Views Bangladesh Logo

একটি রিল, শিক্ষিকা বিউটি পাল এবং আমাদের সামাজিক অসুস্থতা

Shimul  Zabaly

শিমুল জাবালি

সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার পিটাইটিকর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বিউটি রাণী পাল গত ২৩ জুলাই স্কুল ছুটির পর বিদ্যালয়ের আঙিনায় হেঁটে চলার একটি ভিডিও ধারণ করে সেটি রিল আকারে নিজের ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন। পটভূমিতে বাজছিল ‘আজ কেন মন উদাসী হয়ে দূর অজানায় চায় হারাতে’ পঙক্তিটি—ডিফারেন্ট টাচ ব্যান্ডের মেজবাহ রহমানের গাওয়া ‘শ্রাবণের মেঘগুলো জড়ো হলো আকাশে’ গানের একটি কলি। এইটুকুই ছিল ঘটনা। কয়েক সেকেন্ডের একটি ব্যক্তিগত মুহূর্ত, যা তিনি নিজের সামাজিক মাধ্যম হ্যান্ডেলে শেয়ার করেছিলেন। অথচ সেখান থেকে যা তৈরি হলো, তার পরিধি একজন ব্যক্তির রুচি বা পছন্দের সীমা ছাড়িয়ে গিয়ে আমাদের পুরো সামাজিক মানসের একটি অসুস্থ ছবি এঁকে দিল। আসল প্রশ্নটি তাই এখন আর ভিডিওটি নিয়ে নয়; প্রশ্নটি হলো, সেই ভিডিও ঘিরে আমরা যে প্রতিক্রিয়া দেখালাম, তার ভেতরে অসুখটা ঠিক কোথায় বাসা বেঁধে আছে।

ঘটনার ক্রমটি লক্ষ করার মতো। ভিডিওটি নিজে থেকে ভাইরাল হয়নি—‘ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিদিন’ নামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে সেটি নেতিবাচক তথ্য যুক্ত করে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। পেজটি পরিচালনা করেন আসিফ ইকবাল ইরন নামের এক যুক্তরাজ্যপ্রবাসী যুবক, যিনি ভিডিওটিকে ‘অশ্লীল অঙ্গভঙ্গির নাচ’ হিসেবে উপস্থাপন করেন। এরপরই শুরু হয় ট্রল, কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের স্রোত এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দাবি। অর্থাৎ যা ঘটেছে, তা কোনো স্বতঃস্ফূর্ত জনরোষ নয়; এটি ছিল পরিকল্পিতভাবে বিকৃত উপস্থাপনার মাধ্যমে তৈরি করা এক কৃত্রিম বিতর্ক। এই পার্থক্যটি ধরতে না পারলে ঘটনার কেন্দ্রীয় অন্যায়টিই আড়ালে চলে যায়। চাপ অসহনীয় হয়ে উঠলে বিউটি রাণী পাল ভিডিওটি সরিয়ে নেন এবং গত শুক্রবার ফেঞ্চুগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। জিডিতে তিনি অভিযোগ করেছেন, স্বল্প সময়ের একটি ভিডিও প্রাসঙ্গিক তথ্য ছাড়া প্রচার করে তাঁর ব্যক্তিগত, সামাজিক ও পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। নিজে তিনি বলেছেন, ‘স্বাভাবিক ও সুন্দর একটি মুহূর্তের ভিডিওকে বিকৃত দৃষ্টিভঙ্গিতে নেতিবাচকভাবে উপস্থাপন করে আমাকে সাইবার বুলিং করা হচ্ছিল। অনেকে আমাকে সমর্থন করে পাশে দাঁড়িয়েছেন, আমি কৃতজ্ঞ।’

যাঁকে নিয়ে এই তুলকালাম, তাঁর পেশাগত পরিচয়টি আরও তাৎপর্যপূর্ণ। বিউটি রাণী পাল শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে ২০১৩ সালে শিক্ষকতা পেশায় যোগ দেন এবং চলতি বছর জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্টে আনন্দঘন পরিবেশে পাঠদান, শিক্ষার্থীদের শরীরচর্চা, নাচের মাধ্যমে গণিতের চিহ্ন শেখানো, বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণের অসংখ্য ভিডিও রয়েছে। অর্থাৎ যে সৃজনশীলতাকে আজ ‘আচরণবিধি লঙ্ঘন’ হিসেবে সন্দেহ করা হচ্ছে, সেই একই সৃজনশীলতার জন্যই কিছুদিন আগে রাষ্ট্র তাঁকে পুরস্কৃত করেছিল। এই স্ববিরোধিতাটুকুই আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক দ্বিধার সবচেয়ে নির্মম প্রমাণ।

আইনের দিক থেকে বিষয়টি যতটা জটিল করে তোলা হয়েছে, প্রকৃতপক্ষে তা ততটা নয়। সংবিধানের ৪৩ অনুচ্ছেদ প্রতিটি নাগরিককে ব্যক্তিগত জীবন ও যোগাযোগের গোপনীয়তা রক্ষার অধিকার দিয়েছে, আর ৩৯ অনুচ্ছেদ নিশ্চিত করেছে চিন্তা, বিবেক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা—যার আওতায় শৈল্পিক ও সাংস্কৃতিক প্রকাশও পড়ে। সরকারি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে সরকারি কর্মচারী (আচরণ) বিধিমালা, ১৯৭৯ প্রযোজ্য হলেও সেখানে এমন কোনো নির্দিষ্ট বিধান নেই যে, সরকারি কর্মচারীরা গান-নাচ বা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করতে পারবেন না। একইভাবে সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার নির্দেশিকা, ২০১৯-এ সতর্কতা ও দায়িত্বশীলতার ওপর জোর দেওয়া হলেও ব্যক্তিগত নাচ-গান বা সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও প্রকাশকে আলাদাভাবে নিষিদ্ধ করা হয়নি। প্রশাসনিকভাবে যেসব প্রশ্ন প্রাসঙ্গিক হতে পারে—ভিডিওটি অফিস চলাকালে ধারণ করা হয়েছিল কি না, পাঠদান বা প্রশাসনিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছিল কি না, সরকারি সম্পদের অপব্যবহার হয়েছে কি না—তার প্রায় প্রতিটির উত্তরই এই ক্ষেত্রে নেতিবাচক, কারণ ভিডিওটি ধারণ করা হয়েছিল স্কুল ছুটির পর। তবু তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত হয়েছে, এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী অসদাচরণ প্রমাণিত হলে তিরস্কার থেকে শুরু করে বরখাস্ত পর্যন্ত শাস্তির সুযোগ রয়েছে। প্রশ্নটি এখানেই: যেখানে অভিযোগের ভিত্তিটিই একটি বিকৃত উপস্থাপনা, সেখানে রাষ্ট্রের যন্ত্র কেন ভুক্তভোগীর দিকে ঘুরে দাঁড়াল?

উল্টো দিকে, যাঁরা এই ভিডিও ঘিরে চরিত্রহনন, মানহানিকর মন্তব্য বা বিকৃত তথ্য ছড়িয়েছেন, তাঁদের জন্য আইনি ঝুঁকি সুস্পষ্ট। সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩-এর ২৯ ধারা অনুযায়ী কেউ ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় সংজ্ঞায়িত মানহানিকর তথ্য প্রকাশ বা প্রচার করলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে এবং এর জন্য সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডের বিধান রয়েছে। আইনের অস্তিত্ব আর তার প্রয়োগের মধ্যে যে দূরত্ব, বাস্তবে সেটিই সবচেয়ে বড় সংকট। একজন নারী যখন বেনামি ও অসংগঠিত এক জনতার আক্রমণের শিকার হন, তখন প্রতিকার পাওয়ার পথটি হয়ে ওঠে দীর্ঘ, ব্যয়বহুল ও অনিশ্চিত। জিডি করার পরও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাড়া না মেলা এবং অভিযুক্ত পেজ পরিচালকের বক্তব্য না পাওয়া—এই দুটি অনুপস্থিতিই প্রশাসনিক আন্তরিকতার প্রশ্নটিকে জীবন্ত রাখে।

তবে সমস্যার শিকড়টি আইনি নয়, সাংস্কৃতিক। একজন নারীর শরীর, পোশাক, চলাফেরা কিংবা আনন্দ প্রকাশ—এসবই আমাদের সমাজে এখনো ‘নৈতিকতা’র মানদণ্ড হয়ে ওঠে, অথচ একই মাপকাঠি পুরুষের বেলায় প্রায় কখনোই প্রযোজ্য হয় না। এই দ্বৈত মানদণ্ডই বুঝিয়ে দেয়, নারীর ওপর নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণের প্রবণতা আমাদের সামাজিক অবচেতনে কতটা গভীরে প্রোথিত। শিক্ষকতার মতো তথাকথিত ‘মর্যাদাপূর্ণ’ পেশায় থাকা একজন নারীকে যখন তাঁর পেশাগত যোগ্যতা নয়, বরং ব্যক্তিগত আনন্দ প্রকাশের কারণে কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়, তখন স্পষ্ট হয়ে যায়—আমরা নারীকে এখনো একজন পূর্ণাঙ্গ, স্বতন্ত্র মানুষ হিসেবে নয়, বরং একটি নির্ধারিত ভূমিকার প্রতীক হিসেবে দেখি। যে ভূমিকা থেকে সামান্য বিচ্যুতিও ডিজিটাল গণপিটুনির মতো প্রতিক্রিয়া ডেকে আনে। এখানে ধর্মীয় ও লিঙ্গীয় পরিচয়ের প্রশ্নটিও এড়ানো যায় না—সমালোচনার নামে অনেকেই যেভাবে লিঙ্গ, ধর্ম বা পরিচয়কে টেনে এনে বিদ্বেষমূলক বার্তা ছড়িয়েছেন, তা নিছক মতপ্রকাশ নয়, তা সরাসরি ঘৃণা প্রচার। সামাজিক মাধ্যমের অ্যালগরিদম এই প্রবণতাকে আরও ত্বরান্বিত করে, কারণ বিতর্ক, ট্রল ও চটকদার প্রতিক্রিয়া যত বেশি এনগেজমেন্ট তৈরি করে, ব্যক্তির মর্যাদা তত দ্রুত বাজারযোগ্য পণ্যে পরিণত হয়।

শিক্ষাবিদদের বক্তব্যেও এই বাস্তবতা স্পষ্ট। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক অধ্যাপক সিদ্দিকুর রহমান বলেছেন, ‘একজন শিক্ষক সংস্কৃতিমনা হবেন, নাচ-গান করবেন, এটাই হওয়া উচিত। আনন্দের সঙ্গে বাচ্চাদের শেখানো, গান-নাচের মাধ্যমে শেখানো—যেটাকে আমরা জয়ফুল লার্নিং (আনন্দপূর্ণ শিখন) বলি।’ বাংলাদেশ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খাইরুন নাহার লিপি তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্তের সরাসরি সমালোচনা করে বলেছেন, ‘এত প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের পরও কেন তদন্ত হবে? আমরা এই তদন্ত চাই না। বরং শিক্ষকরা যেন স্বাধীনভাবে ও সৃজনশীল পরিবেশে, প্রগতিশীল মানসিকতা নিয়ে কাজ করতে পারেন, সেই সুরক্ষা নিশ্চিত করা উচিত।’ এমনকি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজও স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমি ভিডিওটি দেখিনি। তবে আমি আশপাশের যাদের জিজ্ঞেস করলাম, তাঁরা আমাকে বলেছেন, একজন শিক্ষিকা গান গেয়ে একটি ভিডিও তুলেছেন। কিন্তু এটিতে কোনো অশ্লীলতা বা এ-রকম কিছু নাই। গান গাওয়া অন্যায়, এটা আর কেউ মানুক বা না মানুক, আমি মানতে রাজি নই।’ যখন শিক্ষা প্রশাসনের রাজনৈতিক নেতৃত্ব থেকে শুরু করে শিক্ষক সংগঠন ও শিক্ষাবিদ—সবাই একই সুরে কথা বলছেন, তখনও তদন্ত কমিটি গঠনের যুক্তিটি কার্যত অচল।

গণমাধ্যমের দায়ও এখানে প্রশ্নের বাইরে নয়। একটি ব্যক্তিগত রিলকে যখন কোনো পেজ বা পোর্টাল প্রাসঙ্গিক তথ্য ছাড়া, প্রেক্ষাপট ছাড়া, স্রেফ ভাইরাল কনটেন্ট হিসেবে পরিবেশন করে, উসকানিমূলক শিরোনাম বসায় কিংবা প্রয়োজনের অতিরিক্ত বর্ণনায় পাঠককে উত্তেজিত করে, তখন সেটি সাংবাদিকতা নয়—সেটি সাংবাদিকতার ছদ্মবেশে চালানো এক ধরনের সামাজিক সহিংসতা। বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিল আইনের অধীনে সংবাদপত্র, সংবাদ সংস্থা ও সাংবাদিকদের জন্য একটি আচরণবিধি রয়েছে এবং কাউন্সিল স্বতঃপ্রণোদিত হয়েও নীতিভঙ্গের অভিযোগ তদন্ত করতে পারে। দোষী প্রমাণিত হলে তিরস্কার, নিন্দা বা সতর্কীকরণের বিধান আছে। একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত মুহূর্তকে ‘খবর’ বানানোর আগে সবচেয়ে মৌলিক প্রশ্নটি করা উচিত—এতে জনস্বার্থ ঠিক কতটুকু, আর ব্যক্তির সম্ভাব্য ক্ষতি কতটুকু। এই ঘটনায় জনস্বার্থের পরিমাণ শূন্যের কাছাকাছি ছিল, ক্ষতির পরিমাণ ছিল বিপুল।

তবে এই পুরো ঘটনাপ্রবাহের সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক দিকটি হলো প্রতিরোধের ভাষা। ট্রলের জবাব দেশের শিক্ষকরা দিয়েছেন পাল্টা আক্রমণে নয়, বরং একই গানের সঙ্গে নিজেদের ভিডিও পোস্ট করে, হ্যাশট্যাগে সংহতি জানিয়ে, সম্মিলিত কণ্ঠে। বিভিন্ন জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকারা নিজেদের বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দাঁড়িয়ে সেই একই কলি ব্যবহার করে রিল বানিয়েছেন, আর তাঁদের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন নানা শ্রেণি-পেশার অসংখ্য নারী ও পুরুষ। যারা একজন নারীকে বিচ্ছিন্ন করে, একা ফেলে দিয়ে হেনস্তা করতে চেয়েছিলেন, তাদের কৌশলটিই এতে ব্যর্থ হয়ে গেছে—কারণ লক্ষ্যবস্তু আর একজন থাকেননি, হয়ে উঠেছেন হাজারো। এটি ভবিষ্যতের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকতে পারে: সামাজিক মাধ্যমে কাউকে ব্যক্তিগত জীবনযাপনের কারণে লক্ষ্যবস্তু করা হলে নীরব দর্শক না থেকে সম্মিলিত কণ্ঠস্বর তৈরি করাই সবচেয়ে কার্যকর জবাব।

শেষ বিচারে এই ঘটনা আমাদের সামনে একটি আয়না ধরে দিয়েছে। আইন আছে, বিধিমালা আছে, প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোও আছে—কিন্তু প্রয়োজনের মুহূর্তে সেই কাঠামো ভুক্তভোগীর পাশে না দাঁড়িয়ে তাঁর দিকেই তদন্তের আঙুল তুলেছে। রাষ্ট্র যেখানে সংগীত, খেলাধুলা ও সৃজনশীল চর্চাকে উৎসাহিত করার কথা বলে, সেখানে একজন শ্রেষ্ঠ শিক্ষকের সৃজনশীলতাকেই সন্দেহের চোখে দেখা এক নিদারুণ স্ববিরোধিতা। আসল পরিবর্তনটি তাই কেবল আইন সংশোধনে আসবে না, আসতে হবে দৃষ্টিভঙ্গিতে। একজন মানুষের—বিশেষত একজন নারীর—আনন্দ প্রকাশের অধিকারকে যতদিন আমরা সন্দেহের চোখে দেখব, ততদিন এ ধরনের ঘটনা ফিরে ফিরে আসবে; শুধু নাম আর মুখ বদলে যাবে।

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ