিনে ২০ নভেম্বর তৎকালিন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মিত বেঞ্চ রায় ঘোষণা করেন। ১৪ বছর আগে বাতিল হওয়া তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা আপিল বিভাগের রায়ের মাধ্যমে সংবিধানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পুনর্বহাল হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন তৎকালিন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
জামায়াতের নিবন্ধন নিয়ে ইসিকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ
রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন অবৈধ ঘোষণা করা হাইকোর্টের রায় বাতিল করে রায় দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে বাতিল হওয়া নিবন্ধন ও অন্যান্য বিষয়ে দলটির করা আবেদন নিষ্পত্তি করতে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) নির্দেশ দিয়েছেন।
এছাড়া সর্বোচ্চ আদালত বলেন, জামায়াতে ইসলামীর ‘পেন্ডিং রেজিস্ট্রেশন’ ও অন্যান্য বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। অন্যদিকে, দলীয় প্রতীক সংক্রান্ত জামায়াতের আবেদন প্রত্যাহারের আবেদন কোনো পর্যবেক্ষণ না দিয়ে মঞ্জুর করেন সর্বোচ্চ আদালত। দলটির পক্ষে করা আপিল মঞ্জুর করে গত ১ জুন আপিল বিভাগ এ রায় দেন।
খালেদা জিয়ার খালাসের রায় আপিলেও বহাল:
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা অর্থদণ্ড থেকে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া খালাসের রায় বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) করা পৃথক তিনটি লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) খারিজ করে ৩ মার্চ সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বে তিন সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস পান এটিএম আজহার:
মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা মামলায় জামায়াতে ইসলামীর নেতা এটিএম আজহারুল ইসলামকে মৃত্যুদণ্ড দিয়ে রায় ঘোষণা করেছিলেন তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ওই মৃত্যুদণ্ড থেকে খালাস দিয়ে রায় ঘোষণা করেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। আজহারুলের আপিল আবেদন মঞ্জুর করে ২৭ মে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মিত বেঞ্চ ওই রায় ঘোষণা করেন।
তারেক-বাবরের খালাসের রায় আপিলেও বহাল:
২০০৪ সালের একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ সব আসামিকে খালাস দিয়ে হাইকোটের দেওয়া রায় বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিলের শুনানি শেষে ৪ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ এ রায় দেন। এছাড়া জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ১০ বছরের সাজা থেকে খালাস দেন আপিল বিভাগ। গত ১৫ জানুয়ারি এ রায় দেন তৎকালিন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের আপিল বিভাগের বেঞ্চ।
সুপ্রিম কোর্টের এজলাসে প্রবেশ সীমিত:
নিরাপত্তার কারণে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের এজলাসকক্ষে ১৫ ডিসেম্বর থেকে আইনজীবী ছাড়া বিচারপ্রার্থী বা অপ্রত্যাশিত কোনো ব্যক্তির প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রিত করে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। প্রধান বিচারপতির আদেশক্রমে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানানো হয়। যা সুপ্রিম কোর্টে একটি বিরল ঘটনা।
নতুন প্রধান বিচারপতি নিয়োগ:
বাংলাদেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে গত ২৮ ডিসেম্বর শপথ নিয়েছেন জুবায়ের রহমান চৌধুরী। ওইদিন বঙ্গভবনে তাকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। সংবিধান অনুযায়ী অবসরের বয়স ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় গত ২৭ ডিসেম্বর অবসরে যান দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।
অ্যাটর্নি জেনরেলেন আসাদুজ্জামানের বিদায়:
২০২৫ সালের শেষ সময়ে ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করে দেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান তার পদ থেকে পদত্যাগ করেন। গত ২৭ ডিসেম্বর তিনি রাষ্ট্রপতি বরাবর তার পদত্যাগপত্র জমা দেন। একই দিনে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে তিনি তার অব্যাহতিপত্র দাখিল করেন। আসাদুজ্জামান জানান, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার লক্ষ্যেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মো. আসাদুজ্জামান ঝিনাইদহ-১ (শৈলকূপা) আসন থেকে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন।
মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে