আলীমের বুকে ছিল অনেক গুলির চিহ্ন
রায়েরবাজারের বধ্যভূমিতে আমি কখনো যাইনি। যাওয়ার এবং দেখার ইচ্ছে হয়েছে অনেকবার; কিন্তু যেতে পারিনি। ওখানে হাঁটার কথা ভাবলে আপনা থেকেই পা দুটি আড়ষ্ট হয়ে আসে। হিম হয়ে আসতে থাকে শরীর। শরীরের প্রতিটি অঙ্গ। মনে হয়, কী করে হাঁটব সেই পথ ধরে, যার ওপর দিয়ে সারি বেঁধে অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর দিকে পায়ে পায়ে এগিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিল তারা! শুনেছি, মিরপুরের ফিজিক্যাল ইনস্টিটিউটে তাদের চোখ বেঁধে, হাত বেঁধে অন্ধকার কুঠুরিতে ফেলে রাখা হয়েছিল। তারপর কাকডাকা ভোরে লাইন করে দাঁড় করিয়ে গুলি আর বেয়নেট চার্জ করে ক্ষতবিক্ষত করে ইটের ভাটায় ফেলে দেয়া হয়েছিল।
