ছোট ভাইকে নিয়ে ইয়ামালের আবেগঘন উদযাপন
বিশ্বকাপ জয়ের পর লাল-হলুদ উৎসবে ভেসে যায় স্পেন। সতীর্থদের সঙ্গে শিরোপা উদযাপনের পর পরিবারের সদস্যদের জড়িয়ে ধরেন স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। তবে সেই উদযাপনের সবচেয়ে আলোচিত মুখ ছিলেন না ইয়ামাল নিজেই; বরং ছিলেন তার মাত্র তিন বছর বয়সী ছোট ভাই কিয়েন।
আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে স্পেনের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের পর ১৯ বছর বয়সী ইয়ামাল মাঠেই পরিবারের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করেন। মা শেইলা এবানা, প্রেমিকা ইনেস গার্সিয়া এবং ছোট ভাই কিয়েনকে নিয়ে তোলা ছবি ও ভিডিও মুহূর্তের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।
পুরো বিশ্বকাপজুড়েই গ্যালারিতে কিয়েনের নানা অভিব্যক্তি সমর্থকদের বিশেষ আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। কখনও উচ্ছ্বাস, কখনও বিস্ময়, আবার কখনও বড় ভাইয়ের খেলা দেখে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া—সব মিলিয়ে ছোট্ট এই শিশুটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে।
ম্যাচ শেষে একাধিকবার মাঠ থেকে স্টেডিয়ামের বড় পর্দায় নিজের ভাইকে খুঁজে দেখার চেষ্টা করেছেন ইয়ামাল। কিয়েনকে দেখতে পেয়ে হাত নাড়ানোর সেই আবেগঘন মুহূর্তগুলোও ভক্তদের হৃদয় ছুঁয়ে যায়।
ইয়ামালের মা শেইলা এবানাও নিয়মিত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলে কিয়েনের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করতেন। সেগুলো দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং অল্প সময়ের মধ্যেই কিয়েন বিশ্বকাপের অন্যতম পরিচিত শিশু মুখে পরিণত হয়।
বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দ ভাগাভাগি করতে মাঠে উপস্থিত ছিলেন ইয়ামালের প্রেমিকা ইনেস গার্সিয়াও। চলতি বছরের মে মাসে নিজেদের সম্পর্ক প্রকাশ্যে আনেন এই জুটি।
ফ্যাশন ও বিউটি ইনফ্লুয়েন্সার হিসেবে পরিচিত ইনেস পুরো বিশ্বকাপজুড়ে স্টেডিয়ামে উপস্থিত থেকে স্পেনকে সমর্থন করেছেন। জমকালো সাজের পরিবর্তে সহজ-সরল উপস্থিতির কারণে সমর্থকদের প্রশংসাও কুড়িয়েছেন তিনি।
পুরো টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন লামিনে ইয়ামাল। তবে মাঠের বাইরের গল্পে তার ছোট ভাই কিয়েনও সমানভাবে আলোচনায় ছিলেন। বিশ্বকাপের স্মরণীয় মুহূর্তগুলোর একটি হয়ে থাকবে দুই ভাইয়ের সেই আবেগঘন উদযাপন।
মতামত দিন