বিশ্বকাপে বাজির অভিযোগে তদন্তের মুখে স্পেন
২০২৬ বিশ্বকাপ জিতে উৎসবে ভাসছে স্পেন। তবে শিরোপা জয়ের আনন্দের মধ্যেই এবার বাজি–সংক্রান্ত অভিযোগে আলোচনায় এসেছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল। বিশ্বকাপে স্পেনের দুটি ম্যাচকে ঘিরে সন্দেহজনক কার্যক্রমের তদন্ত শুরু করেছে স্বাধীন আন্তর্জাতিক সংস্থা কোপেনহেগেন গ্রুপ।
দ্য অ্যাথলেটিক–এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রীড়া ইভেন্টে কারসাজি প্রতিরোধে কাজ করা এই সংস্থাটি বিশ্বকাপের সাতটি ঘটনাকে সন্দেহজনক হিসেবে চিহ্নিত করে ফিফার কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে। এর মধ্যে দুটি ঘটনা স্পেনের ম্যাচকে ঘিরে।
প্রথম ঘটনাটি কেপ ভার্দের বিপক্ষে স্পেনের ম্যাচ। পলিমার্কেট প্ল্যাটফর্মে স্পেন ম্যাচটি জিততে পারবে না—এমন পূর্বাভাসে অস্বাভাবিক পরিমাণ বাজি ধরা হয়েছিল। দ্বিতীয় ঘটনাটি সৌদি আরবের বিপক্ষে ম্যাচে ফেরান তোরেসের একটি গোল বাতিলের সিদ্ধান্তে ভিএআরের অস্বাভাবিক দীর্ঘ সময় নেওয়াকে কেন্দ্র করে।
কোপেনহেগেন গ্রুপ এসব ঘটনাকে 'ইয়েলো অ্যালার্ট' বা হলুদ সতর্কতা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। এই সতর্কতা তখনই দেওয়া হয়, যখন কোনো ম্যাচে অস্বাভাবিক বাজির প্রবণতা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুঞ্জন বা তথ্য ফাঁসের মতো অনিয়মের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তবে এটি চার স্তরের সতর্কতা ব্যবস্থার দ্বিতীয় সর্বনিম্ন ধাপ এবং এটি ম্যাচ পাতানোর প্রমাণ নয়।
ক্রীড়া বাজি–বিশেষজ্ঞ ক্রিশ্চিয়ান কালব বলেছেন, এমন সতর্কতার পেছনে বাজির অডসের পরিবর্তন বা বাজারে তারল্যের অস্বাভাবিক ওঠানামার মতো বৈধ কারণও থাকতে পারে। তাই সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ছাড়া এটিকে ম্যাচ কারসাজির ঘটনা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
এদিকে ফিফা এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ২০২৬ বিশ্বকাপের কোনো ম্যাচেই সন্দেহজনক বাজি বা ম্যাচ পাতানোর প্রমাণ পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
মতামত দিন