পল্লবীতে শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা, প্রতিবেশী সোহেলের দায় স্বীকার
রাজধানীর পল্লবী এলাকায় সাত বছরের এক শিশুকে হত্যার অভিযোগে গ্রেপ্তার সোহেল রানা (৩৪) ঘটনার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। বুধবার (২০ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের খাসকামরায় এই জবানবন্দি নেওয়া হয়। পরে সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না আক্তার উভয়কে কারাগারে পাঠানো হয়।
দুপুরে সোহেল রানা ও তার স্ত্রীকে আদালতে হাজির করে পল্লবী থানা পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই অহিদুজ্জামান সোহেল রানার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করার এবং স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
জবানবন্দিতে সোহেল রানা জানান, শিশুটির লাশ গোপন করতে ধারালো ছুরি দিয়ে গলা কেটে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়।
এর আগে গত মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পল্লবীতে নিহত শিশুটির প্রতিবেশীর বাড়ি থেকে প্রথমে মস্তকবিহীন দেহ উদ্ধার করা হয়। কিছুক্ষণ পর রঙের বালতি থেকে বিচ্ছিন্ন মাথা উদ্ধার করা হয়। শিশুটি দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
উদ্ধারের সময় সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ঘটনাস্থলে ছিলেন। তিনি পুলিশকে জানান, তার স্বামী শিশুটিকে বাথরুমে আটকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন এবং লাশ গোপন করতে গলা কেটে মাথা ও কাঁধ থেকে দুই হাত বিচ্ছিন্ন করেন।
এরপর শিশুটির বাবা পুলিশকে খবর দেন এবং স্বপ্না আক্তারকে আটক করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বুধবার ভোরে নিহত শিশুর বাবা পল্লবী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
আদালতে ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ
সোহেল রানাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তোলার সময় আদালত চত্বরে উপস্থিত সাধারণ মানুষ ক্ষোভ প্রকাশ করে তার সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে