Views Bangladesh Logo

সবুজবাগে তরুণীর খণ্ডিত মরদেহ: বান্ধবীসহ দুজনের হত্যার স্বীকারোক্তি

রাজধানীর সবুজবাগে ছুরাইয়া আক্তার ওরফে ফালানীকে হত্যার মামলায় তার বান্ধবী নুসরাত জাহান সাহিদা ও সাহিদার ‘পাতানো ভাই’ কবির হোসেন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। বুধবার জবানবন্দি রেকর্ড শেষে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। মামলার অপর চার আসামিকেও রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তা সবুজবাগ থানার উপপরিদর্শক নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে ফালানীকে হত্যা করা হয়েছে বলে তদন্তে উঠে এসেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, সাহিদার স্বামী রাব্বির সঙ্গে ফালানীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের বিষয়টি জানতে পারেন সাহিদা। ঘটনার দিন রাব্বির সঙ্গে ফালানীকে অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখে সাহিদা ছুরি দিয়ে তাকে আঘাত করেন।

পরে মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে সাহিদার সহযোগী শাওন ফালানীর মাথা বিচ্ছিন্ন করেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। শাওন ও রাব্বি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

গত ৬ আগস্ট সবুজবাগের মাদারটেক বাগানবাড়ির একটি গরুর খামারের পাশের সেতুর নিচ থেকে একটি খণ্ডিত মাথা ও দুই হাত উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ছবি দেখে এগুলো ১৯ বছর বয়সী ছুরাইয়া আক্তার ফালানীর বলে শনাক্ত করেন তার মা-বাবা।

এ ঘটনায় ওইদিনই অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে সবুজবাগ থানায় মামলা করা হয়। তদন্তে হত্যার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগে গত ২১ আগস্ট ফালানীর বান্ধবী সাহিদা, ফারুক ওরফে জামাই ফারুক, সুজন, মামুন ও রাফি ইসলাম ওরফে বাপ্পিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

এদিকে ফালানী হত্যার ঘটনায় রকির সম্পৃক্ততা পাওয়ার পর তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। গত মঙ্গলবার খিলগাঁও এলাকা থেকে কবিরকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বুধবার ছয় আসামিকে আদালতে হাজির করা হলে সাহিদা ও কবির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হন। জবানবন্দি রেকর্ডের পর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ