পুড়ে যাওয়া লাশের পাশে জীবন স্বাভাবিক
গত রাতে যেখানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলো ঠিক তার পাশের বিল্ডিংয়ে কেএফসি রেস্টুরেন্ট আর পিৎজা হাট। এই বিল্ডিং ছোট বড় আরো কিছু খাবারের দোকান রয়েছে। অন্যপাশে বেইলি রোডের পরিচিত কেকের ব্রান্ড সুইস। এত বড় অগ্নিকাণ্ডের পর ধারণা করা যেতেই পারে অন্তত আজকের দিনে আশপাশের দোকানপাট বন্ধ থাকবে। না থাকেনি। সকালে ঠিক অন্য দিনের মতোই এরা সবাই দোকান খুলে বসেছেন।
রাজধানীর বেইলি রোড ঘুরে দেখা গেছে, কেবলমাত্র অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে এই ভবনটি ছাড়া অন্যসব ভবনের দোকানপাট খোলা ছিলো। প্রতিদিনের মতো উপচে পড়া ভিড় না থাকলেও ক্রেতা ছিল ঠিকই। কেউ কেউ দেখতে এসেছেন আবার কেউ কেউ এখন হারিয়ে ফেলা স্বজনের খোঁজ করছেন।
পুড়ে অঙ্গার হয়ে যাওয়া ভবনের ঠিক উল্টো দিকের বেইলি স্টার ভবনের প্রধান ফটোক বন্ধ থাকলেও ভেতরের দোকানে আলো জ্বলতে দেখা গেছে। বেইলি স্টারের প্রধান ফটোক বন্ধ থাকলেও আন্ডারগ্রাউন্ড দিয়ে মার্কেটটিতে প্রবেশ করা যায়।
ভবনটির অদূরে ক্যাপিটাল সিরাজ নামের আরো একটি বহুতল মার্কেট রয়েছে। যেটির প্রধান ফটক প্রতিদিনের মতো সকালেই খুলেছে।
এছাড়া বেইলি রোডের শুরুতেই চিলক্স, বিএফসি, কেক টাউন, সুলতান ডাইন, ক্যাফে জেলাটেরিয়া, এ ওয়ান, আল এ্যারাবিয়ান, আল খাজ্জাব, বেইলি ফিয়েস্তার সব দোকান, অঞ্জস, আর্টিসান, সিক্রেট রেসিপি, পিৎজা হাট, কেএফসিসহ গোল্ড প্যালেসের সব দোকান, বিদ্যা ভবন, সায়মা ফ্যাশান, জুসের দোকান ঠান্ডা গরমসহ আশে পাশের সব দোকান খোলা ছিল। স্বাভাবিক ছিল সব কার্যক্রম। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী ভবনটিতে কাজ করছিল। আর সাংবাদিকরা খবর পাওয়ার আশায় ভবনটি ঘিরে দাঁড়িয়েছিল।

মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে