জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা ৮ ডিসেম্বর শুরু, মানতে হবে ৬ নির্দেশনা
২০২৬ সালের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। আগামী ৮ ডিসেম্বর থেকে এ পরীক্ষা শুরু হবে। পরীক্ষা শেষ হবে ১৫ ডিসেম্বর। একই সঙ্গে পরীক্ষার্থীদের জন্য ছয়টি নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।
সূচি অনুযায়ী, ৮ ডিসেম্বর বাংলা, ১০ ডিসেম্বর ইংরেজি, ১৩ ডিসেম্বর গণিত এবং ১৫ ডিসেম্বর বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত শিক্ষাপঞ্জিতে ১৫ থেকে ২০ ডিসেম্বর জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। ৩০ ডিসেম্বর ফল প্রকাশের সম্ভাব্য তারিখও নির্ধারণ করা হয়েছিল। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের আগেই পরীক্ষা শুরু ও শেষ হবে।
পরীক্ষার্থীদের জন্য ৬ নির্দেশনা
১. পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই নিজ নিজ আসনে বসতে হবে।
২. প্রশ্নপত্রে উল্লেখিত সময় অনুযায়ী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে আলাদাভাবে দেড় ঘণ্টা করে মোট তিন ঘণ্টা পরীক্ষা হবে।
৩. পরীক্ষার অন্তত সাত দিন আগে নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের কাছ থেকে প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে হবে।
৪. উত্তরপত্রের ওএমআর ফরমে রোল নম্বর, নিবন্ধন নম্বর, বিষয় কোডসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে লিখে নির্ধারিত বৃত্ত ভরাট করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই উত্তরপত্র ভাঁজ করা যাবে না।
৫. পরীক্ষায় বোর্ড অনুমোদিত সাধারণ বৈজ্ঞানিক ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা যাবে।
৬. কেন্দ্রসচিব ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা পরীক্ষার্থী মুঠোফোনসহ কোনো ধরনের ইলেকট্রনিক যন্ত্র পরীক্ষাকেন্দ্রে আনতে পারবেন না।
৪০০ নম্বরে পরীক্ষা
এবার জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা হবে মোট ৪০০ নম্বরে। বাংলা, ইংরেজি ও গণিতে ১০০ নম্বর করে পরীক্ষা হবে এবং প্রতিটি বিষয়ের জন্য সময় থাকবে তিন ঘণ্টা।
বিজ্ঞান ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বিষয়ে ৫০ নম্বর করে মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। এ দুই বিষয়ের জন্য মোট সময় থাকবে তিন ঘণ্টা, প্রতিটি বিষয়ের জন্য দেড় ঘণ্টা করে।
প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মেধাবৃত্তি ও সাধারণ বৃত্তি দেওয়া হবে।
মতামত দিন