ইয়ুথ ক্লাব
স্টার্টআপ, নেতৃত্ব ও নতুন রাষ্ট্রচিন্তার আহ্বান
বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন কিছু সময় আসে, যখন একটি প্রজন্মের সিদ্ধান্তই নির্ধারণ করে পরবর্তী কয়েক দশকের জাতীয় গতিপথ। আজ আমরা ঠিক তেমনই এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছি। বিশ্বব্যাপী অর্থনীতি, প্রযুক্তি, কর্মসংস্থান এবং রাষ্ট্রচিন্তার ধরন দ্রুত বদলে যাচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল অর্থনীতি, স্টার্টআপ সংস্কৃতি, সবুজ প্রযুক্তি এবং চতুর্থ শিল্পবিপ্লব মানবসভ্যতাকে নতুন বাস্তবতার দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এই পরিবর্তনের সময়ে প্রশ্ন শুধু বাংলাদেশ কোথায় দাঁড়িয়ে আছে তা নয়; বরং প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশের তরুণেরা নিজেদের কোথায় দেখতে চায়।
সংকটাপন্ন অবস্থায় বাংলাদেশ: জীবন বাঁচান, তামাক শিল্প নয়
বাংলাদেশ বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্যের এক অগ্রণী দেশ হিসেবে পরিচিত। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অব টোব্যাকো কন্ট্রোল (FCTC) তে স্বাক্ষরকারী প্রথম দেশ বাংলাদেশ। এই চুক্তির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে ধারা ৫ দশমিক ৩- একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান, যাতে বলা হয়েছে যে, তামাক শিল্পের স্বার্থ জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে মৌলিকভাবে ও চূড়ান্তভাবে বিরোধপূর্ণ। এই চুক্তিতে স্বাক্ষরের মাধ্যমে সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, নাগরিকদের তামাকজনিত ধ্বংসাত্মক ক্ষতি থেকে রক্ষা করবে এবং নীতি প্রণয়ন প্রক্রিয়াকে তামাক কোম্পানির প্রভাবমুক্ত রাখবে। এটি নিছক কোনো ঘোষণা নয়, বরং মানব ইতিহাসের অন্যতম ধ্বংসাত্মক মহামারি থেকে দেশকে সুরক্ষিত রাখার একটি বাধ্যতামূলক অঙ্গীকার।
যেখানে আমার মন পড়ে রয়
সপ্তাহে একবার ঢাকার হট্টগোল ছেড়ে আমি বাড়ির পথে রওয়ানা হই। বিমানবন্দরে এসেই গন্ধ পাই জেট জ্বালানির। তুমুল ব্যস্ততা চারদিকে; কিন্তু আমার কাছে এটি শুধু টার্মিনাল নয়, পবিত্র কিছুর কাছে যাওয়ার সূচনাবিন্দু। একা একা ভ্রমণ করি, শখে বা কাজে নয়, প্রাণের টানে। পরিবারের কাছে যাই। এমন এক আকুলতার দিকে ছুটে যাই, যা এই শহর আমাকে দিতে পারে না। বাড়ি।