Views Bangladesh Logo

বিচার যখন ছিনিয়ে আনতে হয় (২য় পর্ব)

ইয়াসমিন ট্র্যাজেডির ৩০ বছর

তিন দশক পর: বৃত্তটি আজও ঘুরছে
ইয়াসমিন হত্যার তিন দশক পেরিয়েও যে সংকটের বিরুদ্ধে দিনাজপুর রুখে দাঁড়িয়েছিল, তা নিঃশেষ হয়নি; বরং কোনো কোনো দিক থেকে তা আরও ভয়ংকর মুখ নিয়ে সামনে এসেছে। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের ‘নারী ও কন্যা নির্যাতন: ২০২৫ সমীক্ষা’-র একটি তথ্য বিশেষভাবে হৃদয় কাঁপিয়ে দেয়: এই সমীক্ষা অনুযায়ী, ধর্ষণের শিকার কন্যাশিশুদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে ছয় থেকে নয় বছর বয়সীরা। যে বয়সে শিশুর কোলে থাকার কথা পুতুল, সেই বয়সেই সে হয়ে উঠছে পাশবিকতার শিকার, এর চেয়ে গভীর সামাজিক লজ্জা আর হয় না। সংগঠনটির সাম্প্রতিক হিসাব বলছে, ২০২৬ সালের কেবল প্রথম পাঁচ মাসেই (জানুয়ারি থেকে মে) ১ হাজার ৩৫ জন নারী ও কন্যাশিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে, যাদের মধ্যে ২৫০ জন ধর্ষণ, ৬৫ জন সংঘবদ্ধ ধর্ষণ এবং ১৮ জন ধর্ষণের পর হত্যার শিকার। আর এই সংখ্যা কেবল সংবাদপত্রে প্রকাশিত ঘটনার; অভিযোগহীন, চাপা পড়ে থাকা ঘটনার প্রকৃত সংখ্যা যে এর বহু গুণ, তা সহজেই অনুমেয়।

সরকারি জরিপও এই অদৃশ্য বিস্তারের ভয়ংকর ইঙ্গিত দেয়। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের সহায়তায় পরিচালিত ‘নারীর প্রতি সহিংসতা জরিপ ২০২৪’-এর ফলাফল অনুযায়ী, অংশ নেওয়া নারীদের প্রায় ৭৬ শতাংশ জীবনে অন্তত একবার জীবনসঙ্গীর কোনো না কোনো ধরনের সহিংস বা নিয়ন্ত্রণমূলক আচরণের মুখোমুখি হয়েছেন, এবং সবচেয়ে বেদনাদায়ক, ভুক্তভোগীদের একটি বড় অংশ তা কখনো কাউকে জানাননি। এই নীরবতা কেবল ভয় নয়, এর পেছনে আছে সামাজিক অপবাদ, অর্থনৈতিক অসহায়তা, মামলার দীর্ঘসূত্রতা এবং বিচার চাইতে গিয়ে উল্টো হয়রানির আতঙ্ক। অর্থাৎ নারীর নিরাপত্তা কেবল আইনশৃঙ্খলার প্রশ্ন নয়, একই সঙ্গে তা অর্থনীতি, সমাজ ও বিচারপ্রাপ্তিরও প্রশ্ন।

সবচেয়ে মর্মান্তিক হলো, ইয়াসমিনের ঘটনার সেই একই বৃত্ত আজও ঘুরে চলেছে, কেবল ভুক্তভোগীর নাম আর মুখ বদলে যাচ্ছে। ২০২৫ সালের মার্চে মাগুরায় আট বছরের এক শিশু ধর্ষণ ও হত্যার শিকার হয়। রাইজিংবিডির প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ঘটনায় দেশজুড়ে বিক্ষোভের মুখে সরকার তড়িঘড়ি করে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করে, যেখানে ধর্ষণ মামলার বিচার অভিযোগ গঠনের ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে শেষ করা এবং শিশু ধর্ষণের জন্য পৃথক ট্রাইব্যুনালের বিধান রাখা হয়। ইয়াসমিন থেকে মাগুরা, ঘটনাপ্রবাহের ছকটি প্রায় এক ও অভিন্ন: একটি লোমহর্ষক অপরাধ, তারপর জাতীয় ক্ষোভ, তারপর রাষ্ট্রের তড়িঘড়ি প্রতিক্রিয়া। ত্রিশ বছরে এই ছক বদলায়নি, বদলেছে কেবল সন্তানহারা মায়ের মুখ।

আগস্ট ২০২৪-পরবর্তী পরিসংখ্যান: গভীরতর এক সংকট
সবচেয়ে উদ্বেগজনক সাম্প্রতিক প্রবণতাটি ধরা পড়ে ২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরবর্তী সময়ে। একাধিক স্বতন্ত্র উৎসের পরিসংখ্যান একই বার্তা দিচ্ছে: নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা কমেনি, বরং হিসাবযোগ্য প্রায় প্রতিটি সূচকে তা বেড়েছে। পুলিশ সদর দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে সারা দেশে নারী ও শিশু নির্যাতনের অভিযোগে মামলা হয়েছে ২১ হাজার ৯৩৯টি, ২০২৪ সালের তুলনায় নারী নির্যাতনের মামলা বেড়েছে প্রায় ২৫ শতাংশ এবং ধর্ষণের মামলা বেড়েছে প্রায় ২৭ শতাংশ। একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিসংখ্যানে কেবল ২০২৫ সালেই সারা দেশে রেকর্ড সাত হাজারের বেশি ধর্ষণের মামলা হয়েছে। আর উচ্চ আদালতের তথ্য বলছে, গত বছরের শেষে দেশের ৯৯টি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন ছিল ১ লাখ ৩২ হাজারের বেশি মামলা, যার একটি বিশাল অংশ পাঁচ বছরেরও বেশি পুরোনো। বিচারহীনতার এই পাহাড়ই সহিংসতাকে নীরবে প্রশ্রয় দেয়।

বাংলাদেশ প্রতিদিনের বর্ষশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ধর্ষণচেষ্টার শিকার ২০২৪ সালে ছিলেন ৯৪ জন, ২০২৫ সালে তা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়ায় ১৮১ জনে; ধর্ষণের পর হত্যার শিকার ২০২৪ সালে ছিলেন ২৩ জন, ২০২৫ সালে ২৯ জন। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের বিশ্লেষণে, ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালের প্রথম সাত মাসেই ধর্ষণ বেড়েছে প্রায় ৬০ শতাংশ। একই সময়ে বাল্যবিবাহও তীব্রভাবে বেড়েছে: ২০২৪ সালের পুরো বছরে যেখানে ২০টি বাল্যবিবাহ নথিভুক্ত হয়েছিল, সেখানে ২০২৫ সালের কেবল জানুয়ারি থেকে জুন, এই ছয় মাসেই তা দাঁড়ায় ৬১টিতে, অর্থাৎ প্রায় তিন গুণ। মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের (এমএসএফ) মাসভিত্তিক পর্যবেক্ষণেও একই ঊর্ধ্বমুখী ধারা: ২০২৬ সালের এপ্রিলে যেখানে ধর্ষণের ঘটনা ছিল ৫৪টি, মে মাসে তা বেড়ে হয় ৭৮টি, অর্থাৎ এক মাসেই প্রায় ৪৪ শতাংশ বৃদ্ধি।

উৎস যা-ই হোক, স্বাধীন একাধিক পর্যবেক্ষণে প্রবণতার অভিমুখ অভিন্ন, আর সেটিই সবচেয়ে উদ্বেগজনক। রাষ্ট্রীয় কাঠামোয় নারীর নিরাপত্তা যদি সরকার বা শাসনামল-নির্বিশেষে দুর্বল থেকে যায়, তবে তা কোনো একটি রাজনৈতিক পক্ষের ব্যর্থতা নয়, বরং এক স্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক সংকটেরই সাক্ষ্য। ইয়াসমিন আন্দোলনের অন্যতম নেতা মনোরঞ্জন শীল গোপালের একটি সাম্প্রতিক মন্তব্য এই বেদনাকেই ধারণ করে; তিনি বলেছেন, ‘ইয়াসমিন আন্দোলনের যে লক্ষ্য তা আজও অর্জিত হয়নি; নারীরা এখনো নিরাপদ নয়’।

ন্যায়সংগতভাবেই কেউ কেউ বলতে পারেন, এই মূল্যায়ন অতিরিক্ত নৈরাশ্যবাদী। তাঁরা যুক্তি দেবেন, ইয়াসমিন-পরবর্তী তিন দশকে অগ্রগতি কম হয়নি: নারী নির্যাতন আজ সমাজে অনেক বেশি দৃশ্যমান ও আলোচিত, একটি সুনির্দিষ্ট আইন (নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০) তৈরি হয়েছে, ডিএনএ পরীক্ষার মতো ফরেনসিক ব্যবস্থা যুক্ত হয়েছে, এবং মাগুরার মতো ঘটনায় দ্রুত রায় দেখিয়ে দিচ্ছে বিচার আগের চেয়ে ত্বরান্বিত হতে পারে। এই যুক্তিগুলো ফেলনা নয়। ইয়াসমিনের সময়ের তুলনায় আজ অন্তত একটি ন্যূনতম আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো দাঁড়িয়ে গেছে, যা তখন ছিল না; প্রতিবাদের ভাষা ও পরিসরও প্রসারিত হয়েছে।

কিন্তু এই অগ্রগতির একটি নিষ্ঠুর সীমা আছে। যে সূচকটি আসলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তা হলো, সাধারণ ও ‘ভাইরাল’ নয় এমন একটি মামলাও কি দ্রুত ও নিশ্চিত বিচার পায়? এখানেই ঘাটতিটি প্রকট। নারী অধিকার ও আইন অঙ্গনের অভিজ্ঞজনেরা বারবার এই সত্যেই আঙুল রেখেছেন। সাবেক বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ যেমন মনে করিয়ে দিয়েছেন, আলোচিত বা ভাইরাল ঘটনার বাইরেও সব ধরনের নারী ও শিশু নির্যাতনের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। প্রতিক্রিয়াশীল আইন প্রণয়ন আর প্রাতিষ্ঠানিক নির্ভরযোগ্যতা এক জিনিস নয়। একটি ঘটনার তীব্রতা যখন গণমাধ্যম ও রাজপথে যথেষ্ট চাপ তৈরি করে কেবল তখনই যদি ব্যবস্থা নড়েচড়ে বসে, তবে বুঝতে হবে জবাবদিহি এখনো নিয়ম হয়ে ওঠেনি, রয়ে গেছে ব্যতিক্রম হিসেবেই। ইয়াসমিন থেকে মাগুরা, এই দীর্ঘ ও রক্তাক্ত ধারাবাহিকতাই সে কথা বলে।

ইয়াসমিন মামলায় সর্বোচ্চ দণ্ড কার্যকরের পেছনে প্রত্যাশা ছিল যে, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ভবিষ্যতের অপরাধ প্রতিরোধ করবে। তিন দশক পরের পরিসংখ্যান সেই প্রত্যাশাকে অন্তত আংশিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করে। অপরাধবিজ্ঞানের একটি সুপরিচিত পর্যবেক্ষণ হলো, শাস্তির তীব্রতার চেয়ে শাস্তির নিশ্চয়তা অপরাধ নিয়ন্ত্রণে অধিক কার্যকর। কালেভদ্রে কোনো আলোচিত মামলায় দৃষ্টান্তমূলক দণ্ড, অথচ অধিকাংশ সাধারণ মামলায় দীর্ঘসূত্রতা ও বিচারহীনতা, এই সমীকরণ সম্ভাব্য অপরাধীর কাছে বরং এই বার্তাই পৌঁছে দেয় যে ধরা পড়া ও শাস্তি পাওয়ার সম্ভাবনা আসলে কম। তাই কেবল দণ্ড কঠোর করা নয়, প্রতিটি অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও নিশ্চিত বিচারই দীর্ঘমেয়াদে বেশি প্রতিরোধক্ষম হয়ে উঠতে পারে।

বিশেষভাবে উদ্বেগজনক সেই ক্ষেত্রগুলো, যেখানে অপরাধী রাষ্ট্রীয় বা প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতার সঙ্গে যুক্ত। ইয়াসমিনের বিচার ঠিক এই কারণেই এত কঠিন হয়ে উঠেছিল যে অভিযুক্তরা ছিল পুলিশ সদস্য; ক্ষমতার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অপরাধীর বিচার আজও তুলনামূলকভাবে ধীর ও অনিশ্চিত। অপরাধীর রাজনৈতিক বা প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয় নির্বিশেষে দ্রুত ও সমান বিচার নিশ্চিত করা, অর্থাৎ বিচারে কারও জন্য বিশেষ ছাড় না রাখা, এটিই ইয়াসমিন-অধ্যায়ের সবচেয়ে জরুরি এবং সম্ভবত সবচেয়ে কম অনুসৃত শিক্ষা।

ইয়াসমিনের পরিচয়ের সূত্র ধরেও একটি প্রশ্ন থেকে যায়। তিন দশক পরেও গৃহকর্মীরা, যাঁদের একজন ছিলেন ইয়াসমিন, শ্রম আইনের পূর্ণ সুরক্ষার বাইরে রয়ে গেছেন। ঘরের চার দেয়ালের ভেতরের এই শ্রম অনেকাংশে অদৃশ্য, নথিভুক্তিহীন ও তদারকির বাইরে, যা এই জনগোষ্ঠীকে নির্যাতনের বিরুদ্ধে বিশেষভাবে অরক্ষিত রাখে। সবচেয়ে প্রান্তিক নাগরিকের নিরাপত্তা যেখানে সবচেয়ে দুর্বল, সেখান থেকেই একটি সমাজের সুরক্ষা-কাঠামোর প্রকৃত মান পরিমাপ করা যায়। ইয়াসমিন সেই মানদণ্ডেই আমাদের বারবার ফিরিয়ে আনেন।

উপসংহার: স্মরণ থেকে পরিবর্তনের পথে
প্রতিবছর ২৪ আগস্ট আমরা কালো ব্যাজ পরি, স্মৃতিসৌধে ফুল দিই, আলোচনা সভায় বসি। এই আনুষ্ঠানিকতার মূল্য আছে, কিন্তু তা কোনোভাবেই যথেষ্ট নয়। দিবস পালন যখন প্রকৃত সংস্কারের বিকল্প হয়ে দাঁড়ায়, তখন তা এক ধরনের সামাজিক প্রশান্তি এনে আমাদের কর্তব্যবোধকে ভোঁতা করে দিতে পারে। ইয়াসমিনের প্রতি প্রকৃত মর্যাদা কেবল স্মরণে নয়, বরং সেই কাঠামোগত পরিবর্তনে, যা নিশ্চিত করবে, পরবর্তী কোনো কিশোরীকে যেন আর ন্যায়বিচারের জন্য একটি জনপদের রক্তের ওপর নির্ভর করতে না হয়।

এই পরিবর্তন দুই স্তরের। প্রথমত, আমাদের সামাজিক মানসিকতার, যেখানে ভুক্তভোগীকে দোষারোপের সংস্কৃতি এবং নারীকে সম্মানের বদলে সন্দেহের চোখে দেখার প্রবণতা এখনো প্রবল। দ্বিতীয়ত, রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার, যেখানে পুলিশি জবাবদিহি, নিরপেক্ষ তদন্ত, দ্রুত ও সমান বিচার এবং ভুক্তভোগীর সুরক্ষা কোনো নির্দিষ্ট ঘটনার চাপে নয়, বরং প্রতিদিনের স্বাভাবিক রুটিন হিসেবে কাজ করবে। এই দুইয়ের সমন্বয় ছাড়া কেবল আইন কঠোর করে বা দণ্ড বাড়িয়ে এই গভীর ক্ষতের নিরাময় সম্ভব নয়।

ইয়াসমিন আমাদের হাতে তুলে দিয়েছেন একটি আয়না, স্মৃতিস্তম্ভ নয়। সেই আয়নায় ভেসে ওঠে আমাদের বর্তমানের মুখ। সেই মুখ যদি আজও ধর্ষণের পরিসংখ্যানে, বিচারের অন্তহীন বিলম্বে আর ভুক্তভোগীর প্রতি সন্দেহে বিকৃত হয়ে থাকে, তবে বুঝতে হবে ইয়াসমিনের লড়াই আজও শেষ হয়নি। সেই দিনটিই হবে তাঁর প্রকৃত স্মারক, যেদিন কোনো কিশোরীর মৃত্যুর বিচার চাইতে আর কোনো দিবসের প্রয়োজন হবে না; যেদিন ন্যায়বিচার হবে রাষ্ট্রের নীরব ও স্বাভাবিক অভ্যাস, কোনো শোকার্ত জনপদের কাছ থেকে রক্তের বিনিময়ে ছিনিয়ে আনা কিছু নয়। ইয়াসমিন নামের সেই কিশোরী, যে কেবল নিরাপদে মায়ের কাছে ঘরে ফিরতে চেয়েছিল, তার সেই সামান্য অথচ পবিত্র চাওয়াটুকু পূরণ করাই হবে আমাদের পক্ষ থেকে তাকে দেওয়া সবচেয়ে বড় শ্রদ্ধাঞ্জলি।

১ম পর্ব
ইয়াসমিন ট্র্যাজেডির ৩০ বছর

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ