Views Bangladesh Logo

মার্কিন যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের

জর্ডানে মোতায়েন থাকা যুক্তরাষ্ট্রের কয়েকটি যুদ্ধবিমান ও আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী (রিফুয়েলিং) বিমান ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ধ্বংস করার দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি)। তবে এ দাবির স্বাধীনভাবে সত্যতা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

আইআরজিসির এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের রাতভর হামলার জবাবে জর্ডানে অবস্থানরত মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে এই হামলা চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, এতে কয়েকটি যুদ্ধবিমান ও রিফুয়েলিং বিমান ধ্বংস হয়েছে এবং আরও কয়েকটি বিমান গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তবে জর্ডানের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা ইরানের ছোড়া তিনটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করেছে। তাদের দাবি, এতে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি।

আইআরজিসি আরও দাবি করেছে, সিরিয়ার আল-তানফে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ অভিযান কমান্ড সেন্টারেও হামলা চালানো হয়েছে। তবে এ বিষয়ে সিরিয়া বা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, তারা আইআরজিসির এসব দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী এর আগে জানিয়েছিল, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতেই সিরিয়া-জর্ডান-ইরাক সীমান্তসংলগ্ন আল-তানফ ঘাঁটি থেকে তাদের সেনা প্রত্যাহার সম্পন্ন হয়েছে।

এদিকে ইরাকের স্বায়ত্তশাসিত কুর্দি অঞ্চলের এরবিল ও সুলাইমানিয়ায়ও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, সেখানে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার চেষ্টা চালায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তার দাবি, হামলার লক্ষ্য ছিল ইরানের কুর্দি বিরোধী গোষ্ঠী কোমালা। এতে অন্তত নয়জন নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। যদিও ইরান এ হামলার দায় আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করেনি।

গত মাসে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের অন্তর্বর্তী যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার পর থেকে হরমুজ প্রণালি ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন এলাকায় দুই দেশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রও ইরানের বিভিন্ন অবকাঠামো ও কৌশলগত স্থাপনায় বিমান হামলা জোরদার করেছে।

মতামত দিন

Avatar

ট্রেন্ডিং ভিউজ