‘ডাকসুকে বেশ্যাখানা’ বলা জামায়াত নেতা শামীম আহসানকে অব্যাহতি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে বরগুনা জেলা জামায়তে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ শামীম আহসানকে দলের সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বরগুনা জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মহিবুল্লাহ হারুন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২৫ জানুয়ারি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় নির্বাচনী জনসভায় শামীম আহসানের মন্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ দেশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, তার বক্তব্য দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছে এবং এটি দলের নীতি ও আদর্শের পরিপন্থী।
শনিবার রাতে পাথরঘাটার কাটাখালী এলাকায় জামায়াত মনোনীত বরগুনা–২ আসনের প্রার্থী সুলতান আহমেদের নির্বাচনী সভায় শামীম আহসান বলেন, আমরা দেখছি, ডাকসু নির্বাচনের পরে, যে ডাকসু মাদকের আড্ডা ছিল, যে ডাকসু বেশ্যাখানা ছিল, সেটা ইসলামী ছাত্রশিবির পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছে। তাই এই বাংলাদেশ থেকে সকল প্রকার অন্যায়, সকল প্রকার চাঁদাবাজ, সকল প্রকার দুর্নীতি উৎখাত করতে জামায়াতে ইসলামী সক্ষম।
ওই বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা হয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মন্তব্যের নিন্দা জানায়। ডাকসু নেতারা শামীম আহসানের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করার হুঁশিয়ারি দেন।
সমালোচনার মুখে রোববার রাতে শামীম আহসান ফেসবুকে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন।
মতামত দিন
মন্তব্য করতে প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে