জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার খাতা আর ফেরত নয়, বিক্রির অনুমতি
২০২৫ সালের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার মূল্যায়ন করা উত্তরপত্র আর শিক্ষা বোর্ডে ফেরত দিতে হবে না। নির্ধারিত ছয় মাস সংরক্ষণের সময়সীমা শেষ হওয়ায় প্রধান পরীক্ষকদের কাছে থাকা এসব খাতা বিক্রি করে দেওয়ার অনুমতি দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এ বিষয়ে একটি চিঠি জারি করেছে ঢাকা শিক্ষা বোর্ড। বোর্ডের সচিব অধ্যাপক এস এম কামাল উদ্দিন হায়দারের সই করা চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার প্রধান পরীক্ষকদের নামে বরাদ্দ করা উত্তরপত্র মূল্যায়নের পর নীতিমালা অনুযায়ী ছয় মাস সংরক্ষণ করা হয়েছে। সেই সংরক্ষণকাল ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।
এ কারণে প্রধান পরীক্ষকদের কাছে থাকা মূল্যায়ন করা উত্তরপত্র আর বোর্ডে ফেরত নেওয়া হবে না। তারা চাইলে এসব খাতা বিক্রি করে দিতে পারবেন। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার সব প্রধান পরীক্ষককে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
২০২৫ সালের জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ২৮ ডিসেম্বর। প্রথম তিন দিনে বাংলা, ইংরেজি ও গণিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় যথাক্রমে ২৮, ২৯ ও ৩০ ডিসেম্বর। ৩১ ডিসেম্বর বিজ্ঞান এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও তা স্থগিত করা হয়।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর কারণে ৩১ ডিসেম্বরের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল। পরে স্থগিত পরীক্ষা ২০২৬ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্য দিয়ে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার লিখিত পরীক্ষা শেষ হয়। এরপর চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়।
বোর্ডের নির্দেশনার ফলে এখন প্রধান পরীক্ষকদের কাছে থাকা মূল্যায়ন করা উত্তরপত্র ফেরত পাঠানোর পরিবর্তে নির্ধারিত নিয়মে বিক্রি করা যাবে।
মতামত দিন