Views Bangladesh Logo

দেশীয় ফ্যাশনে নারী উদ্যোক্তাদের ভূমিকা

ফ্যাশন জগতের এখন যতটুকু বিস্তৃতি, কয়েক বছর আগ পর্যন্তও এতটা ছিল না। নানা চড়াই উতরাই পেরিয়ে ফ্যাশন ইন্ড্রাস্ট্রি এগিয়েছে অনেকখানি। কয়েক যুগ পেরিয়ে এই ইন্ড্রাস্ট্রি নিয়ে উদ্যোক্তারাও এখন আশার আলো দেখছেন। দেশে বিদেশে দেশীয় কাপড়ের অগ্রাধিকার বেড়েছে। নকশায় এসেছে নতুনত্ব। দেশের পোশাক শিল্প বাঁচানোর জন্য অনেক উদ্যোক্তা নিজ প্রতিষ্ঠান চালু করেছেন। স্বাধীন বাংলাদেশে ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির আনুষ্ঠানিক সূত্রপাত ১৯৭৩ সালে। বাংলাদেশের ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রির শুরুটা খুব একটা পরিকল্পনা করে শুরু হয়নি। আবার বলা যায়, শুরুর দিকে যারা কাজ শুরু করেছিলেন তারা তেমন পরিকল্পনা করে আসেননি। তবে পরিকল্পনা যেমনই হোক, উত্তরসূরী অনেকেই এখন সামনে এগিয়েছে, কেউ হয়ত থেমে গিয়েছে। আশার বাণী হচ্ছে, নতুনদের মধ্যে অনেকেই ফ্যাশন জগতের অংশ হয়ে উঠেছেন সময়ের সাথে সাথে।

বাজারের বিকাশের মধ্য দিয়ে একসময়ের ঘরোয়া বা শৌখিন বুটিক হাউসগুলো বর্তমানে রূপ নিয়েছে প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ডে। ভোক্তাদের চাহিদা মেটাতে বৈচিত্র্যময় ডিজাইন, নান্দনিকতা আর দেশীয় ভাবধারার এই পোশাকের দিকে সব বয়সী মানুষই ঝুঁকছেন। বলা যায় চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশীয় পোশাকের বাজার প্রতিনিয়তই বড় হচ্ছে।

স্বাধীনতার পরবর্তী ১০ বছরে ফ্যাশন ধারার বদল হয় চোখে পড়ার মতো। দেশীয় পোশাকের নতুন ধারণা নিয়ে প্রথমে রূপায়ণ ও নিপুণ এবং পরে আড়ং যাত্রা শুরু করে। এদের মাধ্যমে দেশজ পোশাকের নতুন ধারণা পরিচিত হতে থাকে। স্বাধীনতা-পরবর্তী ১০ বছরে কারিকা, কুমুদিনী, সেতুলী, জয়া, শুকসারি, টাঙ্গাইল শাড়ি কুটিরসহ আরও বেশ কয়েকটি বুটিক কারু ও পোশাকশিল্পকে দেশজ ভাবনার আলোকে উপস্থাপিত করার চেষ্টা করে। তাদের প্রচেষ্টার সাফল্যের প্রতিফলন দেখা যায় আশির দশকে। এদের সাথে যুক্ত হয় নতুন অনেক প্রতিষ্ঠান।

দেশীয় ফ্যাশনে এসব প্রতিষ্ঠানের এক রকম বিপ্লবের কারণে দেশীয় কাপড়, দেশীয় বুননে রং ও নকশার বৈচিত্র্যে এসব পোশাক উত্সব-পার্বণে ক্রমেই হয়ে ওঠে সবার পছন্দের। কারণ দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতিকে ধারণ করে সেসব পোশাকে তুলে ধরা হয় নানাভাবে।

ফ্যাশন জগতকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে নানা ধরনের ফ্যাশন শো। ফ্রেন্ডশিপ কালার অব দ্য চার্স, আর্কা ফ্যাশন উইক, স্থানীয় ব্র্যান্ডদের নতুন কালেকশন উন্মোচনের জন্য নানা ধরনের ফ্যাশন শো বেশ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে বর্তমানে। প্রাকৃতিক রঙে ও দেশীয় উপাদানে হাতে তৈরি এসব পোশাকের চাহিদা বেশ বেড়েছে। দেশীয় মাধ্যমে ও হাতে তৈরি শাড়ি, স্কার্ফ, তৈরি পোশাক, গয়নাসহ নানা কিছু এসব শোতে প্রদর্শন করা হয়। দেশী ও বিদেশী নকশাকার, ইনভেস্টর এসব আয়োজনে উপস্থিত থাকেন, যেখানে উদ্যোক্তাদের কাজের সমৃদ্ধি আরও দারুণভাবে চোখে পড়ে।

কী ধরনের পোশাকের অগ্রাধিকার বেড়েছে
এক সময় ফ্যাশন বলতে একই ঘরানার পোশাকের আধিপত্য ছিল। সময়ের সাথে সাথে এই ধারায় অনেক পরিবর্তন এসেছে। এখন পোশাক বলতে শুধু শাড়ি, সালোয়ার কামিজ বা পাঞ্জাবি নয়, যুক্ত হয়েছে ভিন্নধর্মী কাটিংয়ের ফতুয়া, শার্ট, ধুপি কাটিং প্যান্ট, স্কার্ট, ফ্রক ও হালফ্যাশনের লম্বা জামা, লম্বা কোর্ট, জ্যাকেট, কো অর্ড সেট। আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে এই সময়ের ব্লাউজগুলো। প্যাচওয়ার্ক, কাথাস্টিচ, ফ্লেক্সি ব্লাউজগুলো আলাদাভাবে নজর কেড়েছে ফ্যাশনপ্রেমীদের।

দারুণভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে হাতে আঁকা, ডিজিটাল প্রিন্ট, ব্লক ও এম্ব্রয়ডারির পোশাক। নারী পুরুষ নির্বিশেষে বাচ্চাদের পোশাকেও এসব কাজের অগ্রাধিকার বেড়েছে আগের তুলনায় দ্বিগুণ।

সেকেন্ডহ্যান্ড ও রিসেল ফ্যাশন মার্কেট
ফাস্ট ফ্যাশনের দুনিয়ায় পোশাক যত তৈরি হচ্ছে, তত পরিবেশের জন্য হুমকিও হয়ে উঠছে। তাই বলে ফ্যাশন তো বন্ধ হবে না। বরং নানাভাবে নানা দিক থেকে ফ্যাশনকে পরিবেশের জন্য উপযোগী করে তুলতে প্রচেষ্টার অন্ত নেই। পরিবেশের জন্য হুমকি নয় এমন কাপড় যেন ব্যবহার করা হয় সেসব নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা উঠেছে নানা মহলে। এই সময়ে এসে ক্রেতার আচরণে দেখা যাচ্ছে বড় পরিবর্তন। মানুষ এখন আর কেবল বিলাসপণ্য কিনছে না; তারা খুঁজছে আবেগ, গল্প ও ব্যক্তিগত মূল্যবোধের প্রতিফলন। এ কারণে দ্রুত বাড়ছে সেকেন্ডহ্যান্ড ও রিসেল ফ্যাশন মার্কেটের জগত। গবেষণা অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী অন্তত ৫০ শতাংশ ক্রেতা এখন মূল কেনাকাটার বিকল্প হিসেবে সেকেন্ডহ্যান্ড পোশাককে বেছে নিচ্ছেন। জেন-জিরাই কেবল সাসটেনেবল ফ্যাশন নিয়ে ভাবছেন কিছুদিন আগে পর্যন্তও এমনটি ভাবা হতো। তবে বাস্তবতা হচ্ছে এটি শুধু জেন-জিদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়—সব বয়সের ক্রেতাই সারকুলার ফ্যাশনের দিকে ঝুঁকছেন।

উদ্যোক্তাদের নিয়ে নানা উদ্যোগ
বাংলাদেশের ফ্যাশন ইন্ড্রাস্ট্রিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে উদ্যোক্তাদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে ফ্যাশন এন্টারপ্রেনিউরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এফইএবি)। বিভিন্ন সময় উদ্যোক্তাদের উদ্যোগ নিয়ে আগ্রহী ও সৃষ্টিশীল রাখতে তারা আয়োজন করে নানা ধরনের অনুষ্ঠান। এরই সূত্র ধরে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো রাজধানীর মাইডাস সেন্টারের ১২ তলায় ‘সুতোর গল্প: নিজস্বতায় বোনা উৎসব’ শিরোনামে এক বিশেষ প্রদর্শনী ও মেলা। এই মেলাতে ৩৯ জন উদ্যোক্তা অংশ নিয়েছিল তাদের কাজ নিয়ে। শুধু তাই নয়, বছরজুড়ে নানা আয়োজনে তাদের কাজ গ্রাহকদের সামনে আসে। কয়েকজন আয়োজক নিজ উদ্যোগে এই আয়োজনগুলো উদ্যোক্তাদের জন্য করে দেন, আবার উদ্যোক্তারা নিজেরাও কিছু পরিকল্পনা করে সাজিয়ে ফেলেন নিজেদের প্রদর্শনী। এসব আয়োজনের মধ্যে উল্লেখযোগ্য- আড্ডা চলে, বারুণী ও ত্রিনয়নী মেলা, দা ফ্লো ফেস্ট ঢাকা ইত্যাদি।

নারী উদ্যোক্তাদের যাত্রা
বলাবাহুল্য, দেশের ফ্যাশন ইন্ড্রাস্ট্রি যতটুকু এগিয়েছে তার সিংহভাগেই রয়েছেন নারীরা। কর্মব্যস্ত জীবনে কেউ হয়তো চাকুরির পাশাপাশি ব্যবসা করছেন, কেউবা নিজের সকল মনোযোগই দিয়েছেন ব্যবসায়। এই নারীদের একেকজন পোশাকের একেক ধারা নিয়ে কাজ করছেন। দেশের মধ্যেই কেউ নিজের ব্যবসাকে দারুণভাবে সফল করে তুলেছেন, কেউ দেশের গন্ডি ছাড়িয়ে বিদেশেও পা রেখেছেন। দেশের জিডিপি বৃদ্ধিতে তাদের অবদান অনেক। বর্তমানে জিডিপিতে তাদের অবদান প্রায় ২০%। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ ও সুবিধা গ্রহণ করে তারা উৎপাদনশীল অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হচ্ছেন, যা দেশের জিডিপিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তবে বাহ্যিক দিক যতটুকু আশার আলো দেখায়, ব্যবসা চালাতে গিয়ে পেছনের চ্যালেঞ্জও কম নয়।

১১ বছর ধরে হাতে আঁকা পোশাক নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন শাহনাজ সুলতানা। তার উদ্যোগের নাম রংধনু ক্রিয়েশন। অনেক চড়াই উতরাই পেরিয়েও আজ তিনি কঠিন এই উদ্যোগ চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে। তার কাছে জিজ্ঞাসা ছিল কীভাবে এতদূরের পথ তিনি চলছেন এবং এই পথে কী ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি তাকে হতে হয়েছে।

কাজের ক্ষেত্রে কতটুকু সফল বলে নিজেকে মনে করেন এ জিজ্ঞাসায় শাহনাজ সুলতানা বলেন, ‘ব্যবসায় সফলতার কথাটা আমি আসলে ঠিক বলতে পারবো না। তবে এই বিশাল ইন্ডাস্ট্রির একটা ক্ষুদ্র অংশ (হ্যান্ড পেইন্টিং) নিয়ে আমি কাজ করি। নিজের একটা জায়গা অবশ্য করতে পেরেছি। ১১ বছর ধরে কাজ করছি এবং আমার ৮০% ক্লায়েন্ট রিটার্নিং। একটি বড় অংশ প্রথম থেকেই আমার কাছ থেকে পছন্দের পোশাকটা নেন। হ্যান্ড পেইন্টেড কিছু চাইলেই আমার রংধনুর কথা মনে করেন। এটা অবশ্যই আমার অর্জন বলে মনে করি।’

চ্যালেঞ্জের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘চ্যালেঞ্জ তো অনেক। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর মধ্যে আসে ডিজিটাল কাজের ভিড়ে একদম হ্যান্ড পেইন্ট নিয়ে কাজ করে যাওয়া। যেখানে ডিজিটালে হয়ত এক ঘন্টায় কয়েকটা পোশাক তৈরি হয়ে যায়, আর হ্যান্ড পেইন্টে এক ঘন্টায় শতভাগের মাত্র দশ ভাগ কাজ করা যায়। রংধনুতে হ্যান্ড ক্রাফটেড কিছু জিনিস আছে অবশ্য তবে সেগুলো পার্ট অব মাই মেইন প্রোডাক্ট। কাস্টমার বেইজ ছোট। সবাই আর্ট পছন্দ করে না, এটা খুব অল্প সংখ্যক মানুষ বুঝে এবং মূল্যায়ন করে, এটা শুনতে অবাক লাগলেও সত্যি। তার সাথে আছে বিদেশি সহজলভ্য জিনিসের ভিড়ে দেশি জিনিস নিয়ে কাজ করা।

আমার সব কাজ হাতের। আমরা দেশি নানা সোর্স থেকে কাপড় এবং অন্যান্য জিনিস সংগ্রহ করি। তার উপরই করা হয় আঁকাআঁকির কাজ। কর্মক্ষেত্র ছোট, মন চাইলেও একসাথে অনেক লোক নিয়ে বড় প্রোডাকশনে যাওয়া যায় না কারণ দক্ষ আর্টিস্ট সবাই না। ১০ জন মিলে একটা সেলাই এর কাজ তোলা যায় কিন্তু আঁকা যায় না। সব সামাল দিয়ে কাজের মান ধরে রেখে কাজ করলেও এর পর আসে চলতি ব্যবসায়িক জটিলতা।

আমাদের দেশের ছোট ব্যবসাগুলোর জন্য পলিসি খুবই জটিল। পলিসিগুলো তৈরী করা হয়েছে বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য। সেগুলোর ভেতরেই আমাদের ফিট ইন করতে হয়। ডকুমেন্টেশনের জটিলতা, অর্থায়নের জটিলতা রয়েই যাচ্ছে। দিন শেষে কাজটা টেনে শেষ করা গেলেও ব্যবসাটা টেনে নিয়ে একটা জায়গায় দাড় করানো যথেষ্ট কষ্ট সাধ্য। শুধু ট্রেড লাইসেন্সের কথাই বলি, সরকার উৎসাহ দেয় ঘর থেকেই কাজ হোক। ঘরে ঘরে উদ্যোগ তৈরী হোক। কিন্তু ব্যবসায়ের প্রথম এবং প্রধান ডকুমেন্ট ট্রেড লাইসেন্স এর জন্য একটা বাণিজ্যিক ভবনে দোকান/স্পেস থাকা অবশ্যক। এবং এই কাজটা ব্যাপক ব্যয় সাপেক্ষ। আমি যদি একটা শপ নিয়ে নেবার ক্ষমতাই রাখি তাহলে কি আমি ঘরে বসে আঁকতাম বা সেলাই করতাম? আমি তো আমার ছোট কোন দক্ষতাকে একটা আর্থিক জায়গায় নিতে চাইছি, তাই না? একটা শপের জন্য যে পরিমাণ ইনভেস্টমেন্ট এবং মাসিক খরচ হবে সে পরিমাণ বিক্রয় তো আমার নিশ্চিত নয়? এটা একটা উদাহরণ দিলাম মাত্র। শুধু আমার নয়, আমার মত ছোট ছোট উদ্যোগগুলোর এই সমস্যা ফেইস করতে হয়।

এই রকম আরো অনেক অনেক পলিসিগত জটিলতা কাজ আগাতে দেয় না অনেক সময়। ডকুমেন্টেশনের জায়গাগুলো একটু নজর দিয়ে পলিসি তৈরী করলে সবার জন্যই সুবিধা হয়।

আরও একটি বড় চ্যালেঞ্জের মধ্যে রয়েছে দেশের বাইরে জিনিস পাঠানো। এই কাজটা অনেক ব্যয়বহুল। একই জিনিস পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত থেকে বিশ্বের যে কোন জায়গায় নেয়ার যে খরচ তার থেকে আমাদের খরচ কয়েকগুন বেশি। স্বভাবতই প্রচুর চাহিদা থাকা স্বত্বেও ক্রেতা আমাদের থেকে নেয়ার থেকে ওখান থেকে নেয়া সহজ ও সুবিধা মনে করেন। এই দিকেও নজর দেয়া খুব জরুরী।

বাংলাদেশে তৈরী পোশাক বিপননের ভ্যাটও অনেক বেশি। এখন ১০%। যেখানে বাজারে আমরা বিদেশি পোশাকের ভারে নুয়ে থাকি, বহু কষ্টে দেশি জিনিস স্ট্যাব্লিশ করার চেষ্টা করে যাচ্ছি প্রতিনিয়ত। সেখানে এই পরিমাণ ভ্যাট ক্রেতাকে ক্রয়ে নিরুৎসাহিত করে বৈকি। অনিয়ম করে পলিসি ফাঁকি দিয়ে হয়তো অনেকেই চলে কিন্তু সেটা তো হওয়া উচিত না। পলিসিই এই অনিয়মের সুযোগ করে দিচ্ছে। সর্বোপরি কাজ প্রচুর হচ্ছে, অনেক অনেক মানুষ কাজ করার চেষ্টা করছে এবং অতি অবশ্যই অর্থনীতিতে অবদান রাখছে। সেটার গুরুত্ব বুঝে এই ছোট ছোট উদ্যোগের সেক্টরে সদয় নজর দেয়া জরুরী মনে করি।’

শাহনাজের মতো দেশে অসংখ্য নারী উদ্যোক্তা আছেন যারা অনবরত অজস্র চ্যালেঞ্জের বোঝা সামলে নিজেদের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। পোশাক বিপননের ভ্যাট কমানোর পাশাপাশি পলিসিগত যে জটিলতাগুলো রয়েছে সেগুলো যদি কমানো যায় তাহলে দেশের ফ্যাশন ইন্ড্রাস্ট্রি আরও অনেকদূর এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব।

মতামত দিন

মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে

ট্রেন্ডিং ভিউজ