বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ১৯ দশমিক ৪০ বিলিয়ন
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের- আইএমএফ হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী দেশের মোট রিজার্ভের পরিমাণ এখন ১৯.৪০ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২২ নভেম্বর মোট রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ১৯ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার।
এদিকে, বৈদেশিক মুদ্রার সংকট কমাতে চলতি বছরের শুরুতে আইএমএফের সঙ্গে ৪ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার ঋণ চুক্তি করে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপর পর থেকে আইএমএফের শর্ত অনুযায়ী রিজার্ভ গণনার আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে আসছে ক্রেন্দ্রীয় ব্যাংক।
ব্যালেন্স অফ পেমেন্ট (বিওপি) তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, সরকার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের নিম্নমুখী ধারা টেনে ধরতে পারেনি।
বাংলাদেশ ব্যাংক ২০২২-২৩ অর্থবছরে বিওপি স্থিতিশীল করার জন্য রিজার্ভ থেকে ৮ দশমিক ২২ বিলিয়ন ডলার সহায়তা নিয়েছে। ২০২১-২২ অর্থবছরে এই সহায়তা নেওয়ার পরিমাণ ছিলে ৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। যার ফলস্বরূপ, ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট রিজার্ভ ৪১ দশমিক ৮২ বিলিয়ন থেকে কমে ৩১ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারে নেমে আসে।
তবে ( বিপিএম-৬ ) অনুযায়ী গণনা করা হলে ২০২২ এবং ২০২৩ অর্থবছরে রিজার্ভের পরিমাণ যথাক্রমে দাঁড়ায় ৩৩ দশমিক ৩৮ এবং ২৪ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন ডলার। ফলে ২০২৩ অর্থবছরের শেষে বাংলাদেশের রিজার্ভ দিয়ে ৪ দশমিক ৬ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সক্ষমতা ছিল।
সার্বিক বিষয় বিবেচনায় নিয়ে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, রিজার্ভের পরিমাণ ক্রমাগত কমতে থাকায় দেশের প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির সক্ষমতা কমে যাবে।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে