হাইকোর্টে এক দিনেই নিষ্পত্তি ২৪১১ পুরোনো মামলা
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের বারান্দায় কালেমাখচিত পতাকা টানানোর ঘটনায় একটি কক্ষের চার শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে হল প্রশাসন। বৃহস্পতিবার হলের ওয়ার্ডেন ও তদন্ত কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক মীর ফেরদৌস হোসেন স্বাক্ষরিত ওই নোটিশ দেওয়া হয়।
কারণ দর্শানোর চিঠি পাওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন রসায়ন বিভাগের ৫৩তম ব্যাচের আরিফ হাসনাত (শামীম), লোক প্রশাসন বিভাগের ৫০তম ব্যাচের মো. রাকিব, রসায়ন বিভাগের ৫২তম ব্যাচের মো. গিয়াসউদ্দিন এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৫৫ ব্যাচের সাদ আব্দুর রহমান। তারা সবাই হলটির ৩০২ নম্বর কক্ষের আবাসিক শিক্ষার্থী। তবে এদের মধ্যে সাদ আব্দুর রহমান এখনো কক্ষটিতে ওঠেননি বলে জানা গেছে।
নোটিশে বলা হয়েছে, ২৭ জুন হলের ৩য় তলার ‘এ’ ব্লকের ৩০২ নম্বর কক্ষের বারান্দায় একটি কালেমাখচিত পতাকা টানানো দেখা যায়। বিষয়টি পরে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত হলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। ওই কক্ষের আবাসিক শিক্ষার্থী হিসেবে এ ঘটনার দায় আপনি এড়াতে পারেন না। এমতাবস্থায় ওই বিষয়ে আপনার লিখিত বক্তব্য ৫ জুলাইয়ের মধ্যে দাখিল করার জন্য অনুরোধ করা হলো।
হল প্রশাসন ও কয়েকজন শিক্ষার্থী জানান, ২৭ জুন হলের একটি কক্ষের বারান্দায় সাদা কাপড়ের মধ্যে কালেমা লেখা পতাকা টানানো দেখা যায়। কয়েকজন শিক্ষার্থী পতাকাটির ছবি ‘তালেবানি পতাকা’ লিখে সমালোচনা করে ফেসবুকে পোস্ট করলে অভিযুক্তরা সেটি নামিয়ে ফেলেন। ঘটনার পর গত বুধবার হলের ওয়ার্ডেন অধ্যাপক মীর ফেরদৌস হোসেনকে আহবায়ক করে তদন্ত কমিটি গঠন করে হল প্রশাসন। এরপর চার শিক্ষার্থীকে আলাদা আলাদা চিঠি দিয়ে কারণ দর্শাতে বলা হয়।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘হলে একটি পতাকা টানানোর পর সেটার ছবি এক শিক্ষার্থী ফেসবুকে দেওয়ার পর বিষয়টি আমাদের নজরে আসে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় এ ধরনের পতাকা নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে। সেই জায়গা থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য তদন্ত কমিটি করা হয়েছে।’
মতামত দিন