তারেক রহমানের জোয়ারে ভাসছে বগুড়া
বগুড়ার আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠ ঘিরে জনসমুদ্র। মঞ্চের দিকে ছিল হাজার হাজার চোখ, সবার অপেক্ষা এক মানুষকে ঘিরে। মাঠে তিল পরিমাণ জায়গা নেই। নেতাকর্মী, সমর্থক, সাধারণ মানুষের উপচে পড়া ভিড়। শুধু মাঠ নয়, সাতমাথা, জলেশ্বরীতলা, নবাববাড়ি সড়কসহ শহরের সবখানেই ছড়িয়ে পড়ে উৎসবের আমেজ। দীর্ঘ ১৯ বছর পর ঘরের ছেলে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘরে ফিরেছেন।
নির্বাচনী জনসভার স্থান আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে জায়গা না থাকায় মনিটরের মাধ্যমে সরাসরি জনসমাবেশ লাইভ দেখানো হয়েছে সাতমাথায় ও জজ কোর্টের সামনের সড়কে। মনিটর দুটির সামনে জড়ো হন হাজার হাজার মানুষ।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল থেকে ব্যাপক-উৎসাহ উদ্দীপনা নিয়ে ছিলেন বগুড়ার মানুষ। বিএনপির কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ মানুষ এক নজর তাকে দেখার জন্য অস্থির হয়ে ছিলেন। অবশেষে ঘরে ফেরেন তারেক রহমান, রাতে জনসভার মঞ্চে উঠেন। সবাই তখন আনন্দে আত্মহারা হয়ে যান।
তারেক রহমানের বক্তব্য শুনে মধ্যরাতে বাড়ি ফিরছিলেন জীবন প্রামাণিক নামে এক যুবক। তিনি শহরের ফুলতলা এলাকার বাসিন্দা।
জীবন জানান, তারেক রহমান দেশের সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী। তিনি আমাদের বগুড়ার সন্তান। এটা ভাবতেই গর্ববোধ করি। এর আগে তাকে সামনাসামনি দেখিনি। আজকে তারেক রহমানকে দেখেছি। আমরা সবাই মিলে ধানের শীষে ভোট দেব।
ওই সময় শহরের মালতিনগর এলাকার বাসিন্দা রাজু আহম্মেদ বলেন, তারেক রহমানকে খুব কাছ থেকে দেখেছি। জনতার ঢল নেমেছে। এবার নির্বাচনে বগুড়ার প্রতীকই হলো ধানের শীষ।
দীর্ঘ বছর পর নিজ জেলা বগুড়ায় এলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে রাতে তিনি বগুড়ার আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। কর্মসূচি শেষে বগুড়ার হোটেল নাজ গার্ডেনে রাত্রিযাপন করেন তিনি।
বক্তব্য রাখতে গিয়ে সর্বপ্রথম তারেক রহমান বলেন, আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি, ১৯ বছর পর নিজের ভূমিতে ফেরার তৌফিক দিয়েছেন। নিজের ঘরে এসে কী বলবো? আসলে আমি নিজেও তাল হারিয়ে ফেলেছি।
তারেক রহমান বগুড়া-৬ (সদর) আসন থেকে নির্বাচন করছেন। বগুড়ার ছেলে তারেক রহমানকে বিপুল ভোটে নির্বাচিত করতে চান তার আসনের ভোটাররা।
বগুড়া সদরের বাসিন্দা আসাদুল হক, সাদ্দাম হোসেন, আব্দুল খালেকসহ অন্তত ৫০ জন অরাজনৈতিক ব্যক্তি জানান, তারা ধানের শীষে ভোট দেবেন। ঘরের ছেলেকেই তারা দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান। তারেক রহমানের বিকল্প নেই।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে