Views Bangladesh Logo

খামেনির অবস্থান শনাক্ত করে সিআইএ, হামলা চালায় ইসরায়েল

ইরানের শীর্ষ রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের বৈঠকের তথ্য আগেই হাতে পায় যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ। এরপর এই তথ্য ইসরায়েলকে সরবরাহ করা হয়। এ তথ্যের ভিত্তিতে ইসরায়েল তেহরানের সরকারি কমপাউন্ডে হামলা চালায়, যেখানে আঘাতে নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ও ডজনখানেক শীর্ষ কর্মকর্তা।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েলি জঙ্গিবিমান কমপাউন্ডে ৩০টি বোমা নিক্ষেপ করে, ফলে পুরো কমপাউন্ড বিধ্বস্ত হয়ে যায়। হামলা শুরু হয় ইসরায়েল সময় শনিবার সকাল ৬টায়; তেহরান সময় সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে কমপাউন্ডে আঘাত হানে।

নিউ ইয়র্ক টাইমস জানায়, সিআইএ কয়েক মাস ধরে খামেনির চলাচল পর্যবেক্ষণ করছিল এবং তার অবস্থান সম্পর্কে ‘উচ্চমাত্রার নির্ভুল তথ্য’ ইসরায়েলের হাতে হস্তান্তর করা হয়। গোয়েন্দারা তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের তথ্য শনাক্ত করেছিলেন – প্রেসিডেন্সি কার্যালয়, সর্বোচ্চ নেতার দপ্তর এবং জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ।

ইসরায়েলের হামলার মূল লক্ষ্য ছিল রাতের অন্ধকারে আঘাত হানা। কিন্তু দিনের আলোতে বৈঠকের তথ্য পাওয়ায় হামলার সময়সূচি পরিবর্তন করা হয়। ইসরায়েলের সাবেক সামরিক গোয়েন্দা প্রধান আমোস ইয়াদলিন বলেন, ‘দিনের আলোয় হামলা প্রতিপক্ষকে বিস্মিত করার কৌশল ছিল।’

হামলায় খামেনির সঙ্গে নিহত হয়েছেন ইরানের সামরিক পরিষদের প্রধান ও খামেনির শীর্ষ নিরাপত্তা উপদেষ্টা আলি শামখানি, বিপ্লবী গার্ড কোরের কমান্ডার মেজর জেনারেল মোহাম্মদ পাকপুর, প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদেহ এবং আরও অনেক শীর্ষ কর্মকর্তা।

টার্কি টুডে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খুব অল্প সময়ে খামেনিকে হত্যা করা ইরানি নেতৃত্বের উপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গভীর গোয়েন্দা নজরদারির সাফল্য নির্দেশ করে। একই সঙ্গে ইরানি নেতৃত্বের পর্যাপ্ত সতর্কতা গ্রহণ না করার বিষয়টিও প্রকাশ্যে এসেছে।

মতামত দিন

মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে

ট্রেন্ডিং ভিউজ