আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধি তমা রশিদ
জনপ্রিয় উপস্থাপিকা তমা রশিদ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন। তিনি অংশ নিচ্ছেন ‘মিসেস ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ২০২৬’ প্রতিযোগিতায়। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য এই আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীরা অংশ নেবেন।
এই অর্জনকে তমা রশিদ দেখছেন একদিকে সম্মান, অন্যদিকে বড় দায়িত্ব হিসেবে। তিনি বলেন, এটি কেবল ব্যক্তিগত সাফল্য নয়; বরং বাংলাদেশের নারীদের আত্মবিশ্বাস, সক্ষমতা ও ইতিবাচক গল্প বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ। তার বিশ্বাস, নারীরা যদি নিজেদের শক্তির জায়গা চিনতে পারেন, তবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও তারা সমানভাবে উজ্জ্বল হতে পারেন।
এই পথচলায় পাশে থাকা মানুষদের অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেছেন তমা রশিদ। বিশেষভাবে তিনি উল্লেখ করেন এমএসটি আফসানা হেলালির কথা, যার সহযোগিতাকে তিনি নিজের যাত্রার একটি বড় শক্তি হিসেবে দেখছেন। মিসেস বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় ‘বেস্ট স্পিকার’ হওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে শুরু করে ‘মিসেস ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ’ হয়ে ওঠা পর্যন্ত আফসানা হেলালির পরামর্শ ও দিকনির্দেশনা তাকে আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছে বলে জানান তিনি।
এছাড়া নিজের গ্রুমার ও বড় ভাই জিয়ার প্রতিও গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন তমা রশিদ। তিনি বলেন , জীবনের নানা পর্যায়ে জিয়া যে পরিবর্তনগুলো এনেছেন, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন। একজন গ্রুমার ছাড়াও অভিভাবক ও অনুপ্রেরণাদাতা হিসেবে তার ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। তমা রশিদ মনে করেন, তার আত্মবিশ্বাস গড়ে ওঠার পেছনে এই সহযোগিতা বড় ভূমিকা রেখেছে।
সৌন্দর্যবর্ধনে সহায়তার জন্য নাহিদ আহমেদ এবং আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশকে সুন্দরভাবে তুলে ধরার জন্য স্টুডিও ৮৯-কে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।
সব মিলিয়ে তমা রশিদের এই আন্তর্জাতিক যাত্রা কেবল একটি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ নয়; এটি আত্মবিশ্বাস, পরিশ্রম এবং সহযাত্রায় পাওয়া সমর্থনের গল্প। সংশ্লিষ্টদের মতে, ‘মিসেস ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ২০২৬’-এ তার অংশগ্রহণ বাংলাদেশের নারীদের জন্য একটি অনুপ্রেরণার বার্তা হয়ে উঠবে।
মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে