Views Bangladesh Logo

পবিত্র শহর কোমে পৌঁছাল খামেনির মরদেহ

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির মরদেহ দেশটির পবিত্র নগরী কোমে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) সন্ধ্যায় তাঁর মরদেহ বহনকারী হেলিকপ্টারটি কোমে পৌঁছায়। এর আগে তেহরানের রাজপথে লাখো মানুষের উপস্থিতিতে তাঁর বিশাল জানাজা ও শোকমিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

ছয় দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে সোমবার সকালে তেহরানের প্রধান প্রধান সড়কগুলোতে সাধারণ নাগরিক এবং শীর্ষ কর্মকর্তাদের ঢল নামে। এ সময় খামেনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের মরদেহ বহনকারী একটি ট্রাক ধীর গতিতে পশ্চিম তেহরানের আজাদি স্কয়ারের দিকে এগিয়ে যায়।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানায়, এই আয়োজনে লাখো মানুষ অংশ নেন, যাকে ১৯৮৯ সালে খামেনির পূর্বসূরি রুহুল্লাহ খোমেনির বিশাল জানাজার সঙ্গে তুলনা করা হচ্ছে।

সম্প্রচারমাধ্যমটি আরও জানায়, খামেনির কফিনের ওপর ফুলের পাপড়ি ছিটিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান শোকগ্রস্ত মানুষ। নিহতদের মধ্যে খামেনির মাত্র ১৪ মাস বয়সী এক নাতনিও ছিল, যার ছোট কফিনটি উপস্থিত সবাইকে আবেগাপ্লুত করে তোলে।

৬ জুলাই ও ৭ জুলাইয়ের কর্মসূচির পর ৮ জুলাই ইরাকের পবিত্র নগরী নাজাফ ও কারবালায় পরবর্তী শোকমিছিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

শোকমিছিলে অংশ নেওয়া ২৩ বছর বয়সী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী মেলিকা নূরিয়ান বলেন, ‘আমি অত্যন্ত গর্বের সাথে এখানে এসেছি বিশ্ববাসীকে দেখাতে যে আমরা তাঁকে কতটা ভালোবাসতাম এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রতি আমরা কতটা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

কাজেমি নামে পরিচয় দেওয়া ৬৩ বছর বয়সী এক ব্যক্তি বলেন, ‘আমরা এই অপরাধীদের কাছ থেকে শহীদদের রক্ত এবং আমাদের শহীদ ইমামের প্রতিশোধ নেব।’

এদিকে টানা ছয় দিনের এই অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানের তৃতীয় দিন পার হলেও এখন পর্যন্ত খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনিকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি। পিতার মৃত্যুর এক সপ্তাহ পর তাঁকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হলেও নিয়োগের পর থেকে তিনি এখনো প্রকাশ্যে আসেননি।

সূত্র: দ্য স্ট্রেট টাইমস

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ