বাবা ছিলেন ফুটবলার, মা অ্যাথলেট—দুজনকেই জার্সিতে রাখলেন হলান্ড
ফর্মের তুঙ্গে আছেন বললেও কম বলা হয়ে যায়—নরওয়ের আর্লিং হলান্ড এখন যা ছুঁচ্ছেন, তা-ই যেন সোনায় পরিণত হচ্ছে। বিশ্বকাপের প্রথম দুই ম্যাচ শেষেই দলকে নিয়ে গেছেন পরের পর্বে, নিজেও করেছেন ৪ গোল। তবে এবার মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি আলাদা নজর কেড়েছে তার জার্সির পেছনের নামটিও—দীর্ঘদিনের চেনা নামটি বদলে গেছে এই বিশ্বকাপে।
২৮ বছর পর বিশ্বকাপে ফিরেছে নরওয়ে, আর হলান্ডের পারফরম্যান্সের ওপর ভর করেই দুই ম্যাচ শেষে নিশ্চিত হয়েছে পরের পর্বের টিকিট। ম্যানচেস্টার সিটি, ডর্টমুন্ড কিংবা নরওয়ের আগের জার্সিগুলোতে তার পিঠে বরাবরই লেখা থাকত শুধু ‘হলান্ড’। কিন্তু এবারের বিশ্বকাপে জার্সিতে দেখা যাচ্ছে দুটি নাম—‘ব্রাউট হলান্ড’।
এই ‘ব্রাউট’ ধার করা কোনো নাম নয়, বরং তার নিজেরই নামের অংশ। হলান্ডের পুরো নাম আর্লিং ব্রাউট হলান্ড—শেষ নামটি অনেকের চেনা হলেও দুটি নামই এসেছে তার বাবা-মায়ের পরিচয় থেকে। ১৯৯৮ সালে নরওয়ে জাতীয় দলে খেলেছিলেন তার বাবা আলফ-ইঙ্গে হলান্ড, আর মা গ্রি মারিতা ব্রাউট ছিলেন নরওয়ের পরিচিত হেপ্টাথলিট। এমন ক্রীড়ামোদী পরিবার থেকে উঠে আসা হলান্ড যখন বিশ্বমঞ্চে নিজেকে প্রমাণের লড়াইয়ে নেমেছেন, তখন বাবা-মা দুজনকেই যেন সঙ্গী করে নিয়েছেন তিনি।
২০২৫ সালেই জার্সিতে এই পরিবর্তনের ইচ্ছার কথা জানিয়েছিলেন হলান্ড, আর নরওয়ে ফুটবল ফেডারেশনও তা মেনে নেয়। নরওয়েতে নামকরণের ক্ষেত্রে বাবা ও মা—দুজনের নামই একসঙ্গে ব্যবহারের একটি প্রচলিত রীতি আছে, যা অনুসরণ করেই জার্সিতে দুই নাম লিখেছেন তিনি।
আর সেই নতুন নামের জার্সি গায়ে চাপিয়েই ২০২৬ বিশ্বকাপে দেখা যাচ্ছে হলান্ডের চেনা সেই ভয়ংকর ফর্ম। বাবা-মায়ের নাম কাঁধে নিয়ে আজ আইভরি কোস্টের বিপক্ষে শেষ বত্রিশের বাধা পেরোনোর পরীক্ষায় নামছেন তিনি।
মতামত দিন